সরকারি চাকুরিবিধি ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের আগামী শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের পরিচয় শোকজ প্রাপ্ত দুই কর্মকর্তা হলেন—কসবা উপজেলার বাদৈর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. জিয়ার হোসাইন এবং একই ইউনিয়নে দায়িত্বরত সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনির হোসেন।
অভিযোগের প্রেক্ষাপট প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত ২ ফেব্রুয়ারি আব্দুল হালিম নামে এক ব্যক্তি কসবার সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও জিয়ার হোসাইন ও মনির হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে সরাসরি প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। অভিযোগের সপক্ষে প্রচারণার সময় তোলা স্থিরচিত্রও জমা দেওয়া হয়।
আইনি পদক্ষেপ ও নির্দেশনা অভিযোগটি পর্যালোচনার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সিভিল জজ মিজানুর রহমান এই শোকজ নোটিশ জারি করেন। নোটিশে বলা হয়েছে, সরবরাহকৃত ছবি ও অভিযোগ প্রাথমিক পর্যালোচনায় সত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে, যা রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালার পরিপন্থী।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১২টায় অভিযুক্তদের সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিশে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁদের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
সরকারি চাকুরিবিধি ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে প্রার্থীর পক্ষে প্রচারণায় অংশ নেওয়ার অভিযোগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় দুই কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের আগামী শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির কার্যালয়ে সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের পরিচয় শোকজ প্রাপ্ত দুই কর্মকর্তা হলেন—কসবা উপজেলার বাদৈর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রের সহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মো. জিয়ার হোসাইন এবং একই ইউনিয়নে দায়িত্বরত সহকারী স্বাস্থ্য পরিদর্শক মো. মনির হোসেন।
অভিযোগের প্রেক্ষাপট প্রাপ্ত তথ্যমতে, গত ২ ফেব্রুয়ারি আব্দুল হালিম নামে এক ব্যক্তি কসবার সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কাছে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, সরকারি কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও জিয়ার হোসাইন ও মনির হোসেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মুশফিকুর রহমানের পক্ষে সরাসরি প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। অভিযোগের সপক্ষে প্রচারণার সময় তোলা স্থিরচিত্রও জমা দেওয়া হয়।
আইনি পদক্ষেপ ও নির্দেশনা অভিযোগটি পর্যালোচনার পর ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ আসনের নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও সিভিল জজ মিজানুর রহমান এই শোকজ নোটিশ জারি করেন। নোটিশে বলা হয়েছে, সরবরাহকৃত ছবি ও অভিযোগ প্রাথমিক পর্যালোচনায় সত্য বলে প্রতীয়মান হয়েছে, যা রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণবিধিমালার পরিপন্থী।
আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১২টায় অভিযুক্তদের সশরীরে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়ে নোটিশে আরও সতর্ক করা হয়েছে যে, নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হলে তাঁদের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন