রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন পশ্চিম চৌধুরীপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসার কক্ষে রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে সোনিয়া আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। ঘটনাটি দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে দ্বিতীয় তলার ঘরটি থেকে ঘটে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, নিহত সোনিয়া ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার উত্তর চর মানিকা গ্রামের মৃত দুলাল বেপারীর মেয়ে। সে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গৃহপরিচারিকার (গৃহকর্মী) কাজ করছিলেন। রবিবার রাতে গৃহকর্তা এ এস এম ইকবাল হোসেনের বাসার কক্ষে তার অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, গৃহকর্তার কন্যা নুদরাত জাহান নুবাইরা ঘর খুলে দেখতে পান সোনিয়াকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায়। পরে তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন।
হাতিরঝিল থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) দীন বন্ধু রায় জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছেন, তবে এটি নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত ময়নাতদন্ত ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হামেশাই সোনিয়া একটি শান্তভাবাপন্ন মেয়ে ছিল এবং কাজকর্মে নিয়মিত ছিল। তারা এই অপ্রত্যাশিত ঘটনাকে মর্মান্তিক ও চিন্তার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ ও পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে যে সোনিয়ার পরিবারিক বা মানসিক চাপ, পারিবারিক সমস্যা বা কাজের সম্পর্কিত সমস্যা—যে কোন বিষয়েই মৃত্যুর পেছনে প্রভাব থাকতে পারে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত করা হবে। পুলিশ আইনি দিক থেকেও ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীর হাতিরঝিল থানাধীন পশ্চিম চৌধুরীপাড়া এলাকার একটি ভাড়া বাসার কক্ষে রবিবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে সোনিয়া আক্তার (১৭) নামে এক কিশোরী গৃহকর্মীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছেন পুলিশ। ঘটনাটি দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টা থেকে দ্বিতীয় তলার ঘরটি থেকে ঘটে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যে জানা গেছে, নিহত সোনিয়া ভোলার চরফ্যাসন উপজেলার উত্তর চর মানিকা গ্রামের মৃত দুলাল বেপারীর মেয়ে। সে দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গৃহপরিচারিকার (গৃহকর্মী) কাজ করছিলেন। রবিবার রাতে গৃহকর্তা এ এস এম ইকবাল হোসেনের বাসার কক্ষে তার অবস্থান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিলে, গৃহকর্তার কন্যা নুদরাত জাহান নুবাইরা ঘর খুলে দেখতে পান সোনিয়াকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ঝুলন্ত অবস্থায়। পরে তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন।
হাতিরঝিল থানার পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) দীন বন্ধু রায় জানিয়েছেন, ঘটনাস্থলে এসে পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে এবং আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। তদন্তকারীরা প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছেন, তবে এটি নিশ্চিত হওয়া পর্যন্ত ময়নাতদন্ত ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হামেশাই সোনিয়া একটি শান্তভাবাপন্ন মেয়ে ছিল এবং কাজকর্মে নিয়মিত ছিল। তারা এই অপ্রত্যাশিত ঘটনাকে মর্মান্তিক ও চিন্তার বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পরই মৃত্যুর নির্দিষ্ট কারণ ও পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে বলে জানানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে যে সোনিয়ার পরিবারিক বা মানসিক চাপ, পারিবারিক সমস্যা বা কাজের সম্পর্কিত সমস্যা—যে কোন বিষয়েই মৃত্যুর পেছনে প্রভাব থাকতে পারে, তা তদন্তের পর নিশ্চিত করা হবে। পুলিশ আইনি দিক থেকেও ঘটনার প্রতিটি দিক খতিয়ে দেখছে।

আপনার মতামত লিখুন