নাটোরের লালপুর উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর নিরব হোসেন নামে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলসের গোবিন্দপুর এলাকার আখ খামারের ভেতরের একটি ড্রেন থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়। বুধবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিরব আর ফিরে আসেনি বলে জানায় পরিবার। সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দেন। নিখোঁজের পরদিন সকালে স্থানীয় কয়েকজন আখ খামারের ড্রেনের ভেতর মরদেহের মতো কিছু দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে লালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধারস্থল আখ খামারের একটি নির্জন এলাকা হওয়ায় প্রথমে কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থলের আশপাশের চিহ্ন, ড্রেনের পানির প্রবাহ এবং মরদেহের অবস্থান দেখে ধারণা করা হচ্ছে নিরব ড্রেনে পড়ে গিয়ে মারা যেতে পারে, অথবা অন্য কোনো ঘটনার পর মরদেহটি সেখানে পড়ে থাকতে পারে। তবে এখনই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ কারণে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা নিরবের আকস্মিক মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন। তারা জানান, নিরব খুবই শান্ত ও ঘরোয়া স্বভাবের ছেলে ছিল এবং সাধারণত বাড়ির বাইরে বেশি সময় কাটাত না। তার হঠাৎ নিখোঁজ হওয়া এবং পরদিন মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় পরিবার গভীর শোক ও হতাশায় পড়েছে। প্রতিবেশীরাও এই মৃত্যুকে রহস্যজনক বলে উল্লেখ করে দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, আখ খামারে সাধারণত মানুষের আনাগোনা কম থাকে, তাই ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু– এমন প্রশ্ন তাদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মানুষজন ঘটনাস্থলে ভিড় করে ঘটনার বিবরণ জানার চেষ্টা করেছে। অনেকেই বলছেন, ঘটনাটি যথাযথভাবে তদন্ত করা না হলে সত্য উদঘাটন সম্ভব হবে না। পুলিশ বলছে, তারা সবদিক মাথায় রেখে তদন্ত করছে এবং নিরব কীভাবে মৃত্যুবরণ করল তা শিগগির স্পষ্ট হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ জানুয়ারি ২০২৬
নাটোরের লালপুর উপজেলায় নিখোঁজের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর নিরব হোসেন নামে ১৩ বছর বয়সী এক কিশোরের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলসের গোবিন্দপুর এলাকার আখ খামারের ভেতরের একটি ড্রেন থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়। বুধবার দুপুরে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিরব আর ফিরে আসেনি বলে জানায় পরিবার। সন্ধ্যা পর্যন্ত খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পরিবারের সদস্যরা পুলিশকে খবর দেন। নিখোঁজের পরদিন সকালে স্থানীয় কয়েকজন আখ খামারের ড্রেনের ভেতর মরদেহের মতো কিছু দেখতে পেয়ে পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে লালপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
পুলিশ জানায়, মরদেহ উদ্ধারস্থল আখ খামারের একটি নির্জন এলাকা হওয়ায় প্রথমে কোনো প্রত্যক্ষদর্শীর তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে ঘটনাস্থলের আশপাশের চিহ্ন, ড্রেনের পানির প্রবাহ এবং মরদেহের অবস্থান দেখে ধারণা করা হচ্ছে নিরব ড্রেনে পড়ে গিয়ে মারা যেতে পারে, অথবা অন্য কোনো ঘটনার পর মরদেহটি সেখানে পড়ে থাকতে পারে। তবে এখনই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। এ কারণে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং তদন্তের অগ্রগতি ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ওপর নির্ভর করবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা নিরবের আকস্মিক মৃত্যুতে ভেঙে পড়েছেন। তারা জানান, নিরব খুবই শান্ত ও ঘরোয়া স্বভাবের ছেলে ছিল এবং সাধারণত বাড়ির বাইরে বেশি সময় কাটাত না। তার হঠাৎ নিখোঁজ হওয়া এবং পরদিন মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় পরিবার গভীর শোক ও হতাশায় পড়েছে। প্রতিবেশীরাও এই মৃত্যুকে রহস্যজনক বলে উল্লেখ করে দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয়দের ভাষ্য, আখ খামারে সাধারণত মানুষের আনাগোনা কম থাকে, তাই ঘটনাটি দুর্ঘটনা নাকি অন্য কিছু– এমন প্রশ্ন তাদের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
ঘটনার পর পুরো এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মানুষজন ঘটনাস্থলে ভিড় করে ঘটনার বিবরণ জানার চেষ্টা করেছে। অনেকেই বলছেন, ঘটনাটি যথাযথভাবে তদন্ত করা না হলে সত্য উদঘাটন সম্ভব হবে না। পুলিশ বলছে, তারা সবদিক মাথায় রেখে তদন্ত করছে এবং নিরব কীভাবে মৃত্যুবরণ করল তা শিগগির স্পষ্ট হবে।

আপনার মতামত লিখুন