ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

গণভোট কী, কেন ও কীভাবে দেবেন


 নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

গণভোট কী, কেন ও কীভাবে দেবেন


নির্বাচনের বাকি তিনদিন। গণভোটও একটি ভোট বা নির্বাচন, তবে এতে কোনো প্রার্থী থাকে না। ভোটাররা কোনো প্রস্তাবের পক্ষে বা বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে তাদের মত প্রকাশ করেন। গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন, জাতীয় নীতিনির্ধারণ, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়।

প্রক্রিয়াটি সাধারণভাবে এইভাবে চলে: প্রথমে ইস্যু নির্ধারণ করা হয়, তারপর গণভোটের জন্য আইন প্রণয়ন করা হয়। ব্যালট পেপারে প্রশ্নটি এমনভাবে লেখা থাকে যাতে ভোটার ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ চিহ্ন দিতে পারে। নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র ঠিক করে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে। ভোটাররা কেন্দ্র গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, এবং অধিকাংশ ভোট যে দিকের পড়ে, সেটিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

গণভোট দেওয়ার সময় প্রতিটি ভোটারকে দুইটি ব্যালট দেওয়া হবে। সাদা ব্যালট এমপি প্রার্থীর জন্য এবং গোলাপি ব্যালট গণভোটের জন্য। দুটি ব্যালটে আলাদা সিল মেরে একই বাক্সে রাখতে হবে। গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ঘরে চিহ্ন দিয়ে ভোট দিতে হবে।

ব্যালটের প্রশ্নে উল্লেখ থাকে, ভোটার কি জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করছেন। এতে অন্তর্ভুক্ত থাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠন, সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, উচ্চকক্ষ গঠন, মৌলিক অধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা এবং অন্যান্য ৩০টি সংস্কার বাস্তবায়ন। বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো এই সনদের প্রতিশ্রুতির অনুযায়ী সংস্কার কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


গণভোট কী, কেন ও কীভাবে দেবেন

প্রকাশের তারিখ : ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


নির্বাচনের বাকি তিনদিন। গণভোটও একটি ভোট বা নির্বাচন, তবে এতে কোনো প্রার্থী থাকে না। ভোটাররা কোনো প্রস্তাবের পক্ষে বা বিপক্ষে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ভোট দিয়ে তাদের মত প্রকাশ করেন। গণভোটের মাধ্যমে সংবিধান সংশোধন, জাতীয় নীতিনির্ধারণ, স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং গণতান্ত্রিক অধিকার প্রতিষ্ঠা করা হয়।

প্রক্রিয়াটি সাধারণভাবে এইভাবে চলে: প্রথমে ইস্যু নির্ধারণ করা হয়, তারপর গণভোটের জন্য আইন প্রণয়ন করা হয়। ব্যালট পেপারে প্রশ্নটি এমনভাবে লেখা থাকে যাতে ভোটার ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ চিহ্ন দিতে পারে। নির্বাচন কমিশন ভোটকেন্দ্র ঠিক করে ভোটার তালিকা প্রস্তুত করে। ভোটাররা কেন্দ্র গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন, এবং অধিকাংশ ভোট যে দিকের পড়ে, সেটিই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

গণভোট দেওয়ার সময় প্রতিটি ভোটারকে দুইটি ব্যালট দেওয়া হবে। সাদা ব্যালট এমপি প্রার্থীর জন্য এবং গোলাপি ব্যালট গণভোটের জন্য। দুটি ব্যালটে আলাদা সিল মেরে একই বাক্সে রাখতে হবে। গণভোটের ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ ঘরে চিহ্ন দিয়ে ভোট দিতে হবে।

ব্যালটের প্রশ্নে উল্লেখ থাকে, ভোটার কি জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫ বাস্তবায়নের প্রতি সম্মতি জ্ঞাপন করছেন। এতে অন্তর্ভুক্ত থাকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার, নির্বাচন কমিশন ও অন্যান্য সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠন, সংসদে নারী প্রতিনিধি বৃদ্ধি, উচ্চকক্ষ গঠন, মৌলিক অধিকার ও বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, স্থানীয় সরকার, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা এবং অন্যান্য ৩০টি সংস্কার বাস্তবায়ন। বিজয়ী রাজনৈতিক দলগুলো এই সনদের প্রতিশ্রুতির অনুযায়ী সংস্কার কার্যকর করতে বাধ্য থাকবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ