বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করে আজ থেকে কারাবন্দিদের ডাকযোগে ভোটদান বা পোস্টাল ব্যালট প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। কারাবন্দিদের এই ভোটদান প্রক্রিয়া আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে কারাবন্দিদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিচ্ছে ইসি।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের ৭১টি কারাগারে বর্তমানে প্রায় ৮৪ হাজার বন্দি রয়েছেন। তবে ভোটার তালিকার এনআইডি জটিলতা এবং অনেকে নির্বাচনের আগে জামিনে মুক্তির অপেক্ষায় থাকায় প্রত্যাশার তুলনায় ভোটার সংখ্যা কিছুটা কম হয়েছে। কারা কর্মকর্তারা বলছেন, বন্দিদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনি জটিলতা নিরসন করা গেলে ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বাড়বে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ৬ জানুয়ারি থেকেই দেশজুড়ে পোস্টাল ব্যালট বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে। ইসি জানিয়েছে, ডাকযোগে দেওয়া এই ভোটগুলো আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (ভোটের দিন) বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর প্রাপ্ত ব্যালটগুলো গণনা করা হবে না।
এই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ব্যালট পেপারে প্রতীকের পাশাপাশি প্রার্থীর নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কারাগার ছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশি এবং নিজ এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা ও ভোটগ্রহণ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরাও এই পোস্টাল ব্যালট সুবিধা পাচ্ছেন। ইসি সূত্রে জানা গেছে, দেশ ও দেশের বাইরে থেকে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন, যার একটি বড় অংশই দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটার।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের নির্বাচনী ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যুক্ত করে আজ থেকে কারাবন্দিদের ডাকযোগে ভোটদান বা পোস্টাল ব্যালট প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নির্বাচন কমিশন (ইসি) আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। কারাবন্দিদের এই ভোটদান প্রক্রিয়া আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে এই বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। দেশের ইতিহাসে এবারই প্রথম পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে কারাবন্দিদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ দিচ্ছে ইসি।
কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, দেশের ৭১টি কারাগারে বর্তমানে প্রায় ৮৪ হাজার বন্দি রয়েছেন। তবে ভোটার তালিকার এনআইডি জটিলতা এবং অনেকে নির্বাচনের আগে জামিনে মুক্তির অপেক্ষায় থাকায় প্রত্যাশার তুলনায় ভোটার সংখ্যা কিছুটা কম হয়েছে। কারা কর্মকর্তারা বলছেন, বন্দিদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইনি জটিলতা নিরসন করা গেলে ভবিষ্যতে এই সংখ্যা আরও বাড়বে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, গত ৬ জানুয়ারি থেকেই দেশজুড়ে পোস্টাল ব্যালট বিতরণের কাজ শুরু হয়েছে। ইসি জানিয়েছে, ডাকযোগে দেওয়া এই ভোটগুলো আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি (ভোটের দিন) বিকেল সাড়ে ৪টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পৌঁছাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের পর প্রাপ্ত ব্যালটগুলো গণনা করা হবে না।
এই প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রতিটি ব্যালট পেপারে প্রতীকের পাশাপাশি প্রার্থীর নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কারাগার ছাড়াও প্রবাসী বাংলাদেশি এবং নিজ এলাকার বাইরে কর্মরত সরকারি কর্মকর্তা ও ভোটগ্রহণ সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরাও এই পোস্টাল ব্যালট সুবিধা পাচ্ছেন। ইসি সূত্রে জানা গেছে, দেশ ও দেশের বাইরে থেকে মোট ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন, যার একটি বড় অংশই দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটার।

আপনার মতামত লিখুন