ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

চট্টগ্রাম বন্দর অচল করার হুঁশিয়ারি: আগামীকাল থেকে ফের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর অচল করার হুঁশিয়ারি: আগামীকাল থেকে ফের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট


চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে আগামীকাল রোববার সকাল থেকে পুনরায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। দুই দিনের বিরতির পর ঘোষিত এই কর্মসূচিতে এবার বন্দরের মূল জেটির পাশাপাশি বহির্নোঙরেও সব ধরনের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরটি পুরোপুরি অচল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগ্রাম পরিষদের নেতা হুমায়ন কবীর। তিনি বন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি এবং তাদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। পরে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ইব্রাহীম খোকন আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হবে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তা চলবে।

আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি অপারেটর ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’-কে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করা। এছাড়া আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া সকল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার, তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং বন্দর চেয়ারম্যানকে বর্তমান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদী এই ধর্মঘট শুরু হলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে আসবে। বহির্নোঙরে মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস বন্ধ থাকলে পণ্য সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে জাতীয় অর্থনীতিতে।

এর আগে গত কয়েকদিন দফায় দফায় আলোচনা চললেও সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর সমাধান আসেনি। সংগ্রাম পরিষদের নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা বন্দর পরিচালনায় কোনো ধরনের সহযোগিতা করবেন না।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


চট্টগ্রাম বন্দর অচল করার হুঁশিয়ারি: আগামীকাল থেকে ফের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট

প্রকাশের তারিখ : ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

featured Image


চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া বাতিলের দাবিতে আগামীকাল রোববার সকাল থেকে পুনরায় অনির্দিষ্টকালের জন্য সর্বাত্মক ধর্মঘটের ডাক দিয়েছে আন্দোলনকারীরা।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করে ‘চট্টগ্রাম বন্দর রক্ষা সংগ্রাম পরিষদ’। দুই দিনের বিরতির পর ঘোষিত এই কর্মসূচিতে এবার বন্দরের মূল জেটির পাশাপাশি বহির্নোঙরেও সব ধরনের কাজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ফলে দেশের প্রধান এই সমুদ্রবন্দরটি পুরোপুরি অচল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগ্রাম পরিষদের নেতা হুমায়ন কবীর। তিনি বন্দরের বর্তমান পরিস্থিতি এবং তাদের আন্দোলনের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন। পরে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ইব্রাহীম খোকন আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মঘটের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৮টা থেকে এই কর্মবিরতি শুরু হবে এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত তা চলবে।

আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, এনসিটি পরিচালনার দায়িত্ব বিদেশি অপারেটর ‘ডিপি ওয়ার্ল্ড’-কে ইজারা দেওয়ার সিদ্ধান্ত অবিলম্বে বাতিল করা। এছাড়া আন্দোলনরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে নেওয়া সকল শাস্তিমূলক ব্যবস্থা প্রত্যাহার, তাদের বিরুদ্ধে কোনো আইনি পদক্ষেপ না নেওয়া এবং বন্দর চেয়ারম্যানকে বর্তমান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দীর্ঘমেয়াদী এই ধর্মঘট শুরু হলে আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে স্থবিরতা নেমে আসবে। বহির্নোঙরে মাদার ভ্যাসেল থেকে পণ্য খালাস বন্ধ থাকলে পণ্য সরবরাহে বড় ধরনের সংকট তৈরি হতে পারে, যার প্রভাব পড়তে পারে জাতীয় অর্থনীতিতে।

এর আগে গত কয়েকদিন দফায় দফায় আলোচনা চললেও সংকট নিরসনে কোনো কার্যকর সমাধান আসেনি। সংগ্রাম পরিষদের নেতারা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত তারা বন্দর পরিচালনায় কোনো ধরনের সহযোগিতা করবেন না।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ