মাঘের মাঝামাঝি সময়ে এসে চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। গত কয়েক দিন ঠান্ডার প্রকোপ কিছুটা কম থাকলেও গতকাল রাত থেকে জেলায় পুনরায় হাড়কাঁপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়া শুরু হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।
সকাল থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে চুয়াডাঙ্গা। তীব্র ঠান্ডার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ। সকালে কাজের সন্ধানে বের হওয়া মানুষদের শহরের বিভিন্ন মোড়ে ও চায়ের দোকানের সামনে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। তীব্র শীতের কারণে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচলও অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক সীমিত।
আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আউটডোরে প্রতিদিন শীতজনিত সমস্যা নিয়ে বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, উত্তর দিক থেকে আসা হিমেল হাওয়ার কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন চুয়াডাঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় এই শীতের প্রকোপ অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিললেও রোদের তেজ কম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের জন্য কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থানীয়দের দাবি, চাহিদার তুলনায় সাহায্যের পরিমাণ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ জানুয়ারি ২০২৬
মাঘের মাঝামাঝি সময়ে এসে চুয়াডাঙ্গায় জেঁকে বসেছে তীব্র শীত। গত কয়েক দিন ঠান্ডার প্রকোপ কিছুটা কম থাকলেও গতকাল রাত থেকে জেলায় পুনরায় হাড়কাঁপানো শীত ও উত্তরের হিমেল হাওয়া শুরু হয়েছে। এতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন এ অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার সূত্রে জানা গেছে, আজ শনিবার সকাল ৯টায় জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৪ শতাংশ। এর আগে ভোর ৬টায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছিল ১০ দশমিক ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৬ শতাংশ।
সকাল থেকেই কুয়াশার চাদরে ঢাকা রয়েছে চুয়াডাঙ্গা। তীব্র ঠান্ডার কারণে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষ। সকালে কাজের সন্ধানে বের হওয়া মানুষদের শহরের বিভিন্ন মোড়ে ও চায়ের দোকানের সামনে খড়কুটো জ্বালিয়ে আগুন পোহাতে দেখা গেছে। তীব্র শীতের কারণে রাস্তাঘাটে মানুষের চলাচলও অন্যান্য দিনের তুলনায় অনেক সীমিত।
আবহাওয়া পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শীতজনিত রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। বিশেষ করে শিশু ও বয়স্করা নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া ও শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন। চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, আউটডোরে প্রতিদিন শীতজনিত সমস্যা নিয়ে বিপুলসংখ্যক রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন।
চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণীর পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জামিনুর রহমান জানান, উত্তর দিক থেকে আসা হিমেল হাওয়ার কারণে শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। আগামী কয়েক দিন চুয়াডাঙ্গা ও আশপাশের এলাকায় এই শীতের প্রকোপ অব্যাহত থাকতে পারে। কুয়াশার কারণে দিনের বেলা সূর্যের দেখা মিললেও রোদের তেজ কম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে শীতার্তদের জন্য কম্বল ও শীতবস্ত্র বিতরণের উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থানীয়দের দাবি, চাহিদার তুলনায় সাহায্যের পরিমাণ আরও বাড়ানো প্রয়োজন।

আপনার মতামত লিখুন