চলতি মওসুমে নড়াইল জেলায় শীতকালীন শাকসবজির ব্যাপক ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জেলার তিন উপজেলায় মোট ৩ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাকসবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। মওসুমের শুরু থেকেই বাজারে শীতকালীন শাকসবজির দাম ভালো থাকায় খুশি কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিপু মজুমদার জানান, চলতি মওসুমে ফুলকপি, পাতাকপি, লাউ, শিম, বেগুন, পালংশাক, টমেটো, বাঁধাকপি, মুলা, ব্রকলি, উচ্ছে, বরবটি, লালশাক, সবুজ শাক, শসা ও কুমড়াসহ নানা ধরনের শীতকালীন শাকসবজির বাজারমূল্য সন্তোষজনক থাকায় কৃষক-কৃষাণিরা লাভবান হচ্ছেন।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পাতাকপি ৩০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কুমড়া প্রতি কেজি ৫০ টাকা, উচ্ছে ৮০ টাকা, লালশাক ও সবুজ শাক ৬০ টাকা, টমেটো ৭০ টাকা, শসা ৮০ টাকা এবং পালং শাক ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মওসুমে নড়াইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ২শ’ ৮৫ হেক্টর, লোহাগড়া উপজেলায় ৬শ’ ৯৫ হেক্টর এবং কালিয়া উপজেলায় ১ হাজার ১শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাকসবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিন উপজেলায় মোট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৪ হাজার ৭৩ মেট্রিক টন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, জেলার তিন উপজেলায় শীতকালীন শাকসবজির চাহিদা পূরণে চাষ উপযোগী জমিতে সবজি চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রণোদনা প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে এবং মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা অল্প জমিতে অধিক উৎপাদনের বিষয়ে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, কৃষকদের আগ্রহ ও কৃষি বিভাগের সমন্বিত সহায়তার ফলে চলতি মওসুমে নড়াইল জেলায় শীতকালীন শাকসবজির বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। ভালো মানের বীজ সরবরাহ, সেচ, সার ও কীটনাশকের কোনো সংকট নেই। ফলে কৃষকরা শীতকালীন শাকসবজি চাষে আগের চেয়ে বেশি মনোযোগী হয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
চলতি মওসুমে নড়াইল জেলায় শীতকালীন শাকসবজির ব্যাপক ফলনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জেলার তিন উপজেলায় মোট ৩ হাজার ১৪০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাকসবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। মওসুমের শুরু থেকেই বাজারে শীতকালীন শাকসবজির দাম ভালো থাকায় খুশি কৃষকরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিপু মজুমদার জানান, চলতি মওসুমে ফুলকপি, পাতাকপি, লাউ, শিম, বেগুন, পালংশাক, টমেটো, বাঁধাকপি, মুলা, ব্রকলি, উচ্ছে, বরবটি, লালশাক, সবুজ শাক, শসা ও কুমড়াসহ নানা ধরনের শীতকালীন শাকসবজির বাজারমূল্য সন্তোষজনক থাকায় কৃষক-কৃষাণিরা লাভবান হচ্ছেন।
বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতি কেজি ফুলকপি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, পাতাকপি ৩০ টাকা, বেগুন ৬০ থেকে ৭০ টাকা, শিম ৪০ টাকা, লাউ প্রতিটি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কুমড়া প্রতি কেজি ৫০ টাকা, উচ্ছে ৮০ টাকা, লালশাক ও সবুজ শাক ৬০ টাকা, টমেটো ৭০ টাকা, শসা ৮০ টাকা এবং পালং শাক ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
নড়াইল জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মওসুমে নড়াইল সদর উপজেলায় ১ হাজার ২শ’ ৮৫ হেক্টর, লোহাগড়া উপজেলায় ৬শ’ ৯৫ হেক্টর এবং কালিয়া উপজেলায় ১ হাজার ১শ’ ৬০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন শাকসবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিন উপজেলায় মোট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭৪ হাজার ৭৩ মেট্রিক টন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ আরিফুর রহমান জানান, জেলার তিন উপজেলায় শীতকালীন শাকসবজির চাহিদা পূরণে চাষ উপযোগী জমিতে সবজি চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রণোদনা প্রদানসহ সার্বিক সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে এবং মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা অল্প জমিতে অধিক উৎপাদনের বিষয়ে নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, কৃষকদের আগ্রহ ও কৃষি বিভাগের সমন্বিত সহায়তার ফলে চলতি মওসুমে নড়াইল জেলায় শীতকালীন শাকসবজির বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। ভালো মানের বীজ সরবরাহ, সেচ, সার ও কীটনাশকের কোনো সংকট নেই। ফলে কৃষকরা শীতকালীন শাকসবজি চাষে আগের চেয়ে বেশি মনোযোগী হয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন