বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলসহ কয়েকটি বিভাগে চলমান শৈত্যপ্রবাহ কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলে তীব্র শীতের কারণে সবজি ও ধানক্ষেতে ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি ফসল ও গবাদি পশু রক্ষায় বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে।
রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চলে তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসায় শীতকালীন সবজি চাষে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আলু, বাঁধাকপি, ফুলকপি ও টমেটোর গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে পাতায় পোড়া দাগ দেখা দিচ্ছে। একই সঙ্গে ধানক্ষেতেও শীতের প্রভাবে চারা দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকদের আশঙ্কা, শৈত্যপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী হলে উৎপাদন কমে যেতে পারে। এতে বাজারে সবজির দাম বাড়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু এলাকায় পাইকারি বাজারে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, শীতজনিত ক্ষতি কমাতে কৃষকদের ফসল ঢেকে রাখা, সেচ ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং গবাদি পশু সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবিলায় জরুরি তহবিল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে কৃষি উৎপাদনে ঝুঁকি থাকলেও দেশে খাদ্যশস্যের মজুদ সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ জানুয়ারি ২০২৬
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলসহ কয়েকটি বিভাগে চলমান শৈত্যপ্রবাহ কৃষি উৎপাদনে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও খুলনা অঞ্চলে তীব্র শীতের কারণে সবজি ও ধানক্ষেতে ক্ষতির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এ পরিস্থিতিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কৃষকদের সতর্ক থাকার পাশাপাশি ফসল ও গবাদি পশু রক্ষায় বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে।
রংপুর ও রাজশাহী অঞ্চলে তাপমাত্রা ৬ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসায় শীতকালীন সবজি চাষে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। আলু, বাঁধাকপি, ফুলকপি ও টমেটোর গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে পাতায় পোড়া দাগ দেখা দিচ্ছে। একই সঙ্গে ধানক্ষেতেও শীতের প্রভাবে চারা দুর্বল হয়ে পড়ছে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।
স্থানীয় কৃষকদের আশঙ্কা, শৈত্যপ্রবাহ দীর্ঘস্থায়ী হলে উৎপাদন কমে যেতে পারে। এতে বাজারে সবজির দাম বাড়ার সম্ভাবনাও তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে কিছু এলাকায় পাইকারি বাজারে সবজির দাম ঊর্ধ্বমুখী হতে শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, শীতজনিত ক্ষতি কমাতে কৃষকদের ফসল ঢেকে রাখা, সেচ ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা এবং গবাদি পশু সুরক্ষায় বিশেষ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় প্রশাসনকে কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
কৃষি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সম্ভাব্য ক্ষতি মোকাবিলায় জরুরি তহবিল প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তবে কৃষি উৎপাদনে ঝুঁকি থাকলেও দেশে খাদ্যশস্যের মজুদ সন্তোষজনক অবস্থায় রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন