কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ২৮ হাজার ৬৩০টি পোস্টাল ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও পোস্টাল ভোট কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইরফান উল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আসনভিত্তিক হিসাবে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ৯,৬৩৫টি, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে ৪,২১২টি, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে সর্বোচ্চ ১০,৯১৭টি এবং কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে ৩,৮৬৬টি পোস্টাল ভোট জমা পড়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার পর এসব পোস্টাল ভোট গণনা শুরু হবে। নিয়মিত ভোট গণনার মতোই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এ জন্য প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। প্রতি ৩০০ ভোটের জন্য একজন করে সহায়ক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।
ভোট গণনার সময় প্রার্থীরা সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারবেন কিংবা তাদের মনোনীত এজেন্টের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো গণনা কার্যক্রম সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে যাচাই শেষে ব্যালট বাক্স খোলা হবে এবং স্বচ্ছভাবে ভোট গণনা করা হবে। একই সঙ্গে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য ব্যবহৃত আলাদা ব্যালটও গণনার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
পোস্টাল ভোট প্রদানকারীদের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ—বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও ওমান—ছাড়াও মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসীরা রয়েছেন। এছাড়া দেশের ভেতরে কর্মরত সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী এবং কারাবন্দিরাও এই পদ্ধতিতে ভোট দিয়েছেন।
তবে কোন দেশ থেকে কতটি পোস্টাল ভোট এসেছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
কক্সবাজার জেলার চারটি সংসদীয় আসনে মোট ২৮ হাজার ৬৩০টি পোস্টাল ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও পোস্টাল ভোট কার্যক্রমের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইরফান উল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
আসনভিত্তিক হিসাবে কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ৯,৬৩৫টি, কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসনে ৪,২১২টি, কক্সবাজার-৩ (সদর-রামু-ঈদগাঁও) আসনে সর্বোচ্চ ১০,৯১৭টি এবং কক্সবাজার-৪ (উখিয়া-টেকনাফ) আসনে ৩,৮৬৬টি পোস্টাল ভোট জমা পড়েছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে চারটার পর এসব পোস্টাল ভোট গণনা শুরু হবে। নিয়মিত ভোট গণনার মতোই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। এ জন্য প্রিসাইডিং কর্মকর্তা, পোলিং কর্মকর্তা ও সহায়ক কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে এবং তাদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণও দেওয়া হয়েছে। প্রতি ৩০০ ভোটের জন্য একজন করে সহায়ক কর্মকর্তা দায়িত্ব পালন করবেন।
ভোট গণনার সময় প্রার্থীরা সরাসরি উপস্থিত থাকতে পারবেন কিংবা তাদের মনোনীত এজেন্টের মাধ্যমে পুরো প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো গণনা কার্যক্রম সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় থাকবে।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা জানান, স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে যাচাই শেষে ব্যালট বাক্স খোলা হবে এবং স্বচ্ছভাবে ভোট গণনা করা হবে। একই সঙ্গে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের জন্য ব্যবহৃত আলাদা ব্যালটও গণনার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
পোস্টাল ভোট প্রদানকারীদের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ—বিশেষ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও ওমান—ছাড়াও মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা প্রবাসীরা রয়েছেন। এছাড়া দেশের ভেতরে কর্মরত সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী এবং কারাবন্দিরাও এই পদ্ধতিতে ভোট দিয়েছেন।
তবে কোন দেশ থেকে কতটি পোস্টাল ভোট এসেছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারেননি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন