ছুটি নিয়ে দেশে ফিরে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর স্বপ্ন দেখছিলেন প্রবাসী মো. হারুন অর রশিদ পাভেল (৩০)। তবে সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন, আর কফিনবন্দি অবস্থায় দেশে ফিরে গেছেন — এমনই শোক সংবাদ রয়েছে।
পাভেল দুই বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসে চাকরি করছিলেন। বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের জন্য জীবনের মান উন্নত করার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। ভিসার ছুটি নিয়ে দেশে আসার পরিকল্পনা করলেও দেশে ফেরার আগেই তার অসুস্থতা শুরু হয়।
অবস্থার ক্রমবিকাশের পর তাকে সৌদি আরবের রিয়াদে চিকিৎসার উদ্দেশে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান — এই খবরটি তার পরিবারকে জানানো হয়। পাভেলের মৃত্যুপরবর্তী ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে তার দেহ কফিনবন্দি করে দেশে পাঠানো হয়।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের পারিবারিক কবরস্থানে তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় বিপুলসংখ্যক আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, ও স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত থেকে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। এলাকাভুক্তদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি বড় চারিগাঁও গ্রামের বেলায়েত হোসেন বালাগাত উল্লাহর ছেলে এবং তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে ছিলেন মেঝো। পাভেলের স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে। পরিবারে তারা তার আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, পাভেল কঠোর পরিশ্রম করে বিদেশে গিয়েছিলেন একটি সাফল্যের গল্প গড়ার জন্য। ছুটি নিয়ে দেশে ফিরে পরিবারের কাছে আনন্দ নিয়ে যাবার ইচ্ছা ছিল তাঁর, কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই তিনি মারা গেলেন, যা পরিবার ও এলাকায় একটি অপূরনীয় শোকের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ জানুয়ারি ২০২৬
ছুটি নিয়ে দেশে ফিরে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর স্বপ্ন দেখছিলেন প্রবাসী মো. হারুন অর রশিদ পাভেল (৩০)। তবে সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন, আর কফিনবন্দি অবস্থায় দেশে ফিরে গেছেন — এমনই শোক সংবাদ রয়েছে।
পাভেল দুই বছর আগে সৌদি আরবে পাড়ি জমান এবং সেখানে একটি কুরিয়ার সার্ভিসে চাকরি করছিলেন। বিদেশে কঠোর পরিশ্রম করে পরিবারের জন্য জীবনের মান উন্নত করার লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছিলেন তিনি। ভিসার ছুটি নিয়ে দেশে আসার পরিকল্পনা করলেও দেশে ফেরার আগেই তার অসুস্থতা শুরু হয়।
অবস্থার ক্রমবিকাশের পর তাকে সৌদি আরবের রিয়াদে চিকিৎসার উদ্দেশে হাসপাতালে নেওয়া হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান — এই খবরটি তার পরিবারকে জানানো হয়। পাভেলের মৃত্যুপরবর্তী ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে তার দেহ কফিনবন্দি করে দেশে পাঠানো হয়।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের পারিবারিক কবরস্থানে তার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। জানাজায় বিপুলসংখ্যক আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী, ও স্থানীয় শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত থেকে তার প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানান। এলাকাভুক্তদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি বড় চারিগাঁও গ্রামের বেলায়েত হোসেন বালাগাত উল্লাহর ছেলে এবং তিন ভাই ও এক বোনের মধ্যে ছিলেন মেঝো। পাভেলের স্ত্রী ও দুই বছর বয়সী এক কন্যাসন্তান রয়েছে। পরিবারে তারা তার আকস্মিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়দের মতে, পাভেল কঠোর পরিশ্রম করে বিদেশে গিয়েছিলেন একটি সাফল্যের গল্প গড়ার জন্য। ছুটি নিয়ে দেশে ফিরে পরিবারের কাছে আনন্দ নিয়ে যাবার ইচ্ছা ছিল তাঁর, কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই তিনি মারা গেলেন, যা পরিবার ও এলাকায় একটি অপূরনীয় শোকের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন