গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা–ময়মনসিংহ রুটে চলাচলরত মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের চাকার সঙ্গে যুক্ত একটি স্প্রিং খুলে যাওয়ায় ট্রেনটি মাঝপথে থেমে যায়। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হলেও রেল চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে শ্রীপুর ও ইজ্জতপুর রেলস্টেশনের মধ্যবর্তী বিন্দুবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী মহুয়া এক্সপ্রেসটির শ্রীপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ১০টা ১৭ মিনিট। স্টেশনে পৌঁছানোর প্রায় দুই কিলোমিটার আগেই ট্রেনটি হঠাৎ থেমে যায়।
- যান্ত্রিক ত্রুটিতে থেমে গেল মহুয়া এক্সপ্রেসপরে রেলওয়ের কর্মীরা রেললাইনের পাশে পড়ে থাকা ট্রেনের চাকার সঙ্গে যুক্ত খুলে যাওয়া স্প্রিংটি উদ্ধার করেন। স্প্রিংয়ের সঙ্গে থাকা আরেকটি যন্ত্রাংশ স্থানীয় হামিদ মিয়া নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে আনা জিআই তার দিয়ে সাময়িকভাবে বেঁধে রাখা হয়। প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা ঘটনাস্থলে আটকে থাকার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী অত্যন্ত মন্থর গতিতে মহুয়া এক্সপ্রেসটিকে শ্রীপুর রেলস্টেশনে নেওয়া হয়।
এই ঘটনার কারণে মহুয়া এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। একই লাইনে চলাচলকারী ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসও প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে যাত্রা শুরু করে। এতে অন্তত তিনটি ট্রেনের চলাচলের সময়সূচি ব্যাহত হয়।
শ্রীপুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শামীম উদ্দিন জানান, তিনি ঘটনার বিষয়ে অবগত আছেন এবং এই ঘটনায় একাধিক ট্রেনের সময়সূচি ব্যাহত হয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
গাজীপুরের শ্রীপুরে ঢাকা–ময়মনসিংহ রুটে চলাচলরত মহুয়া এক্সপ্রেস ট্রেনের চাকার সঙ্গে যুক্ত একটি স্প্রিং খুলে যাওয়ায় ট্রেনটি মাঝপথে থেমে যায়। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হলেও রেল চলাচলে মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছায়।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে শ্রীপুর ও ইজ্জতপুর রেলস্টেশনের মধ্যবর্তী বিন্দুবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা থেকে ময়মনসিংহগামী মহুয়া এক্সপ্রেসটির শ্রীপুর রেলস্টেশনে পৌঁছানোর নির্ধারিত সময় ছিল সকাল ১০টা ১৭ মিনিট। স্টেশনে পৌঁছানোর প্রায় দুই কিলোমিটার আগেই ট্রেনটি হঠাৎ থেমে যায়।
- যান্ত্রিক ত্রুটিতে থেমে গেল মহুয়া এক্সপ্রেসপরে রেলওয়ের কর্মীরা রেললাইনের পাশে পড়ে থাকা ট্রেনের চাকার সঙ্গে যুক্ত খুলে যাওয়া স্প্রিংটি উদ্ধার করেন। স্প্রিংয়ের সঙ্গে থাকা আরেকটি যন্ত্রাংশ স্থানীয় হামিদ মিয়া নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে আনা জিআই তার দিয়ে সাময়িকভাবে বেঁধে রাখা হয়। প্রায় সোয়া এক ঘণ্টা ঘটনাস্থলে আটকে থাকার পর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুযায়ী অত্যন্ত মন্থর গতিতে মহুয়া এক্সপ্রেসটিকে শ্রীপুর রেলস্টেশনে নেওয়া হয়।
এই ঘটনার কারণে মহুয়া এক্সপ্রেস নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারেনি। একই লাইনে চলাচলকারী ঢাকাগামী ব্রহ্মপুত্র এক্সপ্রেসও প্রায় দেড় ঘণ্টা বিলম্বে যাত্রা শুরু করে। এতে অন্তত তিনটি ট্রেনের চলাচলের সময়সূচি ব্যাহত হয়।
শ্রীপুর রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শামীম উদ্দিন জানান, তিনি ঘটনার বিষয়ে অবগত আছেন এবং এই ঘটনায় একাধিক ট্রেনের সময়সূচি ব্যাহত হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন