খুলনা‑১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশে থাকা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা “জামাই‑আদরে” থাকবে এবং তাদের এখানে নিরাপদে বসবাসের ব্যবস্থা থাকবে। তিনি এই মন্তব্যটি মঙ্গলবার বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে অনুষ্ঠিত একটি নির্বাচনি জনসভায় করেন।
কৃষ্ণ নন্দী বলেন, অনেকে দাবি করছে যে জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুরা দেশে থাকতে পারবে না। কিন্তু তিনি এটিকে ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেন, “জামায়াত কখনো বিকাশে টাকা দিয়ে ভোট কিনে না” — একপ্রকার ভোট কেনাবিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষাপটেও তিনি নিজের মত প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, হিন্দুদের ভারতে যেতে হবে না এবং তারা দেশে “জামাই‑আদরে” থেকে যাবে। এছাড়া, নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামী খুলনা জেলা ও মহানগর শাখা আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল, যা দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ থাকার পর গত বছর শীর্ষ আদালতের নির্দেশে পুনরায় নিবন্ধিত হয়েছে এবং এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। দলটি নিজের রাজনৈতিক ইমেজ পরিবর্তন ও ইনক্লুসিভ রূপে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে যে তারা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ভোটারদের প্রতি পশ্চিমা ধারণার চেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ইমেজ প্রদর্শনের চেষ্টা করছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই ধরনের মন্তব্য মূলত নির্বাচনী প্রচারণার অংশ এবং দলটি ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা ও সমর্থন বৃদ্ধি করতে এই ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। তাদের মতে, এই প্রতিশ্রুটির বাস্তবায়ন নির্ভর করবে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ক্ষমতায় গেলে দলটি কী নীতি গ্রহণ করে তার ওপর।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেখা যাচ্ছে যে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রচারণায় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি আশ্বাস প্রদান করছে, যা আগে তাদের রাজনৈতিক বক্তব্যের সাথে তুলনামূলকভাবে ভিন্ন রঙ ধারণ করেছে। কৃষ্ণ নন্দীর মতের কারণে আলোচনাও রাজনৈতিক স্তরে চলছে, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সমালোচক এই পরিবর্তনের মানে ও পরিণতি নিয়ে বিভিন্ন মত প্রকাশ করছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
খুলনা‑১ আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী বলেছেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে দেশে থাকা হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষরা “জামাই‑আদরে” থাকবে এবং তাদের এখানে নিরাপদে বসবাসের ব্যবস্থা থাকবে। তিনি এই মন্তব্যটি মঙ্গলবার বিকেলে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে অনুষ্ঠিত একটি নির্বাচনি জনসভায় করেন।
কৃষ্ণ নন্দী বলেন, অনেকে দাবি করছে যে জামায়াত ক্ষমতায় এলে হিন্দুরা দেশে থাকতে পারবে না। কিন্তু তিনি এটিকে ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তিকর প্রচারণা হিসেবে উল্লেখ করেছেন এবং বলেন, “জামায়াত কখনো বিকাশে টাকা দিয়ে ভোট কিনে না” — একপ্রকার ভোট কেনাবিক্রির অভিযোগের প্রেক্ষাপটেও তিনি নিজের মত প্রকাশ করেছেন।
তিনি আরও বলেন, হিন্দুদের ভারতে যেতে হবে না এবং তারা দেশে “জামাই‑আদরে” থেকে যাবে। এছাড়া, নির্বাচনী জনসভায় জামায়াতে ইসলামী খুলনা জেলা ও মহানগর শাখা আয়োজিত অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় আমির ডা. শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
জামায়াতে ইসলামী একটি ইসলামপন্থী রাজনৈতিক দল, যা দীর্ঘদিন নিষিদ্ধ থাকার পর গত বছর শীর্ষ আদালতের নির্দেশে পুনরায় নিবন্ধিত হয়েছে এবং এই নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। দলটি নিজের রাজনৈতিক ইমেজ পরিবর্তন ও ইনক্লুসিভ রূপে ভোটারদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করছে। সাম্প্রতিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হয়েছে যে তারা হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ভোটারদের প্রতি পশ্চিমা ধারণার চেয়ে বেশি গ্রহণযোগ্য ইমেজ প্রদর্শনের চেষ্টা করছে।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এই ধরনের মন্তব্য মূলত নির্বাচনী প্রচারণার অংশ এবং দলটি ক্ষমতায় আসার সম্ভাবনা ও সমর্থন বৃদ্ধি করতে এই ধরনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে। তাদের মতে, এই প্রতিশ্রুটির বাস্তবায়ন নির্ভর করবে ভবিষ্যতের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও ক্ষমতায় গেলে দলটি কী নীতি গ্রহণ করে তার ওপর।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে দেখা যাচ্ছে যে জামায়াতে ইসলামী তাদের প্রচারণায় ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের প্রতি আশ্বাস প্রদান করছে, যা আগে তাদের রাজনৈতিক বক্তব্যের সাথে তুলনামূলকভাবে ভিন্ন রঙ ধারণ করেছে। কৃষ্ণ নন্দীর মতের কারণে আলোচনাও রাজনৈতিক স্তরে চলছে, এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সমালোচক এই পরিবর্তনের মানে ও পরিণতি নিয়ে বিভিন্ন মত প্রকাশ করছেন।

আপনার মতামত লিখুন