সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে-স্কেল চলতি মাস থেকেই আংশিকভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী প্রাথমিক ধাপে নতুন বেতন কাঠামোর কিছু অংশ বাস্তবায়ন করা হবে।
সূত্র অনুযায়ী, জানুয়ারি মাস থেকে মূল বেতন ও নির্দিষ্ট কিছু ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে। তবে পুরো পে-স্কেল কার্যকর করা হবে আগামী অর্থবছরের শুরু থেকে, অর্থাৎ জুলাই মাসে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সংশোধিত বাজেটে বেতন ও ভাতা খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর ফলে প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরাসরি উপকৃত হবেন।
বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে বেশি হবে বলে জানা গেছে। এতে বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে কিছুটা স্বস্তি মিলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো নতুন পে-স্কেল আংশিকভাবে কার্যকরের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও দ্রুত পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, মূল্যস্ফীতির চাপে বর্তমান বেতন কাঠামো সময়োপযোগী নয়।
সব মিলিয়ে, নতুন পে-স্কেল আংশিকভাবে কার্যকর হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। এখন সবার দৃষ্টি পূর্ণ বাস্তবায়নের সময়সূচির দিকে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দীর্ঘদিনের প্রত্যাশিত নতুন পে-স্কেল চলতি মাস থেকেই আংশিকভাবে কার্যকর হতে যাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বেতন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী প্রাথমিক ধাপে নতুন বেতন কাঠামোর কিছু অংশ বাস্তবায়ন করা হবে।
সূত্র অনুযায়ী, জানুয়ারি মাস থেকে মূল বেতন ও নির্দিষ্ট কিছু ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হচ্ছে। তবে পুরো পে-স্কেল কার্যকর করা হবে আগামী অর্থবছরের শুরু থেকে, অর্থাৎ জুলাই মাসে। ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে প্রশাসনিক প্রস্তুতি ও আর্থিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে।
অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সংশোধিত বাজেটে বেতন ও ভাতা খাতে অতিরিক্ত বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এর ফলে প্রায় ১৫ লাখ সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারী সরাসরি উপকৃত হবেন।
বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যম গ্রেডের কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি তুলনামূলকভাবে বেশি হবে বলে জানা গেছে। এতে বর্তমান জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে কিছুটা স্বস্তি মিলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে সরকারি কর্মচারী সংগঠনগুলো নতুন পে-স্কেল আংশিকভাবে কার্যকরের সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও দ্রুত পূর্ণ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়েছে। তাদের মতে, মূল্যস্ফীতির চাপে বর্তমান বেতন কাঠামো সময়োপযোগী নয়।
সব মিলিয়ে, নতুন পে-স্কেল আংশিকভাবে কার্যকর হওয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। এখন সবার দৃষ্টি পূর্ণ বাস্তবায়নের সময়সূচির দিকে।

আপনার মতামত লিখুন