আজ (৫ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার কপালিয়া বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে বরফকল মালিক রানা প্রতাপ (৪৫)–কে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়দের কথায়, ঘটনাটি ঘটেছে বাজারের মুখচিয়ে এলাকায়, যেখানে মানুষের চলাচল ও ব্যবসা-বাণিজ্যপরিবেশ সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কয়েকজন যুবক একটি মোটরসাইকেল নিয়ে বরফকলের সামনে এসে রানা প্রতাপকে বাইরে ডেকে যান। এরপর তাঁকে পাশের ছোট একটি গলিতে নিয়ে গিয়ে কথাকাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির পর একাধিক রাউন্ড গুলি করে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে মৃত ব্যক্তির পাশেই সাতটি গুলির খোসা পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
নিহত রানা প্রতাপ স্থানীয় কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি স্থানীয়ভাবে বরফকল ব্যবসায়িক কাজে যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার ফারুক মিন্টু জানান, রানা দীর্ঘদিন ধরে কপালিয়া বাজারে বরফকল পরিচালনা করে আসছিলেন এবং নিজ পরিচিতজনদের মধ্যে সক্রিয় ছিলেন।
স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, রানা প্রতাপের নামে পূর্বে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ছিল এবং তিনি একসময় চরমপন্থি দলের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে এলাকায় গুঞ্জন ছিল। এছাড়া তিনি নড়াইল থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিক সংবাদপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ঘটনার পর এলাকা প্রতি মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রামবাসীরা প্রতিনিয়ত সময় ও স্থানে এমন নৃশংস অপরাধের পুনরাবৃত্তি হওয়া থেকে উদ্বিগ্ন। একজন স্থানীয় ব্যক্তি জানান, “দিবালোকে এমন হিংসাত্মক ঘটনা ঘটবে, এটা আমরা কল্পনাও করিনি।”
এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশের তরফে এখনও হত্যাকারীদের শনাক্ত বা গ্রেপ্তার সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রদান করা হয়নি। তবে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, অভিযুক্তদের খোঁজ ও হত্যার পেছনের কার্যকারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এ ধরনের অপঘাত জনসাধারণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর প্রশ্ন তুলেছে। অনুসন্ধান চলছে যে, ব্যক্তিগত শত্রুতা, ব্যবসায়িক বিরোধ বা অন্য কোনো গুরুতর কারণ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে কি না এবং তা সামনে কবে উন্মোচিত হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ জানুয়ারি ২০২৬
আজ (৫ জানুয়ারি ২০২৬) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে যশোরের মণিরামপুর উপজেলার কপালিয়া বাজারে প্রকাশ্য দিবালোকে বরফকল মালিক রানা প্রতাপ (৪৫)–কে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয়দের কথায়, ঘটনাটি ঘটেছে বাজারের মুখচিয়ে এলাকায়, যেখানে মানুষের চলাচল ও ব্যবসা-বাণিজ্যপরিবেশ সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ থাকে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, কয়েকজন যুবক একটি মোটরসাইকেল নিয়ে বরফকলের সামনে এসে রানা প্রতাপকে বাইরে ডেকে যান। এরপর তাঁকে পাশের ছোট একটি গলিতে নিয়ে গিয়ে কথাকাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির পর একাধিক রাউন্ড গুলি করে দুর্বৃত্তরা দ্রুত পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে মৃত ব্যক্তির পাশেই সাতটি গুলির খোসা পড়ে থাকতে দেখা গেছে।
নিহত রানা প্রতাপ স্থানীয় কেশবপুর উপজেলার আড়ুয়া গ্রামের বাসিন্দা এবং তিনি স্থানীয়ভাবে বরফকল ব্যবসায়িক কাজে যুক্ত ছিলেন। স্থানীয় মনোহরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আক্তার ফারুক মিন্টু জানান, রানা দীর্ঘদিন ধরে কপালিয়া বাজারে বরফকল পরিচালনা করে আসছিলেন এবং নিজ পরিচিতজনদের মধ্যে সক্রিয় ছিলেন।
স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, রানা প্রতাপের নামে পূর্বে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ছিল এবং তিনি একসময় চরমপন্থি দলের সঙ্গেও জড়িত ছিলেন বলে এলাকায় গুঞ্জন ছিল। এছাড়া তিনি নড়াইল থেকে প্রকাশিত একটি দৈনিক সংবাদপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক হিসেবেও পরিচিত ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
ঘটনার পর এলাকা প্রতি মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয় ব্যবসায়ী ও গ্রামবাসীরা প্রতিনিয়ত সময় ও স্থানে এমন নৃশংস অপরাধের পুনরাবৃত্তি হওয়া থেকে উদ্বিগ্ন। একজন স্থানীয় ব্যক্তি জানান, “দিবালোকে এমন হিংসাত্মক ঘটনা ঘটবে, এটা আমরা কল্পনাও করিনি।”
এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং বিস্তারিত তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশের তরফে এখনও হত্যাকারীদের শনাক্ত বা গ্রেপ্তার সম্পর্কে কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি প্রদান করা হয়নি। তবে সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ, অভিযুক্তদের খোঁজ ও হত্যার পেছনের কার্যকারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ অভিযান অব্যাহত রেখেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এ ধরনের অপঘাত জনসাধারণের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর প্রশ্ন তুলেছে। অনুসন্ধান চলছে যে, ব্যক্তিগত শত্রুতা, ব্যবসায়িক বিরোধ বা অন্য কোনো গুরুতর কারণ নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে কি না এবং তা সামনে কবে উন্মোচিত হবে।

আপনার মতামত লিখুন