সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৬৫ হাজার ৪৫৭টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৩৪ হাজার ১০৬টি পদ শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া তিন লাখ ৫৫ হাজার ৬৫৩টি সহকারী শিক্ষকের মধ্যে ২৪ হাজার ৫৩৬টি পদ ফাঁকা। প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদের মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৫টিতে চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট থাকায় প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে, বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
শিক্ষক সংকট কাটাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নির্বাচনের আগে ১৪ হাজার ৩৮৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দ্রুত আবেদন গ্রহণ ও লিখিত পরীক্ষার পর ফল প্রকাশ করা হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও বরিশাল জেলায় সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষা ২৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। পর্যায়ক্রমে অন্য জেলাগুলোতেও সময়সূচি প্রকাশ করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেন, “বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট ব্যাপক। ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদে নিয়োগ চলছে। অন্য সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি হলে আরও ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া আমাদের নিয়মিত কাজ, নির্বাচনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।”
এছাড়া, মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং খুব শিগগিরই সমস্যা সমাধান হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় প্রার্থীদের সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল কপি সঙ্গে রাখতে হবে। নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত না হলে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ মিলবে না।
লিখিত পরীক্ষার ফলাফলে মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তফসিল অনুযায়ী ধাপে ধাপে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা করেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের ৬৫ হাজার ৪৫৭টি অনুমোদিত পদের মধ্যে ৩৪ হাজার ১০৬টি পদ শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া তিন লাখ ৫৫ হাজার ৬৫৩টি সহকারী শিক্ষকের মধ্যে ২৪ হাজার ৫৩৬টি পদ ফাঁকা। প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদের মধ্যে ১৩ হাজার ৬৭৫টিতে চলতি দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। বিদ্যালয়গুলোতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষক সংকট থাকায় প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমে প্রভাব পড়ছে, বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
শিক্ষক সংকট কাটাতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর নির্বাচনের আগে ১৪ হাজার ৩৮৫ জন সহকারী শিক্ষক নিয়োগের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। দ্রুত আবেদন গ্রহণ ও লিখিত পরীক্ষার পর ফল প্রকাশ করা হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষার জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ, মানিকগঞ্জ ও বরিশাল জেলায় সময়সূচি প্রকাশ করা হয়েছে। মৌখিক পরীক্ষা ২৮ জানুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত চলবে। পর্যায়ক্রমে অন্য জেলাগুলোতেও সময়সূচি প্রকাশ করা হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান বলেন, “বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষক সংকট ব্যাপক। ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্যপদে নিয়োগ চলছে। অন্য সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি হলে আরও ৩২ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়া আমাদের নিয়মিত কাজ, নির্বাচনের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।”
এছাড়া, মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেন, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে ফেরাতে সরকার বিভিন্ন বাস্তবমুখী উদ্যোগ গ্রহণ করছে। শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে এবং খুব শিগগিরই সমস্যা সমাধান হবে।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সময় প্রার্থীদের সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্রের মূল কপি সঙ্গে রাখতে হবে। নির্ধারিত সময় ও স্থানে উপস্থিত না হলে পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ মিলবে না।
লিখিত পরীক্ষার ফলাফলে মোট ৬৯ হাজার ২৬৫ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর তফসিল অনুযায়ী ধাপে ধাপে নিয়োগ প্রক্রিয়া শেষ করার পরিকল্পনা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন