বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশে অবস্থিত একটি প্রধান তিতাস গ্যাস পাইপলাইন আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। গত রবিবার, জাহাজের নোঙরের আঘাতে পাইপলাইনে ফাটল ধরার পর মেরামত কাজ চলাকালীন লাইনের ভেতরে পানি ঢুকে যাওয়ায় পুনরায় গুরুতর জটিলতা দেখা দিয়েছে। এ কারণে ঢাকা মহানগরীজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র হয়েছে এবং পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি।
পাইপলাইনে লিকেজের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ যৌথভাবে ডুবুরি দিয়ে মেরামতের কাজ শুরু করেছে। তবে মেরামতের সময় পাইপের ভিতরে পানি ঢুকে যাওয়ায় চাপ স্বাভাবিকভাবে ফিরতে দেরি হচ্ছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা চাপ পুনরুদ্ধারের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ স্বল্পচাপে বা সীমিত পরিমাণে চলছে। বিশেষ করে আমিনবাজার, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, আদাবর, আজিমপুর ও পুরান ঢাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকায় সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। অনেক বাসিন্দা রান্নার মতো জরুরি কাজ করতে পারছেন না, ফলে হোটেল বা রেস্তোরাঁর খাবারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
বর্তমানে কিছু এলাকায় অল্প চাপের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ চালু হলেও এটি সর্বোচ্চ ২৫ পিএসআইজি (PSIG) পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। চাহিদা বেশি থাকায় চাপ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে না। ফলে স্বাভাবিক ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট গ্যাস এখনও পাওয়া যাচ্ছে না।
গ্যাস সংকটের কারণে নাগরিকরা ইন্ডাকশন চুলা, বৈদ্যুতিক হটপ্লেট বা লাকড়ি চুলা ব্যবহার করার দিকে ঝুঁকছেন। এ ছাড়া সিএনজি চালিত যানবাহন কম ব্যবহৃত হচ্ছে এবং পরিবহণ ব্যবস্থা আংশিকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে, এটি একটি বড় সমস্যা এবং তারা দ্রুত চাপ পুনরুদ্ধারের জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করছে। তারা গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং জানিয়েছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কিছুদিন সময় লাগবে।
বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশের পাইপলাইনের ক্ষতি এবং মেরামতের সময় পানি ঢুকে পড়ার কারণে ঢাকা শহরে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এ কারণে নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবন ও গৃহস্থালীর কাজগুলোতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাপ স্বাভাবিক করার জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ জানুয়ারি ২০২৬
বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশে অবস্থিত একটি প্রধান তিতাস গ্যাস পাইপলাইন আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় রাজধানী ঢাকাসহ সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে গ্যাস সরবরাহ ব্যাপকভাবে ব্যাহত হয়েছে। গত রবিবার, জাহাজের নোঙরের আঘাতে পাইপলাইনে ফাটল ধরার পর মেরামত কাজ চলাকালীন লাইনের ভেতরে পানি ঢুকে যাওয়ায় পুনরায় গুরুতর জটিলতা দেখা দিয়েছে। এ কারণে ঢাকা মহানগরীজুড়ে গ্যাস সংকট তীব্র হয়েছে এবং পরিস্থিতি এখনও স্বাভাবিক হয়নি।
পাইপলাইনে লিকেজের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও বিআইডব্লিউটিএ যৌথভাবে ডুবুরি দিয়ে মেরামতের কাজ শুরু করেছে। তবে মেরামতের সময় পাইপের ভিতরে পানি ঢুকে যাওয়ায় চাপ স্বাভাবিকভাবে ফিরতে দেরি হচ্ছে। তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা চাপ পুনরুদ্ধারের জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।
ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সরবরাহ স্বল্পচাপে বা সীমিত পরিমাণে চলছে। বিশেষ করে আমিনবাজার, মিরপুর, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, আদাবর, আজিমপুর ও পুরান ঢাকাসহ গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকায় সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। অনেক বাসিন্দা রান্নার মতো জরুরি কাজ করতে পারছেন না, ফলে হোটেল বা রেস্তোরাঁর খাবারের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।
বর্তমানে কিছু এলাকায় অল্প চাপের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ চালু হলেও এটি সর্বোচ্চ ২৫ পিএসআইজি (PSIG) পর্যন্ত সীমাবদ্ধ। চাহিদা বেশি থাকায় চাপ দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে না। ফলে স্বাভাবিক ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট গ্যাস এখনও পাওয়া যাচ্ছে না।
গ্যাস সংকটের কারণে নাগরিকরা ইন্ডাকশন চুলা, বৈদ্যুতিক হটপ্লেট বা লাকড়ি চুলা ব্যবহার করার দিকে ঝুঁকছেন। এ ছাড়া সিএনজি চালিত যানবাহন কম ব্যবহৃত হচ্ছে এবং পরিবহণ ব্যবস্থা আংশিকভাবে প্রভাবিত হচ্ছে।
তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ স্বীকার করেছে যে, এটি একটি বড় সমস্যা এবং তারা দ্রুত চাপ পুনরুদ্ধারের জন্য নিবিড়ভাবে কাজ করছে। তারা গ্রাহকদের অসুবিধার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে এবং জানিয়েছে, পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কিছুদিন সময় লাগবে।
বুড়িগঙ্গা নদীর তলদেশের পাইপলাইনের ক্ষতি এবং মেরামতের সময় পানি ঢুকে পড়ার কারণে ঢাকা শহরে গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এ কারণে নাগরিকদের দৈনন্দিন জীবন ও গৃহস্থালীর কাজগুলোতে সমস্যা তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাপ স্বাভাবিক করার জন্য কাজ চালিয়ে যাচ্ছে, তবে পুরোপুরি স্বাভাবিক হতে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন