ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

গুম হওয়া পিতৃহারা কন্যার কষ্টে আবেগে ভেঙে পড়লেন তারেক রহমান


এস. এম. মেহেদী হাসান :
এস. এম. মেহেদী হাসান :
প্রকাশ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

গুম হওয়া পিতৃহারা কন্যার কষ্টে আবেগে ভেঙে পড়লেন তারেক রহমান
চিত্র : সংগৃহীত

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বিএনপির মতবিনিময় সভায় স্বৈরাচার সরকারের সময় গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারদের কষ্ট এবং অভিজ্ঞতা শোনার সময় আবেগে ভেঙে পড়লেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভায় একে একে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্তানরা মঞ্চে এসে বাবাহীন জীবনের কষ্ট, অপূর্ণতা ও দীর্ঘদিন ধরে চাপা রাখা বেদনা প্রকাশ করেন।

একটি কিশোরী কন্যা কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, “এটা তো অঙ্ক নয় যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবা মৃত। বাবা ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ।” ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর শাহবাগ থেকে গুম হওয়া সোহেল হোসেনের মেয়ে শাফা হোসেন তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন, “আমি তখন মাত্র দুই মাসের, এখন ১৩ বছর। এক যুগেরও বেশি সময় বাবার মুখ দেখার অপেক্ষায় আছি, কিন্তু আজও তাকে পাইনি। বাবাকে ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ মনে হয়। আমরা আমাদের বাবাকে ফেরত চাই।”

এছাড়া ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গুম হওয়া কায়সার হোসেনের কন্যা লামিয়া আক্তার মিম বলেন, “আমার বয়স তখন তিন বছর। বাবাকে কোনোদিন দেখিনি। বাবার ছবিটা বুকে নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি, কিন্তু কোথাও পাইনি। একবার শুধু বাবার হাতটা ধরতে চাই। আমাদের জন্য দেশ স্বাধীন হলেও, আমার জন্য হয়নি। যতদিন গুমের শিকার বাবা ও অন্যদের ফেরত পাওয়া যাবে না, ততদিন আমাদের জন্য দেশ স্বাধীন হবে না।”

মঞ্চে শোনানো এসব আর্তনাদে দৃশ্যমানভাবে আবেগে ভেঙে পড়েন তারেক রহমান। স্বজনদের কষ্টের গল্প এবং তাদের দীর্ঘকালীন অপেক্ষা এবং আশা তাকে দৃঢ়ভাবে স্পর্শ করে, সভায় বসে কাঁদতে দেখা যায় তাকে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


গুম হওয়া পিতৃহারা কন্যার কষ্টে আবেগে ভেঙে পড়লেন তারেক রহমান

প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বিএনপির মতবিনিময় সভায় স্বৈরাচার সরকারের সময় গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারদের কষ্ট এবং অভিজ্ঞতা শোনার সময় আবেগে ভেঙে পড়লেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সভায় একে একে গুম হওয়া ব্যক্তিদের সন্তানরা মঞ্চে এসে বাবাহীন জীবনের কষ্ট, অপূর্ণতা ও দীর্ঘদিন ধরে চাপা রাখা বেদনা প্রকাশ করেন।


একটি কিশোরী কন্যা কান্নাভেজা কণ্ঠে বলেন, “এটা তো অঙ্ক নয় যে, আমরা ধরে নেব আমাদের বাবা মৃত। বাবা ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ।” ২০১৩ সালের ২ ডিসেম্বর শাহবাগ থেকে গুম হওয়া সোহেল হোসেনের মেয়ে শাফা হোসেন তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে বলেন, “আমি তখন মাত্র দুই মাসের, এখন ১৩ বছর। এক যুগেরও বেশি সময় বাবার মুখ দেখার অপেক্ষায় আছি, কিন্তু আজও তাকে পাইনি। বাবাকে ছাড়া জীবন অসম্পূর্ণ মনে হয়। আমরা আমাদের বাবাকে ফেরত চাই।”


এছাড়া ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গুম হওয়া কায়সার হোসেনের কন্যা লামিয়া আক্তার মিম বলেন, “আমার বয়স তখন তিন বছর। বাবাকে কোনোদিন দেখিনি। বাবার ছবিটা বুকে নিয়ে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছি, কিন্তু কোথাও পাইনি। একবার শুধু বাবার হাতটা ধরতে চাই। আমাদের জন্য দেশ স্বাধীন হলেও, আমার জন্য হয়নি। যতদিন গুমের শিকার বাবা ও অন্যদের ফেরত পাওয়া যাবে না, ততদিন আমাদের জন্য দেশ স্বাধীন হবে না।”


মঞ্চে শোনানো এসব আর্তনাদে দৃশ্যমানভাবে আবেগে ভেঙে পড়েন তারেক রহমান। স্বজনদের কষ্টের গল্প এবং তাদের দীর্ঘকালীন অপেক্ষা এবং আশা তাকে দৃঢ়ভাবে স্পর্শ করে, সভায় বসে কাঁদতে দেখা যায় তাকে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ