বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মোহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি নিজের দলের জয় নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাইছেন। সোমবার চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ বক্তব্য দেন, যেখানে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপট নিয়েও দীর্ঘ আলোচনা করেন।
শফিকুর রহমান জোর দিয়ে বলেন, “আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না; আমি এই দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হলে সেটাই আমাদের সবার বিজয়।” তিনি বলেন, দলীয়, পরিবারকেন্দ্রিক বা গোষ্ঠী‑ভিত্তিক রাজনীতির বিজয় সমাজের কল্যাণ ঘটাতে পারে না। বরং দেশের জনগণের সম্মান, নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এ সময় তিনি নেতৃত্বাধীন ১১‑দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান এবং বলেন, “যুব সমাজ বেকার ভাতা চায়নি; তারা সম্মানজনক কাজ চায়। তাই আমরা যুবকদের হাতে কাজ তুলে দেব।”
শফিকুর রহমান আরও বলেন, নির্বাচন যদি শুধু একটি দল বা পরিবার কর্তৃক জয়লাভের ব্যবস্থা হয়, তাহলে দেশের রাজনীতি ফ্যাসিবাদী বা স্বৈরতান্ত্রিক পথে ফিরে যাবে। তাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুন আশা ও উন্নয়নের পথে চালিত করতে হবে।
তিনি কক্সবাজারের মত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভাবনা এবং মৌলিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পরিকল্পনার ওপরও আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, “যদি আমরা বিজয়ী হই, কক্সবাজারবাসীও মন্ত্রীর পদ পাবে” — যা লোকাল উন্নয়ন ও প্রতিনিধি ক্ষমতায়নের প্রতিশ্রুতি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
শফিকুর রহমানের বক্তব্যে দুর্নীতি, অন্ধকার শক্তি ও ক্ষমতার অপব্যবহার প্রতিরোধ—এগুলোও নির্বাচনের মূল আলোচ্য বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। তিনি বলেন, আগের ১৫ বছরের শাসনে জনগণ অনেকে কঠোর ন্যায্যবিচার, নাগরিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য সংগ্রাম করেছে এবং এখন সময় এসেছে একটি মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার।
শফিকুর রহমানের উদ্দ্যেশ্য স্পষ্ট: রাজনীতিতে বিদেশী বা অন্যায়‑অধিকারমূলক কোনো শক্তিকে গণ‑জয়ের নামে স্থান দেয়া যাবে না; বরং দেশের মানুষের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তার মতে, যখন ১৮ কোটি সাধারণ মানুষ জয়ী হবে, তখনই দেশ সত্যিকারেরভাবে উন্নয়ন ও মর্যাদা অর্জন করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. মোহাম্মদ শফিকুর রহমান বলেছেন, তিনি নিজের দলের জয় নয়, বরং ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাইছেন। সোমবার চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় তিনি এ বক্তব্য দেন, যেখানে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনের প্রেক্ষাপট নিয়েও দীর্ঘ আলোচনা করেন।
শফিকুর রহমান জোর দিয়ে বলেন, “আমরা জামায়াতে ইসলামীর বিজয় চাই না; আমি এই দেশের ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। ১৮ কোটি মানুষের বিজয় হলে সেটাই আমাদের সবার বিজয়।” তিনি বলেন, দলীয়, পরিবারকেন্দ্রিক বা গোষ্ঠী‑ভিত্তিক রাজনীতির বিজয় সমাজের কল্যাণ ঘটাতে পারে না। বরং দেশের জনগণের সম্মান, নিরাপত্তা ও অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
এ সময় তিনি নেতৃত্বাধীন ১১‑দলীয় নির্বাচনী জোটের প্রার্থীদের ভোট দিয়ে বিজয়ী করার আহ্বান জানান এবং বলেন, “যুব সমাজ বেকার ভাতা চায়নি; তারা সম্মানজনক কাজ চায়। তাই আমরা যুবকদের হাতে কাজ তুলে দেব।”
শফিকুর রহমান আরও বলেন, নির্বাচন যদি শুধু একটি দল বা পরিবার কর্তৃক জয়লাভের ব্যবস্থা হয়, তাহলে দেশের রাজনীতি ফ্যাসিবাদী বা স্বৈরতান্ত্রিক পথে ফিরে যাবে। তাই ১৮ কোটি মানুষের বিজয় নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে নতুন আশা ও উন্নয়নের পথে চালিত করতে হবে।
তিনি কক্সবাজারের মত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের উন্নয়ন সম্ভাবনা এবং মৌলিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধির পরিকল্পনার ওপরও আলোকপাত করেন। তিনি বলেন, “যদি আমরা বিজয়ী হই, কক্সবাজারবাসীও মন্ত্রীর পদ পাবে” — যা লোকাল উন্নয়ন ও প্রতিনিধি ক্ষমতায়নের প্রতিশ্রুতি হিসেবে ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।
শফিকুর রহমানের বক্তব্যে দুর্নীতি, অন্ধকার শক্তি ও ক্ষমতার অপব্যবহার প্রতিরোধ—এগুলোও নির্বাচনের মূল আলোচ্য বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে। তিনি বলেন, আগের ১৫ বছরের শাসনে জনগণ অনেকে কঠোর ন্যায্যবিচার, নাগরিক অধিকার ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের জন্য সংগ্রাম করেছে এবং এখন সময় এসেছে একটি মানবিক, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়ার।
শফিকুর রহমানের উদ্দ্যেশ্য স্পষ্ট: রাজনীতিতে বিদেশী বা অন্যায়‑অধিকারমূলক কোনো শক্তিকে গণ‑জয়ের নামে স্থান দেয়া যাবে না; বরং দেশের মানুষের অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে হবে। তার মতে, যখন ১৮ কোটি সাধারণ মানুষ জয়ী হবে, তখনই দেশ সত্যিকারেরভাবে উন্নয়ন ও মর্যাদা অর্জন করবে।

আপনার মতামত লিখুন