রাজধানীতে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত “নারী নেতৃত্ব, লৈঙ্গিক সমতা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার” শীর্ষক নীতি সংলাপ আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ও সমতা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ। আলোচকদের মধ্যে ছিলেন নাসিম ফেরদৌস, বাংলাদেশ নারী নেতৃত্ব জোটের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি; সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য; নাজমুল হক প্রধান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক; শামা ওবায়েদ, বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক; প্রীতি চক্রবর্তী, ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান; নাসরিন ফাতেমা আউয়াল, বাংলাদেশ নারী উদ্যোক্তা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি; ড. সৈয়দ মো. শাইখ ইমতিয়াজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক; হো চি মিন ইসলাম, ট্রান্স ফেমিনিস্ট ও অধিকার কর্মী; লামিয়া ইসলাম, রাষ্ট্র সংস্কার ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি; ফারুক হাসান, গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট; তাহরিম খান জাহিদ, রবি আক্সিয়াটা কর্পোরেট সেলস ম্যানেজার ও ট্যাগরা বিডির প্রতিষ্ঠাতা; কাজী মিনহাজুল আলম, খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক; এলিনা খান, অ্যাডভোকেট এবং জিল্লুর রহমান, সিজিএসের সভাপতি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ন বক্তব্য দেন। নাসিম ফেরদৌস বলেন, “নারীরা যোগ্য ও দক্ষ হলেও রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্বে অংশগ্রহণে নানা বাধার মুখোমুখি হচ্ছেন। সংবিধানেও নারীর অধিকার থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কার্যকর হচ্ছে না।”
রাজনৈতিক নেতারা বলেন, নারীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ বৃদ্ধি করা জরুরি। শামা ওবায়েদ বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোতে এখনও নারীর যথেষ্ট অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়নি। প্রতিটি স্তরে কমপক্ষে ৪০% নারীকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং তৃতীয় লিঙ্গসহ সকলকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।”
অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাধার বিষয়ে নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেন, পরিবারিক বাধা, তহবিলের অভাব ও ঋণসংক্রান্ত সমস্যা নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, নারীদের ক্ষমতায়ন ও উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
সামাজিক নিরাপত্তা ও নীতিগত দুর্বলতার বিষয়ে ড. সৈয়দ মো. শাইখ ইমতিয়াজ মন্তব্য করেন, “সমাজে শ্রেণি ও নীতিগত ব্যর্থতার কারণে নারীরা নিরাপদ বোধ করতে পারছেন না। রাজনৈতিক দলগুলো নারীর ব্যবহার করছে, তবে নেতৃত্বের বাস্তব উন্নয়ন হচ্ছে না।”
সংলাপ শেষে বক্তারা একমত হন, নারীদের নিরাপত্তা, ক্ষমতায়ন ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলে দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নয়ন আরও দৃঢ় হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ জানুয়ারি ২০২৬
রাজধানীতে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত “নারী নেতৃত্ব, লৈঙ্গিক সমতা এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার” শীর্ষক নীতি সংলাপ আজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ও সমতা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আলোচনা অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দ। আলোচকদের মধ্যে ছিলেন নাসিম ফেরদৌস, বাংলাদেশ নারী নেতৃত্ব জোটের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি; সৈয়দা আসিফা আশরাফি পাপিয়া, রাজনীতিবিদ ও সাবেক সংসদ সদস্য; নাজমুল হক প্রধান, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের সাধারণ সম্পাদক; শামা ওবায়েদ, বিএনপি কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক; প্রীতি চক্রবর্তী, ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল লিমিটেডের চেয়ারম্যান; নাসরিন ফাতেমা আউয়াল, বাংলাদেশ নারী উদ্যোক্তা অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি; ড. সৈয়দ মো. শাইখ ইমতিয়াজ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উইমেন অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক; হো চি মিন ইসলাম, ট্রান্স ফেমিনিস্ট ও অধিকার কর্মী; লামিয়া ইসলাম, রাষ্ট্র সংস্কার ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি; ফারুক হাসান, গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র ভাইস-প্রেসিডেন্ট; তাহরিম খান জাহিদ, রবি আক্সিয়াটা কর্পোরেট সেলস ম্যানেজার ও ট্যাগরা বিডির প্রতিষ্ঠাতা; কাজী মিনহাজুল আলম, খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক; এলিনা খান, অ্যাডভোকেট এবং জিল্লুর রহমান, সিজিএসের সভাপতি।
অনুষ্ঠানে বক্তারা নারীর নেতৃত্ব ও অংশগ্রহণ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা নিয়ে গুরুত্বপূর্ন বক্তব্য দেন। নাসিম ফেরদৌস বলেন, “নারীরা যোগ্য ও দক্ষ হলেও রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃত্বে অংশগ্রহণে নানা বাধার মুখোমুখি হচ্ছেন। সংবিধানেও নারীর অধিকার থাকা সত্ত্বেও বাস্তবে তা কার্যকর হচ্ছে না।”
রাজনৈতিক নেতারা বলেন, নারীদের স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ বৃদ্ধি করা জরুরি। শামা ওবায়েদ বলেন, “রাজনৈতিক দলগুলোতে এখনও নারীর যথেষ্ট অংশগ্রহণ নিশ্চিত হয়নি। প্রতিটি স্তরে কমপক্ষে ৪০% নারীকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে এবং তৃতীয় লিঙ্গসহ সকলকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।”
অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাধার বিষয়ে নাসরিন ফাতেমা আউয়াল বলেন, পরিবারিক বাধা, তহবিলের অভাব ও ঋণসংক্রান্ত সমস্যা নারী উদ্যোক্তাদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি বলেন, নারীদের ক্ষমতায়ন ও উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।
সামাজিক নিরাপত্তা ও নীতিগত দুর্বলতার বিষয়ে ড. সৈয়দ মো. শাইখ ইমতিয়াজ মন্তব্য করেন, “সমাজে শ্রেণি ও নীতিগত ব্যর্থতার কারণে নারীরা নিরাপদ বোধ করতে পারছেন না। রাজনৈতিক দলগুলো নারীর ব্যবহার করছে, তবে নেতৃত্বের বাস্তব উন্নয়ন হচ্ছে না।”
সংলাপ শেষে বক্তারা একমত হন, নারীদের নিরাপত্তা, ক্ষমতায়ন ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হলে দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক উন্নয়ন আরও দৃঢ় হবে।

আপনার মতামত লিখুন