ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় রাতের আঁধারে সংঘটিত এক হৃদয়বিদারক নাশকতার ঘটনায় বিষ খাইয়ে তিনটি গর্ভবতী গাভী হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে একসঙ্গে প্রাণ হারিয়েছে তিনটি মা গরু ও তাদের অনাগত বাছুর। ঘটনাটি এলাকায় শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৫ জানুয়ারি) গভীর রাতে ত্রিশাল উপজেলার সম্মুখ বৈলর পশ্চিমপাড়া এলাকার খামারি মো. জিয়াউর রহমান (জিয়া) মিয়ার গরুর খামারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা গোপনে প্রবেশ করে। ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে গরুগুলোর খাবার বা পানিতে বিষ মিশিয়ে দেওয়া হয়। রাতের কোনো এক সময় বিষক্রিয়ায় তিনটি গাভীর মৃত্যু হয়।
সকালে খামারে গিয়ে গরুগুলো নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন খামারি জিয়া মিয়া। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ঘটনাটি নিশ্চিত করেন। পরে খবরটি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
নিহত তিনটি গাভীই ছিল গর্ভবতী, যা ঘটনাটিকে আরও মর্মান্তিক করে তুলেছে। খামারি জিয়া মিয়া জানান, দীর্ঘদিনের কষ্ট ও পরিশ্রমে তিনি গাভীগুলো লালন-পালন করছিলেন। এগুলোই ছিল তার পরিবারের জীবিকার প্রধান ভরসা। হঠাৎ এমন ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয় বরং পরিকল্পিত নাশকতা। পূর্বশত্রুতা বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তাদের ধারণা। গ্রামবাসীরা দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন জঘন্য ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ জানুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহের ত্রিশাল উপজেলায় রাতের আঁধারে সংঘটিত এক হৃদয়বিদারক নাশকতার ঘটনায় বিষ খাইয়ে তিনটি গর্ভবতী গাভী হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে একসঙ্গে প্রাণ হারিয়েছে তিনটি মা গরু ও তাদের অনাগত বাছুর। ঘটনাটি এলাকায় শোক ও তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (২৫ জানুয়ারি) গভীর রাতে ত্রিশাল উপজেলার সম্মুখ বৈলর পশ্চিমপাড়া এলাকার খামারি মো. জিয়াউর রহমান (জিয়া) মিয়ার গরুর খামারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা গোপনে প্রবেশ করে। ধারণা করা হচ্ছে, পরিকল্পিতভাবে গরুগুলোর খাবার বা পানিতে বিষ মিশিয়ে দেওয়া হয়। রাতের কোনো এক সময় বিষক্রিয়ায় তিনটি গাভীর মৃত্যু হয়।
সকালে খামারে গিয়ে গরুগুলো নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার শুরু করেন খামারি জিয়া মিয়া। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে এসে ঘটনাটি নিশ্চিত করেন। পরে খবরটি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে।
নিহত তিনটি গাভীই ছিল গর্ভবতী, যা ঘটনাটিকে আরও মর্মান্তিক করে তুলেছে। খামারি জিয়া মিয়া জানান, দীর্ঘদিনের কষ্ট ও পরিশ্রমে তিনি গাভীগুলো লালন-পালন করছিলেন। এগুলোই ছিল তার পরিবারের জীবিকার প্রধান ভরসা। হঠাৎ এমন ঘটনায় তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন এবং বড় অঙ্কের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন।
তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।
এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয় বরং পরিকল্পিত নাশকতা। পূর্বশত্রুতা বা অন্য কোনো উদ্দেশ্য থেকে এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে তাদের ধারণা। গ্রামবাসীরা দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে এমন জঘন্য ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

আপনার মতামত লিখুন