আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ কামাল হোসেন সোমবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলার ১২৫টি ইটভাটার কার্যক্রম ভোটকালীন সময়ে পাঁচদিন বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, “ইটভাটায় কিছু মানুষ জড়ো হচ্ছে, যা নাশকতার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তাই নির্বাচনী সময় ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইটভাটা কার্যক্রম বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। প্রতিটি ইটভাটায় কেবল দুইজন নিরাপত্তা প্রহরী উপস্থিত থাকবেন, অন্যান্য শ্রমিক বা কর্মচারী অবস্থান করতে পারবেন না। ভোটকালীন সময়ে নির্বাচনী মালামাল উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের চারশ’ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন না। ভোটারদের নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছানো নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি আরও জানান, “ভোটের দিন ভ্যান ও রিকশা চলবে, তবে প্রতীকের ব্যবহার হবে না। অসুস্থ মানুষ লাইনের বাইরে ভোট দিতে পারবেন। জরুরি সেবা সচল থাকবে। চুয়াডাঙ্গার সংসদীয় দুটি আসনের মোট ৩৫৪টি ভোট কেন্দ্র সমান গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে এবং প্রার্থী অনুযায়ী তথ্য দিচ্ছে।”
নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে জেলা প্রশাসক জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪ থেকে ১৫ জন পুলিশ-আনসার সদস্য ডিউটি দেবেন। পুলিশের ডিবি বিশেষ দায়িত্ব পালন করবে। ৮ প্লাটুন বিজিবি দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলায়, সদর উপজেলায় ২ প্লাটুন, ৮ প্লাটুন সেনাবাহিনী বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করবে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদরে ৩ প্লাটুন, আলমডাঙ্গায় ৪ প্লাটুন এবং ১ প্লাটুন রিজার্ভ থাকবে। প্রত্যেক টীমের সঙ্গে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। আনসার ব্যাটালিয়নের চার উপজেলায় চারটি টীম এবং র্যাবের চার উপজেলায় চারটি টীম থাকবে। এছাড়া, ১১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় উপজেলা পর্যায় থেকে প্রিজাইডিং অফিসারদের ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স বিতরণ করা হবে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি.এম. তারিক-উজ-জামান, জেলা নির্বাচন অফিসার আহমেদ আলী ও সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল নাঈম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব, সাংবাদিক সমিতি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী সভায় অংশ নেন। জেলা প্রশাসক শেষ পর্যন্ত জানান, ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও সুষ্ঠু রাখার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে চুয়াডাঙ্গা জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ কামাল হোসেন সোমবার জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলার ১২৫টি ইটভাটার কার্যক্রম ভোটকালীন সময়ে পাঁচদিন বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের কাছে অনুরোধ করা হয়েছে।
সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, “ইটভাটায় কিছু মানুষ জড়ো হচ্ছে, যা নাশকতার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তাই নির্বাচনী সময় ১০ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইটভাটা কার্যক্রম বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হয়েছে। প্রতিটি ইটভাটায় কেবল দুইজন নিরাপত্তা প্রহরী উপস্থিত থাকবেন, অন্যান্য শ্রমিক বা কর্মচারী অবস্থান করতে পারবেন না। ভোটকালীন সময়ে নির্বাচনী মালামাল উপজেলা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। কেন্দ্রের চারশ’ গজ ব্যাসার্ধের মধ্যে শুধুমাত্র সুনির্দিষ্ট ব্যক্তি মোবাইল ফোন বহন করতে পারবেন না। ভোটারদের নিরাপদে ভোট কেন্দ্রে পৌঁছানো নিশ্চিত করা হবে।”
তিনি আরও জানান, “ভোটের দিন ভ্যান ও রিকশা চলবে, তবে প্রতীকের ব্যবহার হবে না। অসুস্থ মানুষ লাইনের বাইরে ভোট দিতে পারবেন। জরুরি সেবা সচল থাকবে। চুয়াডাঙ্গার সংসদীয় দুটি আসনের মোট ৩৫৪টি ভোট কেন্দ্র সমান গুরুত্বপূর্ণ। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করতে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা কাজ করছে এবং প্রার্থী অনুযায়ী তথ্য দিচ্ছে।”
নির্বাচনী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে জেলা প্রশাসক জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে ১৪ থেকে ১৫ জন পুলিশ-আনসার সদস্য ডিউটি দেবেন। পুলিশের ডিবি বিশেষ দায়িত্ব পালন করবে। ৮ প্লাটুন বিজিবি দামুড়হুদা ও জীবননগর উপজেলায়, সদর উপজেলায় ২ প্লাটুন, ৮ প্লাটুন সেনাবাহিনী বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করবে। এর মধ্যে চুয়াডাঙ্গা সদরে ৩ প্লাটুন, আলমডাঙ্গায় ৪ প্লাটুন এবং ১ প্লাটুন রিজার্ভ থাকবে। প্রত্যেক টীমের সঙ্গে একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। আনসার ব্যাটালিয়নের চার উপজেলায় চারটি টীম এবং র্যাবের চার উপজেলায় চারটি টীম থাকবে। এছাড়া, ১১ ফেব্রুয়ারি বেলা ১১টায় উপজেলা পর্যায় থেকে প্রিজাইডিং অফিসারদের ব্যালট পেপার ও ব্যালট বাক্স বিতরণ করা হবে।
সভায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বি.এম. তারিক-উজ-জামান, জেলা নির্বাচন অফিসার আহমেদ আলী ও সহকারী কমিশনার আব্দুল্লাহ আল নাঈম উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া চুয়াডাঙ্গা প্রেসক্লাব, সাংবাদিক সমিতি ও বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী সভায় অংশ নেন। জেলা প্রশাসক শেষ পর্যন্ত জানান, ভোটের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও সুষ্ঠু রাখার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং সাধারণ মানুষ আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই।

আপনার মতামত লিখুন