রমজান মাসে সাধারণ মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে মাংস, ডিম ও দুধ বিক্রির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রমজানের প্রথম দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে পণ্যগুলো সরবরাহ করা হবে।
সরকারি ঘোষণামতে, ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিক্রির জন্য নির্ধারিত দাম হলো: ড্রেসড ব্রয়লার মাংস ১ কেজি ২৪৫ টাকা, পাস্তুরিত দুধ ১ লিটার ৮০ টাকা, ডিম প্রতি টি ৮ টাকা এবং গরুর মাংস ১ কেজি ৬৫০ টাকা। এই দামগুলো সাধারণ বাজার মূল্যের তুলনায় অনেক কম, যা নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
বিক্রয় কার্যক্রম রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ২৫টি স্থানে শুরু হবে। এছাড়া বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী সুলভ মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করা হবে। সরকারি এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভোক্তারা সহজেই স্বাস্থ্যসম্মত প্রাণিজ আমিষ সংগ্রহ করতে পারবেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, রমজান মাসে সাধারণত মাংস, দুধ ও ডিমের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, যার ফলে বাজার মূল্যেরও ঊর্ধ্বগতি হয়। তাই সরকার এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের খাদ্যসামগ্রী সহজলভ্য করার লক্ষ্য রাখছে।
সরকারি এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসম্মত প্রোটিন সরবরাহ নিশ্চিত করবে এবং রমজান মাসে খাদ্যসামগ্রী সংক্রান্ত চাপ কমাবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
রমজান মাসে সাধারণ মানুষের জন্য সুলভ মূল্যে মাংস, ডিম ও দুধ বিক্রির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, রমজানের প্রথম দিন থেকে ২৫ রমজান পর্যন্ত মোট ২৬ দিন ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে পণ্যগুলো সরবরাহ করা হবে।
সরকারি ঘোষণামতে, ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রগুলোতে বিক্রির জন্য নির্ধারিত দাম হলো: ড্রেসড ব্রয়লার মাংস ১ কেজি ২৪৫ টাকা, পাস্তুরিত দুধ ১ লিটার ৮০ টাকা, ডিম প্রতি টি ৮ টাকা এবং গরুর মাংস ১ কেজি ৬৫০ টাকা। এই দামগুলো সাধারণ বাজার মূল্যের তুলনায় অনেক কম, যা নিম্ন ও মধ্য আয়ের মানুষের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক হবে।
বিক্রয় কার্যক্রম রাজধানী ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ ২৫টি স্থানে শুরু হবে। এছাড়া বিভাগীয় ও জেলা শহরগুলোতেও স্থানীয় বাজার পরিস্থিতি অনুযায়ী সুলভ মূল্যে বিক্রি নিশ্চিত করা হবে। সরকারি এই উদ্যোগের মাধ্যমে ভোক্তারা সহজেই স্বাস্থ্যসম্মত প্রাণিজ আমিষ সংগ্রহ করতে পারবেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, রমজান মাসে সাধারণত মাংস, দুধ ও ডিমের চাহিদা বৃদ্ধি পায়, যার ফলে বাজার মূল্যেরও ঊর্ধ্বগতি হয়। তাই সরকার এই পদক্ষেপের মাধ্যমে বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের খাদ্যসামগ্রী সহজলভ্য করার লক্ষ্য রাখছে।
সরকারি এই উদ্যোগ সাধারণ মানুষকে স্বাস্থ্যসম্মত প্রোটিন সরবরাহ নিশ্চিত করবে এবং রমজান মাসে খাদ্যসামগ্রী সংক্রান্ত চাপ কমাবে।

আপনার মতামত লিখুন