শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে খুলনা মহানগরীর মুজগুন্নি আবাসিক এলাকায় একটি নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে পিএইচডি মিডওয়াইফারি নার্সিং ইনস্টিটিউটের ছাত্রী হোস্টেলের পঞ্চম তলায়, যেখানে রেহেনা আক্তার (২০) নামে ওই শিক্ষার্থীকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
রেহেনা আক্তার খালিশপুর এলাকায় ওই নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্রী হিসেবে পড়াশোনা করছিলেন। তার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলায় বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রেহেনাকে সহপাঠীরা হোস্টেল থেকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ও মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী সংবাদদাতাদের জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং গুরুত্বসহকারে তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য সকল দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নার্সিং ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রেহেনা ওই প্রতিষ্ঠানে সদ্য ভর্তি নতুন শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রাথমিকভাবে মানসিক চাপ বা সম্পর্ক‑সম্পর্কিত বিষয় তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অপেক্ষা করা হচ্ছে।
পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে খুলনায় যাচ্ছে বলে জানা গেছে এবং ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয় বাসিন্দারা মৃত শিক্ষার্থীর জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সাথে যদি অন্য কোনো মানুষের সম্পৃক্ততা থাকে বা তা কোনো আঘাত‑সম্পর্কিত ঘটনা হয়, সেদিকও খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনার সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হবে, উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জানুয়ারি ২০২৬
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে খুলনা মহানগরীর মুজগুন্নি আবাসিক এলাকায় একটি নার্সিং শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটে পিএইচডি মিডওয়াইফারি নার্সিং ইনস্টিটিউটের ছাত্রী হোস্টেলের পঞ্চম তলায়, যেখানে রেহেনা আক্তার (২০) নামে ওই শিক্ষার্থীকে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
রেহেনা আক্তার খালিশপুর এলাকায় ওই নার্সিং ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের ছাত্রী হিসেবে পড়াশোনা করছিলেন। তার বাড়ি সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলায় বলে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রেহেনাকে সহপাঠীরা হোস্টেল থেকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তাকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে ও মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।
খালিশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর আতাহার আলী সংবাদদাতাদের জানিয়েছেন, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে এবং গুরুত্বসহকারে তদন্ত চলছে। তিনি বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনের জন্য সকল দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
নার্সিং ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, রেহেনা ওই প্রতিষ্ঠানে সদ্য ভর্তি নতুন শিক্ষার্থী ছিলেন। প্রাথমিকভাবে মানসিক চাপ বা সম্পর্ক‑সম্পর্কিত বিষয় তার এই সিদ্ধান্তের পেছনে থাকতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে, তবে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট অপেক্ষা করা হচ্ছে।
পরিবারের সদস্যরা খবর পেয়ে খুলনায় যাচ্ছে বলে জানা গেছে এবং ঘটনাস্থলে থাকা স্থানীয় বাসিন্দারা মৃত শিক্ষার্থীর জন্য শোক প্রকাশ করেছেন। একই সঙ্গে তারা প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু ও দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার সাথে যদি অন্য কোনো মানুষের সম্পৃক্ততা থাকে বা তা কোনো আঘাত‑সম্পর্কিত ঘটনা হয়, সেদিকও খতিয়ে দেখা হবে। ঘটনার সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট প্রকাশের পরই জনসাধারণের সামনে তুলে ধরা হবে, উল্লেখ করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন