আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জুলাই বিপ্লবের সমাপ্তি নয়, বরং এর মাধ্যমে চব্বিশের এই অভ্যুত্থান নতুন এক স্তরে প্রবেশ করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। সংগঠনটির মতে, নির্বাচনের পর গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা, ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলোপ এবং নতুন সংবিধান প্রণয়নের দাবিতে আরও কঠোর ও ব্যাপক গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এসব কথা বলেন।
খোমেনী ইহসান তার বক্তব্যে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘মন্দের ভালো’ হিসেবে উল্লেখ করলেও একে জুলাই বিপ্লবের বিকল্প হিসেবে মানতে নারাজ। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে বিএনপি কিংবা জামায়াতের ‘জমিদারি’ কায়েম হতে দেওয়া হবে না। বরং বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে নির্বাচনের পর ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিষিদ্ধ করার আন্দোলন আরও বেগবান করা হবে।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, এই সরকার রাজনৈতিক দল ও ফ্যাসিবাদী আমলাতন্ত্রের প্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং তারা নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে হত্যা, গুম ও দুর্নীতির বিচারে সরকার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি এবং গণমাধ্যমের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারেনি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে খোমেনী ইহসান আরও উল্লেখ করেন যে চব্বিশের আন্দোলনের মূল কারণ দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বৈষম্য। জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে নির্বাচনের পরও দুর্নীতি ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে তারা রাজপথে থাকবেন। আগামী দিনের কর্মসূচি হিসেবে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে আলোচনা, গণসমাবেশ এবং বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামসুদ্দীন এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুবসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন জুলাই বিপ্লবের সমাপ্তি নয়, বরং এর মাধ্যমে চব্বিশের এই অভ্যুত্থান নতুন এক স্তরে প্রবেশ করবে বলে ঘোষণা দিয়েছে জাতীয় বিপ্লবী পরিষদ। সংগঠনটির মতে, নির্বাচনের পর গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করা, ফ্যাসিবাদী কাঠামো বিলোপ এবং নতুন সংবিধান প্রণয়নের দাবিতে আরও কঠোর ও ব্যাপক গণ-আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) জাতীয় প্রেসক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের আহ্বায়ক খোমেনী ইহসান এসব কথা বলেন।
খোমেনী ইহসান তার বক্তব্যে ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে বর্তমান পরিস্থিতিতে ‘মন্দের ভালো’ হিসেবে উল্লেখ করলেও একে জুলাই বিপ্লবের বিকল্প হিসেবে মানতে নারাজ। তিনি বলেন, নির্বাচনের মাধ্যমে দেশে বিএনপি কিংবা জামায়াতের ‘জমিদারি’ কায়েম হতে দেওয়া হবে না। বরং বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে নির্বাচনের পর ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক দল, সংগঠন ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নিষিদ্ধ করার আন্দোলন আরও বেগবান করা হবে।
বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের সমালোচনা করে তিনি অভিযোগ করেন, এই সরকার রাজনৈতিক দল ও ফ্যাসিবাদী আমলাতন্ত্রের প্রভাবে পরিচালিত হচ্ছে এবং তারা নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। বিশেষ করে হত্যা, গুম ও দুর্নীতির বিচারে সরকার কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেনি এবং গণমাধ্যমের প্রকৃত স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে পারেনি বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে খোমেনী ইহসান আরও উল্লেখ করেন যে চব্বিশের আন্দোলনের মূল কারণ দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত বৈষম্য। জুলাই বিপ্লবের শহীদদের রক্তের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে নির্বাচনের পরও দুর্নীতি ও গণহত্যার বিচারের দাবিতে তারা রাজপথে থাকবেন। আগামী দিনের কর্মসূচি হিসেবে সংগঠনটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের সঙ্গে আলোচনা, গণসমাবেশ এবং বিক্ষোভ কর্মসূচির ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. শামসুদ্দীন এবং যুগ্ম আহ্বায়ক সাইয়েদ কুতুবসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন