শেরপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকতে এ ধরনের প্রাণহানিকে ‘পুরোপরি অগ্রহণযোগ্য এবং দুঃখজনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ সকল রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রদর্শনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা বা হুমকির কোনো স্থান নেই। ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সমর্থকদের মধ্যে সংযম বজায় রাখা এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।
শেরপুরের সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে। সরকার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের পরিচয় যাই হোক না কেন, তাদের কঠোর আইনানুগ শাস্তির আওতায় আনা হবে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে শেরপুর জেলাজুড়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং গঠনমূলক রাজনৈতিক যোগাযোগই দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ জানুয়ারি ২০২৬
শেরপুরে নির্বাচনী সহিংসতায় জামায়াতে ইসলামীর এক কর্মী নিহত হওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। নির্বাচনের মাত্র দুই সপ্তাহ বাকি থাকতে এ ধরনের প্রাণহানিকে ‘পুরোপরি অগ্রহণযোগ্য এবং দুঃখজনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে।
সরকারের পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীসহ সকল রাজনৈতিক দলকে দায়িত্বশীল নেতৃত্ব প্রদর্শনের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সহিংসতা বা হুমকির কোনো স্থান নেই। ভোটারদের মধ্যে আস্থা ফিরিয়ে আনতে এবং নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে সমর্থকদের মধ্যে সংযম বজায় রাখা এখন সবচেয়ে বড় অগ্রাধিকার।
শেরপুরের সংঘর্ষ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ইতিমধ্যে পুলিশি তদন্ত শুরু হয়েছে। সরকার স্পষ্ট বার্তা দিয়েছে যে, এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের পরিচয় যাই হোক না কেন, তাদের কঠোর আইনানুগ শাস্তির আওতায় আনা হবে। বিশৃঙ্খলা এড়াতে শেরপুর জেলাজুড়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন করে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, শান্তিপূর্ণ পরিবেশ, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা এবং গঠনমূলক রাজনৈতিক যোগাযোগই দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে পারে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে তাদের দৃঢ় প্রতিশ্রুতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন