বাংলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বক্তারা বলেছেন, আজ থেকে একশ বছর আগে পূর্ববঙ্গের ঢাকা শহরে একদল উদ্যমী লেখক ও বুদ্ধিজীবী যুবক যে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা আমাদের জাতীয় চিন্তার ইতিহাসে এক অনন্য ঐতিহাসিক ঘটনা। বাংলা একাডেমি গত ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও ‘শিখা’ পত্রিকার শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এই দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স-২০২৬-এর আয়োজন করে। উদ্বোধনী অধিবেশনে বিশিষ্ট আলোচকবৃন্দ এসব গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য ব্যক্ত করেন।
বক্তারা আলোচনায় উল্লেখ করেন যে, সেই সময় কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, আবদুল কাদির, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, আবুল ফজল, আবুল হুসেন ও কাজী আনোয়ারুল কাদিরের মতো প্রগতিশীল বাঙালি মুসলমান লেখক ও ভাবুকেরা দেশ ও সমাজের বৃহত্তর মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে ‘বুদ্ধির মুক্তি’ বা চিন্তার স্বাধীনতার কথা সবার আগে ভেবেছিলেন। তাদের সেই সাহসী পদক্ষেপ ও ‘শিখা’ পত্রিকার শতবার্ষিক স্মরণ অনুষ্ঠান কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তা বর্তমান প্রজন্মের চিন্তামুক্তির সংগ্রামকে আরও বেগবান করতে সহায়ক হবে বলে তারা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি সচিব মো. মফিদুর রহমান। কনফারেন্সের সূচনা বক্তৃতা প্রদান করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। আয়োজনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক মোরশেদ শফিউল হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক এবং অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা।
দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে মোট ২২ জন বিশেষজ্ঞের সভাপতিত্বে বিভিন্ন অধিবেশনে ১০০ জন দেশি-বিদেশি প্রাবন্ধিক অংশগ্রহণ করেন। প্রাবন্ধিকগণ মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও ‘শিখা’ পত্রিকার ঐতিহাসিক পটভূমি, এর প্রকাশ ও বিকাশের ধারা, সমকালীন প্রতিবন্ধকতা এবং আধুনিক চিন্তাধারায় এর সুদূরপ্রসারী প্রভাবের নানা দিক নিয়ে বিশদ প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা করেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত দুই দিনব্যাপী এক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে বক্তারা বলেছেন, আজ থেকে একশ বছর আগে পূর্ববঙ্গের ঢাকা শহরে একদল উদ্যমী লেখক ও বুদ্ধিজীবী যুবক যে ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তা আমাদের জাতীয় চিন্তার ইতিহাসে এক অনন্য ঐতিহাসিক ঘটনা। বাংলা একাডেমি গত ১৬ ও ১৭ জানুয়ারি একাডেমির আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও ‘শিখা’ পত্রিকার শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এই দুই দিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স-২০২৬-এর আয়োজন করে। উদ্বোধনী অধিবেশনে বিশিষ্ট আলোচকবৃন্দ এসব গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য ব্যক্ত করেন।
বক্তারা আলোচনায় উল্লেখ করেন যে, সেই সময় কাজী আবদুল ওদুদ, কাজী মোতাহার হোসেন, আবদুল কাদির, মোতাহের হোসেন চৌধুরী, আবুল ফজল, আবুল হুসেন ও কাজী আনোয়ারুল কাদিরের মতো প্রগতিশীল বাঙালি মুসলমান লেখক ও ভাবুকেরা দেশ ও সমাজের বৃহত্তর মানুষের মুক্তির লক্ষ্যে ‘বুদ্ধির মুক্তি’ বা চিন্তার স্বাধীনতার কথা সবার আগে ভেবেছিলেন। তাদের সেই সাহসী পদক্ষেপ ও ‘শিখা’ পত্রিকার শতবার্ষিক স্মরণ অনুষ্ঠান কেবল একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং তা বর্তমান প্রজন্মের চিন্তামুক্তির সংগ্রামকে আরও বেগবান করতে সহায়ক হবে বলে তারা দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি সচিব মো. মফিদুর রহমান। কনফারেন্সের সূচনা বক্তৃতা প্রদান করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক অধ্যাপক মোহাম্মদ আজম। আয়োজনে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশিষ্ট প্রাবন্ধিক ও গবেষক অধ্যাপক মোরশেদ শফিউল হাসান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলা একাডেমির সভাপতি অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক এবং অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন বাংলা একাডেমির সচিব ড. মো. সেলিম রেজা।
দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে মোট ২২ জন বিশেষজ্ঞের সভাপতিত্বে বিভিন্ন অধিবেশনে ১০০ জন দেশি-বিদেশি প্রাবন্ধিক অংশগ্রহণ করেন। প্রাবন্ধিকগণ মুসলিম সাহিত্য সমাজ ও ‘শিখা’ পত্রিকার ঐতিহাসিক পটভূমি, এর প্রকাশ ও বিকাশের ধারা, সমকালীন প্রতিবন্ধকতা এবং আধুনিক চিন্তাধারায় এর সুদূরপ্রসারী প্রভাবের নানা দিক নিয়ে বিশদ প্রবন্ধ উপস্থাপন ও আলোচনা করেন।

আপনার মতামত লিখুন