ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানিয়েছেন যে, নির্বাচনের সময় যেকোনো অস্ত্রই নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি সতর্ক করেছেন, শুধু বৈধ অস্ত্র নয়, দেশে অনুপ্রবেশ করা অবৈধ অস্ত্রও ভোটার ও সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা বিপন্ন করতে পারে।
আইজিপি বলেন, “প্রত্যেকটি অস্ত্রই এখন নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সব ধরনের ঝুঁকি কমিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা।” তিনি আরও জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ২৭,৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র যথাযথভাবে নিবন্ধন করা হয়েছে এবং মিসিং অস্ত্রের সংখ্যা খুব কম।
নির্বাচনের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১ লাখ ৮৭ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা, বডি ক্যামেরা এবং ড্রোন ব্যবহার করে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, অবৈধ অস্ত্র রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং অস্থিতিশীলতা বাড়াতে পারে। ভোটের ঠিক আগে কিছু এলাকায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা নির্বাচনের পরিবেশকে আরও অস্থির করেছে।
আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। কিছু রিটপিটিশনে দাবি করা হয়েছে যে, যদি লুট হওয়া বা মিসিং অস্ত্র উদ্ধার না হয়, নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত। তবে প্রশাসন জানিয়েছে যে তারা যথাসম্ভব নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিচ্ছে যাতে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
আইজিপি আবারও সব ধরনের ঝুঁকিকে গুরুত্ব সহকারে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবে যাতে ভোটার ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম জানিয়েছেন যে, নির্বাচনের সময় যেকোনো অস্ত্রই নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি সতর্ক করেছেন, শুধু বৈধ অস্ত্র নয়, দেশে অনুপ্রবেশ করা অবৈধ অস্ত্রও ভোটার ও সাধারণ জনগণের নিরাপত্তা বিপন্ন করতে পারে।
আইজিপি বলেন, “প্রত্যেকটি অস্ত্রই এখন নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সব ধরনের ঝুঁকি কমিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা।” তিনি আরও জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ২৭,৯৯৫টি বৈধ অস্ত্র যথাযথভাবে নিবন্ধন করা হয়েছে এবং মিসিং অস্ত্রের সংখ্যা খুব কম।
নির্বাচনের সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ১ লাখ ৮৭ হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় সিসিটিভি ক্যামেরা, বডি ক্যামেরা এবং ড্রোন ব্যবহার করে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা সতর্ক করেছেন, অবৈধ অস্ত্র রাজনৈতিক সংঘর্ষ এবং অস্থিতিশীলতা বাড়াতে পারে। ভোটের ঠিক আগে কিছু এলাকায় গোলাগুলি ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে, যা নির্বাচনের পরিবেশকে আরও অস্থির করেছে।
আইনি পদক্ষেপও নেওয়া হয়েছে। কিছু রিটপিটিশনে দাবি করা হয়েছে যে, যদি লুট হওয়া বা মিসিং অস্ত্র উদ্ধার না হয়, নির্বাচন স্থগিত রাখা উচিত। তবে প্রশাসন জানিয়েছে যে তারা যথাসম্ভব নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিচ্ছে যাতে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও নিরপেক্ষভাবে অনুষ্ঠিত হয়।
আইজিপি আবারও সব ধরনের ঝুঁকিকে গুরুত্ব সহকারে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন। পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) এবং অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করবে যাতে ভোটার ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

আপনার মতামত লিখুন