ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

"খাগড়াছড়িতে পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংসের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন"


নিজস্ব প্রতিবেদন
নিজস্ব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

"খাগড়াছড়িতে পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংসের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন"

খাগড়াছড়ির রামগড় এলাকায় পরিবেশ ধ্বংস করে পাহাড় কেটে জমি ভরাটের মাধ্যমে স্থলবন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিযোগে সরকার গম্ভীরতার সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, নির্বিচারে পাহাড় কাটা হচ্ছে এবং এতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, পাহাড় কাটা হলে বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে এবং ভূমিধসসহ অন্যান্য পরিবেশগত ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

আজ (৮ জানুয়ারী) নৌপরিবহন ও শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন একটি তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত করে ডিটেইলড রিপোর্ট দাখিল করতে বলা হয়েছে। উপদেষ্টা জানিয়েছেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, রামগড় স্থলবন্দর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। প্রকল্পের প্রাসঙ্গিকতা ও পরিবেশ বান্ধব বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য পূর্বেও বিশেষজ্ঞ কমিটি পর্যালোচনা করেছিল। তাই শুধু অভিযোগ যাচাই নয়, প্রকল্পটির দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক প্রভাবও বিবেচনা করা হবে।

পরিবেশ কর্মী ও স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, পাহাড় কর্তনের ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে, বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং স্থানীয় জলাধার ও কৃষি কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সরকার জানিয়েছে, পরিবেশের ক্ষতি বরদাশত করা হবে না এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাগড়াছড়িতে পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংসের এই ঘটনা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বকে আবারও সামনে এনেছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


"খাগড়াছড়িতে পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংসের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন"

প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬

featured Image

খাগড়াছড়ির রামগড় এলাকায় পরিবেশ ধ্বংস করে পাহাড় কেটে জমি ভরাটের মাধ্যমে স্থলবন্দর প্রকল্প বাস্তবায়নের অভিযোগে সরকার গম্ভীরতার সঙ্গে ব্যবস্থা নিচ্ছে। স্থানীয়রা দাবি করছেন, নির্বিচারে পাহাড় কাটা হচ্ছে এবং এতে প্রাকৃতিক ভারসাম্য ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, পাহাড় কাটা হলে বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়তে পারে এবং ভূমিধসসহ অন্যান্য পরিবেশগত ঝুঁকি দেখা দিতে পারে।

আজ (৮ জানুয়ারী) নৌপরিবহন ও শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এম. সাখাওয়াত হোসেন একটি তিন সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন। কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে সরেজমিন তদন্ত করে ডিটেইলড রিপোর্ট দাখিল করতে বলা হয়েছে। উপদেষ্টা জানিয়েছেন, অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপদেষ্টা আরও বলেন, রামগড় স্থলবন্দর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক দিক থেকে গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রকল্প। প্রকল্পের প্রাসঙ্গিকতা ও পরিবেশ বান্ধব বাস্তবায়ন নিশ্চিত করার জন্য পূর্বেও বিশেষজ্ঞ কমিটি পর্যালোচনা করেছিল। তাই শুধু অভিযোগ যাচাই নয়, প্রকল্পটির দীর্ঘমেয়াদী পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক প্রভাবও বিবেচনা করা হবে।

পরিবেশ কর্মী ও স্থানীয়রা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, পাহাড় কর্তনের ফলে ভূমিধসের ঝুঁকি বৃদ্ধি পাবে, বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং স্থানীয় জলাধার ও কৃষি কর্মকাণ্ডে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। সরকার জানিয়েছে, পরিবেশের ক্ষতি বরদাশত করা হবে না এবং প্রকৃত দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

খাগড়াছড়িতে পাহাড় কেটে পরিবেশ ধ্বংসের এই ঘটনা প্রকল্প বাস্তবায়ন ও পরিবেশ সংরক্ষণের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্বকে আবারও সামনে এনেছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ