ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে রাত্রিকালীন ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক নেতার ছেলের বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে হালুয়াঘাট পৌরসভার পাগলপাড়া এলাকায় চোরাচালান বিরোধী তল্লাশিচৌকিতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যের নাম ইজাউল হক ভূঁইয়া (৪৩), যিনি হালুয়াঘাট থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. রুহুল আমিনের ছেলে মো. লিয়নকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার রাতে একজন এএসআইসহ তিন সদস্যের একটি দল পাগলপাড়া এলাকায় অবস্থান করছিল। গভীর রাতে একটি মোটরসাইকেলে করে লিয়নসহ দুই যুবককে যেতে দেখে পুলিশ তাদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে লিয়ন ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি ঘটনাস্থলের পাশেই অবস্থিত নিজের বাড়িতে চলে যান। পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি তার বাবাকে অবগত করে ফেরার উপক্রম করলে লিয়ন পেছন থেকে ধারালো দা দিয়ে কনস্টেবল ইজাউলের পিঠে সজোরে আঘাত করেন।
রক্তাক্ত অবস্থায় ইজাউলকে দ্রুত উদ্ধার করে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে পিঠের ক্ষত গভীর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হামলার ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত লিয়ন পালিয়ে গেলেও শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে হালুয়াঘাট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিয়নের বাবা রুহুল আমিনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে লিয়নের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। তার বাবাকেও এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে রাত্রিকালীন ডিউটিরত অবস্থায় এক পুলিশ কনস্টেবলকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক নেতার ছেলের বিরুদ্ধে।
গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে হালুয়াঘাট পৌরসভার পাগলপাড়া এলাকায় চোরাচালান বিরোধী তল্লাশিচৌকিতে এই হামলার ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যের নাম ইজাউল হক ভূঁইয়া (৪৩), যিনি হালুয়াঘাট থানায় কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত। এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মো. রুহুল আমিনের ছেলে মো. লিয়নকে (২৮) আটক করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার রাতে একজন এএসআইসহ তিন সদস্যের একটি দল পাগলপাড়া এলাকায় অবস্থান করছিল। গভীর রাতে একটি মোটরসাইকেলে করে লিয়নসহ দুই যুবককে যেতে দেখে পুলিশ তাদের থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। তল্লাশি ও জিজ্ঞাসাবাদ নিয়ে লিয়ন ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশের সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে তিনি ঘটনাস্থলের পাশেই অবস্থিত নিজের বাড়িতে চলে যান। পুলিশ সদস্যরা বিষয়টি তার বাবাকে অবগত করে ফেরার উপক্রম করলে লিয়ন পেছন থেকে ধারালো দা দিয়ে কনস্টেবল ইজাউলের পিঠে সজোরে আঘাত করেন।
রক্তাক্ত অবস্থায় ইজাউলকে দ্রুত উদ্ধার করে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। তবে পিঠের ক্ষত গভীর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
হামলার ঘটনার পরপরই অভিযুক্ত লিয়ন পালিয়ে গেলেও শুক্রবার দুপুর ১টার দিকে হালুয়াঘাট বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এর আগে বৃহস্পতিবার রাতেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য লিয়নের বাবা রুহুল আমিনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। ঘটনাস্থল থেকে লিয়নের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে।
ময়মনসিংহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. আবদুল্লাহ আল মামুন গণমাধ্যমকে জানান, কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে ইতিমধ্যে আটক করা হয়েছে। তার বাবাকেও এ বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। এই ন্যাক্কারজনক হামলার ঘটনায় থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া বর্তমানে চলমান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন