আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে জোরেশোরে। এ অবস্থায় দেশের ৪২ হাজার ৭৬১টি চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩২৫টি কেন্দ্রে এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই—এমন তথ্য পাওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে বিদ্যুৎ বিভাগকে লিখিত নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শনিবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এসব বিদ্যুৎবিহীন কেন্দ্রের তালিকা পাওয়ার পরই ইসি বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে একটি চিঠি পাঠায়। চিঠিতে বলা হয়, ভোটের দিন সিসিটিভি ক্যামেরা পরিচালনা, ইভিএম বা ভোটিং ডিভাইস চালু রাখা, প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক কাজসহ সম্পূর্ণ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ছাড়া পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই যে কোনো পরিস্থিতিতেই দ্রুত এসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হবে।
ইসি আরও জানায়, এবার নির্বাচনকে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলো বিদ্যুৎ না থাকলে কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ভোটের পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করে কমিশন।
এরই মধ্যে নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই চলছে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল শুনানি হবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। এরপর ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন আশা করছে, বিদ্যুৎ বিভাগের তৎপরতায় দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটের দিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা যাবে। ইসির মতে, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও প্রযুক্তিনির্ভর নির্বাচন আয়োজনের জন্য এটি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৪ জানুয়ারি ২০২৬
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে ভোটগ্রহণের প্রস্তুতি চলছে জোরেশোরে। এ অবস্থায় দেশের ৪২ হাজার ৭৬১টি চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ৩২৫টি কেন্দ্রে এখনও বিদ্যুৎ সংযোগ নেই—এমন তথ্য পাওয়ার পর জরুরি ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে বিদ্যুৎ বিভাগকে লিখিত নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
শনিবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, এসব বিদ্যুৎবিহীন কেন্দ্রের তালিকা পাওয়ার পরই ইসি বিদ্যুৎ বিভাগের সিনিয়র সচিবের কাছে একটি চিঠি পাঠায়। চিঠিতে বলা হয়, ভোটের দিন সিসিটিভি ক্যামেরা পরিচালনা, ইভিএম বা ভোটিং ডিভাইস চালু রাখা, প্রিজাইডিং কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক কাজসহ সম্পূর্ণ ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ছাড়া পরিচালনা করা সম্ভব নয়। তাই যে কোনো পরিস্থিতিতেই দ্রুত এসব কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে হবে।
ইসি আরও জানায়, এবার নির্বাচনকে প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ করতে প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে। সিসিটিভি ক্যামেরা ও ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলো বিদ্যুৎ না থাকলে কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এতে ভোটের পরিবেশও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে মনে করে কমিশন।
এরই মধ্যে নির্বাচনের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হয়েছে। মনোনয়ন যাচাই-বাছাই চলছে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। আপিল শুনানি হবে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি এবং প্রতীক বরাদ্দ ২১ জানুয়ারি। এরপর ২২ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একই দিনে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে।
নির্বাচন কমিশন আশা করছে, বিদ্যুৎ বিভাগের তৎপরতায় দ্রুতই সমস্যার সমাধান হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটের দিন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত করা যাবে। ইসির মতে, সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও প্রযুক্তিনির্ভর নির্বাচন আয়োজনের জন্য এটি এখন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন