ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

তাড়াশে বোরো চাষীরা বিপাকে

ঘন কুয়াশায় মরে যাচ্ছে বীজতলার চারা



ঘন কুয়াশায় মরে যাচ্ছে বীজতলার চারা
চিত্র : সংগৃহীত

তাড়াশ উপজেলায় তীব্র শীত ও টানা ঘন কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। চলনবিল অঞ্চলের হাজারো কৃষক বোরো মৌসুমের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গভীর উদ্বেগে রয়েছেন।  

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন রোদ না থাকায় এবং শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে বীজতলার চারা হলদে ও লালচে রঙ ধারণ করেছে এবং ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই চারাগুলো পুড়ে যাওয়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।  

স্থানীয় কৃষক শামীম রেজা জানিয়েছেন, বীজতলা রক্ষায় তারা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা, নিয়মিত পানি পরিবর্তনসহ নানা পদ্ধতি অবলম্বন করছেন, তবে তীব্র শীতের কারণে চারাগুলো রক্ষা করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হলে নতুন বীজতলা তৈরি করতে অতিরিক্ত সময় ও খরচ প্রয়োজন হবে, যা কৃষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।  

তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা বলেন, “প্রচণ্ড শীতের ফলে বোরো চারাগুলো ‘কোল্ড ইনজুরি’ বা শীতজনিত আঘাতের শিকার হচ্ছে। কৃষকদের রাতে পানি ধরে রাখা, সকালে পানি বের করা এবং স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে চারা ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত আবহাওয়ার উন্নতি না হলে চলতি মৌসুমে বোরো আবাদে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এটি খাদ্য উৎপাদন ও কৃষকের জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


ঘন কুয়াশায় মরে যাচ্ছে বীজতলার চারা

প্রকাশের তারিখ : ১১ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

তাড়াশ উপজেলায় তীব্র শীত ও টানা ঘন কুয়াশার কারণে বোরো ধানের বীজতলা মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছে। চলনবিল অঞ্চলের হাজারো কৃষক বোরো মৌসুমের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গভীর উদ্বেগে রয়েছেন।  


সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, দীর্ঘদিন রোদ না থাকায় এবং শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে বীজতলার চারা হলদে ও লালচে রঙ ধারণ করেছে এবং ধীরে ধীরে শুকিয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রেই চারাগুলো পুড়ে যাওয়ার মতো অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।  


স্থানীয় কৃষক শামীম রেজা জানিয়েছেন, বীজতলা রক্ষায় তারা পলিথিন দিয়ে ঢেকে রাখা, নিয়মিত পানি পরিবর্তনসহ নানা পদ্ধতি অবলম্বন করছেন, তবে তীব্র শীতের কারণে চারাগুলো রক্ষা করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। বীজতলা সম্পূর্ণ নষ্ট হলে নতুন বীজতলা তৈরি করতে অতিরিক্ত সময় ও খরচ প্রয়োজন হবে, যা কৃষকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াবে।  


তাড়াশ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শর্মিষ্ঠা সেন গুপ্তা বলেন, “প্রচণ্ড শীতের ফলে বোরো চারাগুলো ‘কোল্ড ইনজুরি’ বা শীতজনিত আঘাতের শিকার হচ্ছে। কৃষকদের রাতে পানি ধরে রাখা, সকালে পানি বের করা এবং স্বচ্ছ পলিথিন দিয়ে চারা ঢেকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। দ্রুত আবহাওয়ার উন্নতি না হলে চলতি মৌসুমে বোরো আবাদে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এটি খাদ্য উৎপাদন ও কৃষকের জীবিকায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।”


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ