আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনলাইনে অপতথ্য ও গুজবের ভয়াবহ বিস্তার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রতি কুমিল্লার এক ভোটারের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি খণ্ডিত ভিডিও ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, তারেক রহমান গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালের সমাবেশে প্রতিপক্ষ এক নেতার মন্তব্য উদ্ধৃত করে সমালোচনা করেছিলেন, কিন্তু সেই অংশটুকু কেটে তাকেই দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া প্রধান গুজব ও অপতথ্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
তারেক রহমানের খণ্ডিত ভিডিও ভিডিওতে দাবি করা হচ্ছে তিনি বলেছেন "বাকি ৫ বছর জনগণ আপনাদের পা ধরবে", যা আসলে তারেক রহমানের নিজের কথা নয়; বরং তিনি এক প্রতিপক্ষ নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার নামে ভুয়া নির্দেশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা করলে সেনাবাহিনীকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুয়া তথ্য। তিনি বরং সুইজারল্যান্ডের দাভোসে মেটা কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপকালে এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের সাথে ফোনালাপে নির্বাচন ঘিরে এই অপতথ্যের বন্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
নির্বাচন স্থগিতের গুজব নির্বাচন পিছিয়ে গেছে বা স্থগিত হয়েছে—এমন বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে যে, নির্বাচন যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে। কোনো একটি পক্ষ গণভোট ও সংসদ নির্বাচন স্থগিত হওয়ার অপপ্রচার চালিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
অস্ত্র উদ্ধার ও প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর গুজব যশোরে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িয়ে প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুরের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ভুয়া খবরও ছড়িয়েছে। প্রকৃতপক্ষে মৌলভীবাজার-১ আসনের জনৈক আব্দুন নূর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।
গুজব প্রতিরোধে করণীয় ভোটের এই চূড়ান্ত সময়ে কোনো তথ্য বিশ্বাস করার আগে তা যাচাই করা জরুরি। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এখন এআই (AI) ব্যবহার করে হুবহু কণ্ঠ বা ভিডিও নকল করা সম্ভব হচ্ছে। তাই কোনো খবর সন্দেহজনক মনে হলে প্রতিষ্ঠিত ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থার মাধ্যমে সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে অনলাইনে অপতথ্য ও গুজবের ভয়াবহ বিস্তার লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সম্প্রতি কুমিল্লার এক ভোটারের অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি খণ্ডিত ভিডিও ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে, তারেক রহমান গত ৪ ফেব্রুয়ারি বরিশালের সমাবেশে প্রতিপক্ষ এক নেতার মন্তব্য উদ্ধৃত করে সমালোচনা করেছিলেন, কিন্তু সেই অংশটুকু কেটে তাকেই দোষী সাব্যস্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে।
নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া প্রধান গুজব ও অপতথ্যগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
তারেক রহমানের খণ্ডিত ভিডিও ভিডিওতে দাবি করা হচ্ছে তিনি বলেছেন "বাকি ৫ বছর জনগণ আপনাদের পা ধরবে", যা আসলে তারেক রহমানের নিজের কথা নয়; বরং তিনি এক প্রতিপক্ষ নেতার বক্তব্যের সমালোচনা করছিলেন।
প্রধান উপদেষ্টার নামে ভুয়া নির্দেশ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা করলে সেনাবাহিনীকে গুলি করার নির্দেশ দিয়েছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও ভুয়া তথ্য। তিনি বরং সুইজারল্যান্ডের দাভোসে মেটা কর্তৃপক্ষের সাথে আলাপকালে এবং জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রধানের সাথে ফোনালাপে নির্বাচন ঘিরে এই অপতথ্যের বন্যায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
নির্বাচন স্থগিতের গুজব নির্বাচন পিছিয়ে গেছে বা স্থগিত হয়েছে—এমন বিভ্রান্তিকর তথ্যের প্রেক্ষিতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আজ রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) জরুরি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়েছে যে, নির্বাচন যথাসময়েই অনুষ্ঠিত হবে। কোনো একটি পক্ষ গণভোট ও সংসদ নির্বাচন স্থগিত হওয়ার অপপ্রচার চালিয়ে ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করছে।
অস্ত্র উদ্ধার ও প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর গুজব যশোরে অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনাকে একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের সাথে জড়িয়ে প্রচার করা হয়েছে। এছাড়া গণঅধিকার পরিষদের নুরুল হক নুরের নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ভুয়া খবরও ছড়িয়েছে। প্রকৃতপক্ষে মৌলভীবাজার-১ আসনের জনৈক আব্দুন নূর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন।
গুজব প্রতিরোধে করণীয় ভোটের এই চূড়ান্ত সময়ে কোনো তথ্য বিশ্বাস করার আগে তা যাচাই করা জরুরি। তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় এখন এআই (AI) ব্যবহার করে হুবহু কণ্ঠ বা ভিডিও নকল করা সম্ভব হচ্ছে। তাই কোনো খবর সন্দেহজনক মনে হলে প্রতিষ্ঠিত ফ্যাক্ট-চেকিং সংস্থার মাধ্যমে সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন