“জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ২০২৬ উদ্যাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসন ও জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে বেলুন উড়িয়ে দিবসের শুভ উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা সরকারি গ্রন্থাগারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত হাজারো মূল্যবান বই মানুষের জ্ঞান ও মনন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিজেকে সমৃদ্ধ করতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুন্সি আবু সাইফ বলেন, মানসম্মত বই পাঠের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বই পড়লে কেউ কখনো বেকার থাকে না। বই মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।
চুয়াডাঙ্গা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর হোসেন শিক্ষার্থীদের গ্রন্থাগারমুখী হওয়ার আহ্বান জানান। অভিভাবক পক্ষ থেকে ব্র্যাকের প্রতিনিধি মেক্সিমিলিয়ান রুগগা বলেন, বই না পড়লে জ্ঞানের পরিধি সংকুচিত হয়ে যায়। গল্প, কবিতা ও উপন্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত পত্রিকা পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। রচনা প্রতিযোগিতায় (৫ম–৮ম শ্রেণি) প্রথম হন কাফিউল মসাব্বীর সাদিদ, দ্বিতীয় জুনাইদ আহমেদ এবং তৃতীয় জান্নাতুল মাওয়া ঐশি। নির্ধারিত পুস্তক পাঠ প্রতিযোগিতায় প্রথম হন মাহফুজ আহমেদ, দ্বিতীয় খালেদ হোসেন তালাশ এবং তৃতীয় মেহেদী হাসান (তামীম)।
উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা (শিশু–২য় শ্রেণি) বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন আয়েতুল্লাহ আলী শরীফ, দ্বিতীয় আলিজা সালিহ আফশিন এবং তৃতীয় হন যৌথভাবে হোসাইন আল মাশরুল ও মাসনীম শরীফ। উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা (৩য়–৬ষ্ঠ শ্রেণি) বিভাগে প্রথম হন নাবিহা তবহসীন নাওমী, দ্বিতীয় সমাপ্তি সান্তারা এবং তৃতীয় হন যৌথভাবে জামিলা মির্জা সিনফা ও শ্যামন্তী সান্তারা।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেন তাথৈ সাহা এবং দ্বিতীয় হন হোসাইন আল মাশরাফি। ক-গ্রুপে (৮ম–দ্বাদশ শ্রেণি) প্রথম হন নুসরাত তামান্না নিঝুম, দ্বিতীয় ইয়াছিন আরাফাত এবং তৃতীয় সিয়ামুজ্জামান। খ-গ্রুপে (স্নাতক–স্নাতকোত্তর) প্রথম হন খালেদ হোসেন তালাশ, দ্বিতীয় এম. এম. তায়েফা মাহমুদ এবং তৃতীয় তারেক রহমান।
সরকারি গণগ্রন্থাগারের লাইব্রেরি ইনচার্জ আবু সাঈদ মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
“জ্ঞানেই মুক্তি, আগামীর ভিত্তি” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে চুয়াডাঙ্গায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় গ্রন্থাগার দিবস ২০২৬ উদ্যাপন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে জেলা প্রশাসন ও জেলা সরকারি গণগ্রন্থাগারের যৌথ উদ্যোগে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে বেলুন উড়িয়ে দিবসের শুভ উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) নয়ন কুমার রাজবংশী। পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
আলোচনা সভায় বক্তারা সরকারি গ্রন্থাগারের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গ্রন্থাগারে সংরক্ষিত হাজারো মূল্যবান বই মানুষের জ্ঞান ও মনন বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নিজেকে সমৃদ্ধ করতে বই পড়ার কোনো বিকল্প নেই।
অনুষ্ঠানের প্রধান আলোচক চুয়াডাঙ্গা সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মুন্সি আবু সাইফ বলেন, মানসম্মত বই পাঠের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বই পড়লে কেউ কখনো বেকার থাকে না। বই মানুষকে প্রকৃত মানুষ হিসেবে গড়ে তোলে।
চুয়াডাঙ্গা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর হোসেন শিক্ষার্থীদের গ্রন্থাগারমুখী হওয়ার আহ্বান জানান। অভিভাবক পক্ষ থেকে ব্র্যাকের প্রতিনিধি মেক্সিমিলিয়ান রুগগা বলেন, বই না পড়লে জ্ঞানের পরিধি সংকুচিত হয়ে যায়। গল্প, কবিতা ও উপন্যাসের পাশাপাশি নিয়মিত পত্রিকা পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার ওপর তিনি গুরুত্ব দেন।
অনুষ্ঠান শেষে বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। রচনা প্রতিযোগিতায় (৫ম–৮ম শ্রেণি) প্রথম হন কাফিউল মসাব্বীর সাদিদ, দ্বিতীয় জুনাইদ আহমেদ এবং তৃতীয় জান্নাতুল মাওয়া ঐশি। নির্ধারিত পুস্তক পাঠ প্রতিযোগিতায় প্রথম হন মাহফুজ আহমেদ, দ্বিতীয় খালেদ হোসেন তালাশ এবং তৃতীয় মেহেদী হাসান (তামীম)।
উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা (শিশু–২য় শ্রেণি) বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন আয়েতুল্লাহ আলী শরীফ, দ্বিতীয় আলিজা সালিহ আফশিন এবং তৃতীয় হন যৌথভাবে হোসাইন আল মাশরুল ও মাসনীম শরীফ। উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা (৩য়–৬ষ্ঠ শ্রেণি) বিভাগে প্রথম হন নাবিহা তবহসীন নাওমী, দ্বিতীয় সমাপ্তি সান্তারা এবং তৃতীয় হন যৌথভাবে জামিলা মির্জা সিনফা ও শ্যামন্তী সান্তারা।
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেন তাথৈ সাহা এবং দ্বিতীয় হন হোসাইন আল মাশরাফি। ক-গ্রুপে (৮ম–দ্বাদশ শ্রেণি) প্রথম হন নুসরাত তামান্না নিঝুম, দ্বিতীয় ইয়াছিন আরাফাত এবং তৃতীয় সিয়ামুজ্জামান। খ-গ্রুপে (স্নাতক–স্নাতকোত্তর) প্রথম হন খালেদ হোসেন তালাশ, দ্বিতীয় এম. এম. তায়েফা মাহমুদ এবং তৃতীয় তারেক রহমান।
সরকারি গণগ্রন্থাগারের লাইব্রেরি ইনচার্জ আবু সাঈদ মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। সভাপতির সমাপনী বক্তব্যের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন