ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট (১২ ফেব্রুয়ারি) মাত্র দু’দিন বাকি থাকতেই নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত সিসি ক্যামেরা চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি নির্বাচন পূর্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার ইঙ্গিত মেনে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মতে, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাহাগিলী ইউনিয়নের নয়নখাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত একটি সিসি ক্যামেরা অনুপস্থিত পাওয়া যায়। ভোটের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কয়েকদিন আগে কেন্দ্রটিতে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয় ছুটির পর শিক্ষকরা চলে যাওয়ার পর মঙ্গলবার এসে সেটি আর সেখানে পাওয়া যায়নি। এখনও পর্যন্ত চুরির সঙ্গে জড়িত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি বলে জানা গেছে।
নয়ানখাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জলিলুর রহমান বলেন, “গতকাল বিদ্যালয় ছুটির পর সব ঠিক ছিল। আজ সকালে এসে দেখি ক্যামেরাটি আর নেই।” তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তার ওপর বড় প্রশ্ন তুলে দেবে।
স্থানীয় প্রশাসনও ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া জানিয়েছেন, অভিযোগটি তারা পেয়েছেন এবং তদন্ত চালানো হচ্ছে; দ্রুত দায়ীদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার বা শনাক্ত ঘোষিত হয়নি।
ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন সারাদেশে নির্বাচন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কেন্দ্রগুলোতে নজরদারি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য সিসি ক্যামেরা, বডি ক্যামেরা, ড্রোন এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকেই গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিকল্পনায় প্রায় ৪২০ ড্রোন, প্রায় ২৫ হাজার বডি‑ওয়ান ক্যামেরা এবং কেন্দ্রগুলিতে সিসি ক্যামেরা মোতায়েন দেওয়া হচ্ছে যাতে অবাঞ্ছিত ঘটনা প্রতিহত করা যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোটের দিন পরিষ্কার ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত নজরদারি থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, এমন চুরির ঘটনাগুলো সুরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতার প্রতিফলন, যা যদি ঠিকভাবে সমাধান করা না হয়, তাহলে ভোটগ্রহণ ও ভোটারদের নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এদিকে, নীলফামারীর নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা সতর্ক থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট (১২ ফেব্রুয়ারি) মাত্র দু’দিন বাকি থাকতেই নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত সিসি ক্যামেরা চুরি হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ঘটনাটি নির্বাচন পূর্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতার ইঙ্গিত মেনে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র মতে, মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে বাহাগিলী ইউনিয়নের নয়নখাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত একটি সিসি ক্যামেরা অনুপস্থিত পাওয়া যায়। ভোটের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে কয়েকদিন আগে কেন্দ্রটিতে ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছিল, কিন্তু সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) বিদ্যালয় ছুটির পর শিক্ষকরা চলে যাওয়ার পর মঙ্গলবার এসে সেটি আর সেখানে পাওয়া যায়নি। এখনও পর্যন্ত চুরির সঙ্গে জড়িত কাউকে শনাক্ত করা যায়নি বলে জানা গেছে।
নয়ানখাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ জলিলুর রহমান বলেন, “গতকাল বিদ্যালয় ছুটির পর সব ঠিক ছিল। আজ সকালে এসে দেখি ক্যামেরাটি আর নেই।” তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তার ওপর বড় প্রশ্ন তুলে দেবে।
স্থানীয় প্রশাসনও ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ইউএনও ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়া জানিয়েছেন, অভিযোগটি তারা পেয়েছেন এবং তদন্ত চালানো হচ্ছে; দ্রুত দায়ীদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে এখনও পর্যন্ত কোনো গ্রেপ্তার বা শনাক্ত ঘোষিত হয়নি।
ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটেছে যখন সারাদেশে নির্বাচন নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নির্বাচন কেন্দ্রগুলোতে নজরদারি ও নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য সিসি ক্যামেরা, বডি ক্যামেরা, ড্রোন এবং অন্যান্য প্রযুক্তি ব্যবহারের দিকেই গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পরিকল্পনায় প্রায় ৪২০ ড্রোন, প্রায় ২৫ হাজার বডি‑ওয়ান ক্যামেরা এবং কেন্দ্রগুলিতে সিসি ক্যামেরা মোতায়েন দেওয়া হচ্ছে যাতে অবাঞ্ছিত ঘটনা প্রতিহত করা যায়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভোটের দিন পরিষ্কার ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত নজরদারি থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারা মনে করেন, এমন চুরির ঘটনাগুলো সুরক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতার প্রতিফলন, যা যদি ঠিকভাবে সমাধান করা না হয়, তাহলে ভোটগ্রহণ ও ভোটারদের নিরাপত্তার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।
এদিকে, নীলফামারীর নির্বাচন প্রক্রিয়া চলাকালে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ পরিবেশ রাখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সর্বদা সতর্ক থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করা হবে বলে প্রশাসন জানিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন