নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে ৪০০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা এসব জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় অবৈধ জাল বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার আনন্দ বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের উপস্থিতিতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদার নেতৃত্বে মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা এ অভিযান চালান।
অভিযান-সংশ্লিষ্টরা জানান, আনন্দ বাজারের বিভিন্ন দোকানে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় চল্লিশ বস্তা চায়না দুয়ারি জাল পাওয়া যায়। জব্দ করা জালের পরিমাণ প্রায় ৪০০টি। পরে এসব জাল বাজারে জনসম্মুখে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। একই সময় নিষিদ্ধ জাল বিক্রির সঙ্গে জড়িত এক ব্যবসায়ীকে দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
আসিফ আল জিনাত বলেন, মৎস্য সংরক্ষণ আইনের আওতায় চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ। এ ধরনের জাল ব্যবহারের ফলে মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন জলজ প্রাণী ও দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও বংশ বিস্তারে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে উপজেলা প্রশাসনের বিশেষ অভিযানে ৪০০টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করা হয়েছে। পরে জব্দ করা এসব জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় অবৈধ জাল বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার আনন্দ বাজার এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের উপস্থিতিতে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহমুদার নেতৃত্বে মৎস্য অধিদফতরের কর্মকর্তারা এ অভিযান চালান।
অভিযান-সংশ্লিষ্টরা জানান, আনন্দ বাজারের বিভিন্ন দোকানে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় চল্লিশ বস্তা চায়না দুয়ারি জাল পাওয়া যায়। জব্দ করা জালের পরিমাণ প্রায় ৪০০টি। পরে এসব জাল বাজারে জনসম্মুখে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। একই সময় নিষিদ্ধ জাল বিক্রির সঙ্গে জড়িত এক ব্যবসায়ীকে দুই হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
আসিফ আল জিনাত বলেন, মৎস্য সংরক্ষণ আইনের আওতায় চায়না দুয়ারি জালের ব্যবহার নিষিদ্ধ। এ ধরনের জাল ব্যবহারের ফলে মাছের পাশাপাশি বিভিন্ন জলজ প্রাণী ও দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও বংশ বিস্তারে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। তাই নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন