ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদর দপ্তর কঠোর আচরণবিধি জারি করেছে। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশদের নির্দিষ্ট কিছু আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে। তারা কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সমর্থকের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারবেন না এবং ব্যক্তিগত পছন্দ বা রাজনৈতিক মত প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক পোস্ট বা মন্তব্যও করতে পারবে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা সাপেক্ষে বলপ্রয়োগ বা লাঠিচার্জ করা যাবে না। কোনো প্রার্থী, এজেন্ট বা সমর্থকের কাছ থেকে খাবার, উপহার বা অন্য সুবিধা গ্রহণ করা নিষিদ্ধ। প্রার্থীর সঙ্গে ছবি তোলা বা ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা অপেশাদার হিসেবে গণ্য হবে। ভোটকেন্দ্রে ফুটপাত বা দোকানে বসে খাবার খাওয়া, জনসমাগমস্থলে নাস্তা গ্রহণ থেকেও বিরত থাকতে হবে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না এবং ভোটারদের কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রভাবিত করা যাবে না। দায়িত্ব পালনের সময় মোবাইল ব্যবহার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকা নিষিদ্ধ, এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতা বা সংবেদনশীল ভোট সংক্রান্ত তথ্য বা ভিডিও কারও কাছে পাঠানো যাবে না। ভোটার বা কর্মকর্তাদের কাজে অযথা হস্তক্ষেপ, গালিগালাজ, হুমকি বা অবমাননাকর আচরণ, একত্রে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি বা ব্যক্তিগত আলাপে লিপ্ত হওয়াও চলবে না। এছাড়া ভোটের ফলাফল বা সম্ভাব্য বিজয়ী সম্পর্কে পূর্বানুমান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে পুলিশ সদর দপ্তর কঠোর আচরণবিধি জারি করেছে। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালনকালে পুলিশদের নির্দিষ্ট কিছু আচরণ থেকে বিরত থাকতে হবে। তারা কোনো রাজনৈতিক দল, প্রার্থী বা সমর্থকের প্রতি পক্ষপাতমূলক আচরণ করতে পারবেন না এবং ব্যক্তিগত পছন্দ বা রাজনৈতিক মত প্রকাশ, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রাজনৈতিক পোস্ট বা মন্তব্যও করতে পারবে না। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা সাপেক্ষে বলপ্রয়োগ বা লাঠিচার্জ করা যাবে না। কোনো প্রার্থী, এজেন্ট বা সমর্থকের কাছ থেকে খাবার, উপহার বা অন্য সুবিধা গ্রহণ করা নিষিদ্ধ। প্রার্থীর সঙ্গে ছবি তোলা বা ঘনিষ্ঠ আলাপচারিতা অপেশাদার হিসেবে গণ্য হবে। ভোটকেন্দ্রে ফুটপাত বা দোকানে বসে খাবার খাওয়া, জনসমাগমস্থলে নাস্তা গ্রহণ থেকেও বিরত থাকতে হবে। প্রিসাইডিং কর্মকর্তার অনুমতি ছাড়া ভোটকক্ষে প্রবেশ করা যাবে না এবং ভোটারদের কোনো প্রার্থীর পক্ষে প্রভাবিত করা যাবে না। দায়িত্ব পালনের সময় মোবাইল ব্যবহার ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সক্রিয় থাকা নিষিদ্ধ, এবং ব্যক্তিগত আলাপচারিতা বা সংবেদনশীল ভোট সংক্রান্ত তথ্য বা ভিডিও কারও কাছে পাঠানো যাবে না। ভোটার বা কর্মকর্তাদের কাজে অযথা হস্তক্ষেপ, গালিগালাজ, হুমকি বা অবমাননাকর আচরণ, একত্রে উদ্দেশ্যহীন ঘোরাঘুরি বা ব্যক্তিগত আলাপে লিপ্ত হওয়াও চলবে না। এছাড়া ভোটের ফলাফল বা সম্ভাব্য বিজয়ী সম্পর্কে পূর্বানুমান করা থেকে বিরত থাকতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করলে সংশ্লিষ্ট সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন