ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে ‍উঠলো দেশ


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে ‍উঠলো দেশ

মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটে বাংলাদেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভব করা গেছে, বিশেষত ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ পার্শ্ববর্তী জেলা‑উপজেলায়। আন্তর্জাতিক সিসমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ভূমিকম্পটির মাত্রা ৪.০ রিখটার স্কেল এবং উৎপত্তিস্থল সিলেট শহরের উত্তর‑পূর্বাংশের কাছে।

নাগরিকরা কম্পন অনুভব করলেও এখন পর্যন্ত সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কোনো বড় ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর দেয়নি। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই কম্পনের ভিডিও ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের অবস্থান একটি ভূমিকম্প‑প্রবণ অঞ্চলে, যেখানে ভারত, ইউরেশিয়া ও বার্মা টেকটনিক প্লেটের সংযোগ অঞ্চলের কারণে মাঝারি থেকে মাঝারি‑উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়া সম্ভাবনা সবসময় থাকে।

গত কয়েক সপ্তাহেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্পের ধারাবাহিকতা দেখা গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মায়ানমার সীমান্তে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, যা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্পন হিসেবে অনুভূত হয়েছিল। এছাড়া ফেব্রুয়ারির শুরুতে আরও কিছু মৃদু কম্পন (৩.৩–৪.১) রেকর্ড করা হয়েছিল। এই ধারাবাহিক কম্পনগুলো বাংলাদেশের ভূ‑তাত্ত্বিক সক্রিয়তার প্রতিফলন বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

আজকের ভূমিকম্প মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করলেও তা প্রাণঘাতী বা ধ্বংসাত্মক হয়নি। বিশেষজ্ঞরা নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং জরুরি প্রস্তুতি যেমন জরুরি সরঞ্জাম, নিরাপদ স্থানে অবস্থান ও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। ভূমিকম্প‑প্রবণ অঞ্চলে অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে ভবিষ্যতেও কম্পনের সম্ভাবনা সবসময় থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


আবারও ভূমিকম্পে কেঁপে ‍উঠলো দেশ

প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image

মঙ্গলবার বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটে বাংলাদেশে আবারও ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে কম্পন অনুভব করা গেছে, বিশেষত ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটসহ পার্শ্ববর্তী জেলা‑উপজেলায়। আন্তর্জাতিক সিসমিক পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী ভূমিকম্পটির মাত্রা ৪.০ রিখটার স্কেল এবং উৎপত্তিস্থল সিলেট শহরের উত্তর‑পূর্বাংশের কাছে।

নাগরিকরা কম্পন অনুভব করলেও এখন পর্যন্ত সরকারি বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কোনো বড় ক্ষতি বা প্রাণহানির খবর দেয়নি। সামাজিক মাধ্যমে অনেকেই কম্পনের ভিডিও ও অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাংলাদেশের অবস্থান একটি ভূমিকম্প‑প্রবণ অঞ্চলে, যেখানে ভারত, ইউরেশিয়া ও বার্মা টেকটনিক প্লেটের সংযোগ অঞ্চলের কারণে মাঝারি থেকে মাঝারি‑উচ্চ মাত্রার ভূমিকম্প হওয়া সম্ভাবনা সবসময় থাকে।

গত কয়েক সপ্তাহেও দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্পের ধারাবাহিকতা দেখা গেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ৩ ফেব্রুয়ারি রাতে মায়ানমার সীমান্তে ৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্প, যা ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্পন হিসেবে অনুভূত হয়েছিল। এছাড়া ফেব্রুয়ারির শুরুতে আরও কিছু মৃদু কম্পন (৩.৩–৪.১) রেকর্ড করা হয়েছিল। এই ধারাবাহিক কম্পনগুলো বাংলাদেশের ভূ‑তাত্ত্বিক সক্রিয়তার প্রতিফলন বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন।

আজকের ভূমিকম্প মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করলেও তা প্রাণঘাতী বা ধ্বংসাত্মক হয়নি। বিশেষজ্ঞরা নাগরিকদের সতর্ক থাকতে এবং জরুরি প্রস্তুতি যেমন জরুরি সরঞ্জাম, নিরাপদ স্থানে অবস্থান ও সরকারি নির্দেশনা অনুসরণ গ্রহণের পরামর্শ দিয়েছেন। ভূমিকম্প‑প্রবণ অঞ্চলে অবস্থানের কারণে বাংলাদেশে ভবিষ্যতেও কম্পনের সম্ভাবনা সবসময় থাকবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ