ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে ঠাকুরগাঁও জেলায় মোট ৪১৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২০১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২০ জন প্রার্থী।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ঠাকুরগাঁও‑১ আসনে ৯২টি, ঠাকুরগাঁও‑২ আসনে ৪৬টি এবং ঠাকুরগাঁও‑৩ আসনে ৬৩টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচনী প্রচারণায় মাঘের শীত উপেক্ষা করে উৎসবের আমেজ দেখা গেলেও ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম জানান, “বিগত নির্বাচনের সহিংসতার স্মৃতি যেন ফিরে না আসে, প্রশাসনকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষ ও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।”
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত ফারজানা বলেন, “অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ প্রস্তুত।”
ভোটাররা আশা করছেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কৃষি উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করবেন, যা জেলার মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ বয়ে আনবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে ঠাকুরগাঁও জেলায় মোট ৪১৭টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২০১টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ বা গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ২০ জন প্রার্থী।
ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর মধ্যে ঠাকুরগাঁও‑১ আসনে ৯২টি, ঠাকুরগাঁও‑২ আসনে ৪৬টি এবং ঠাকুরগাঁও‑৩ আসনে ৬৩টি কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, সুষ্ঠু ভোট নিশ্চিত করতে প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নির্বাচনী প্রচারণায় মাঘের শীত উপেক্ষা করে উৎসবের আমেজ দেখা গেলেও ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলাম জানান, “বিগত নির্বাচনের সহিংসতার স্মৃতি যেন ফিরে না আসে, প্রশাসনকে সর্বোচ্চ নিরপেক্ষ ও কঠোর ভূমিকা পালন করতে হবে।”
জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত ফারজানা বলেন, “অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রশাসন বদ্ধপরিকর। প্রতিটি কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি করা হবে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ প্রস্তুত।”
ভোটাররা আশা করছেন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা কৃষি উন্নয়ন, অবকাঠামো সম্প্রসারণ, সামাজিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করবেন, যা জেলার মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণ বয়ে আনবে।

আপনার মতামত লিখুন