ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ আজ (২৪ ডিসেম্বর) একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বসিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মালিকহীন মোটরসাইকেলের চালক আলমগীরের ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাকে ঘটনাটি নিয়ে চলমান তদন্তে গুরুত্বপূ্র্ণ চরিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি আদাবর থানা যুবলীগের সদস্য হিমন রহমান শিকদার (৩০/৩২) হিসেবে পরিচিত। পুলিশ জানায়, হিমন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিল এবং তাকে অসামরিক স্থানে অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ বিদেশি পিস্তল, গুলিসহ কিছু সন্দেহজনক সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, এই অস্ত্র ও গুলি সম্ভবত হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল সহায়তা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে ছিল।
হিমনের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে সরাসরি কোনো গুলির ঘটনায় অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠে না; বরঞ্চ তাকে মোটরসাইকেল চালকের সহায়তায় জড়িত থাকার ভিত্তিতে আটক করা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেছেন, তদন্তে বের হওয়া তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের পরই অন্যান্য সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্ত করা হবে।
ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ১২ ডিসেম্বর পল্টন এলাকায় ঘটে। পুলিশ তদন্ত করছে মূল পরিকল্পনাকারী ও হামলাকারীদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে। ইতিমধ্যে ঘটনাটির প্রধান সন্দেহভাজনদের একজনের সহযোগী কবিরের রিমান্ড বৃদ্ধির মতো অন্য অভিযেও বিচারিক প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ ও তদন্ত সংস্থার ওপর নির্ভর করে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য ও বিশদ পরিকল্পনা উন্মোচন করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন এবং মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ ডিসেম্বর ২০২৫
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সম্ভাব্য প্রার্থী শরীফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে পুলিশ আজ (২৪ ডিসেম্বর) একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ বসিয়েছে। ঘটনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত মালিকহীন মোটরসাইকেলের চালক আলমগীরের ঘনিষ্ঠ সহযোগীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাকে ঘটনাটি নিয়ে চলমান তদন্তে গুরুত্বপূ্র্ণ চরিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তি আদাবর থানা যুবলীগের সদস্য হিমন রহমান শিকদার (৩০/৩২) হিসেবে পরিচিত। পুলিশ জানায়, হিমন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থানে আত্মগোপন করে ছিল এবং তাকে অসামরিক স্থানে অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারের সময় পুলিশ বিদেশি পিস্তল, গুলিসহ কিছু সন্দেহজনক সরঞ্জাম উদ্ধার করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর এক কর্মকর্তা বলেন, এই অস্ত্র ও গুলি সম্ভবত হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেল সহায়তা বা নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কাজে ছিল।
হিমনের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত হত্যাকাণ্ডে সরাসরি কোনো গুলির ঘটনায় অংশগ্রহণের অভিযোগ উঠে না; বরঞ্চ তাকে মোটরসাইকেল চালকের সহায়তায় জড়িত থাকার ভিত্তিতে আটক করা হয়েছে এবং জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত কর্মকর্তা আরও বলেছেন, তদন্তে বের হওয়া তথ্য ও সিসিটিভি ফুটেজ যাচাইয়ের পরই অন্যান্য সম্ভাব্য সহযোগীদের শনাক্ত করা হবে।
ওসমান হাদির ওপর গুলিবর্ষণের ঘটনা ১২ ডিসেম্বর পল্টন এলাকায় ঘটে। পুলিশ তদন্ত করছে মূল পরিকল্পনাকারী ও হামলাকারীদের খুঁজে বের করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে। ইতিমধ্যে ঘটনাটির প্রধান সন্দেহভাজনদের একজনের সহযোগী কবিরের রিমান্ড বৃদ্ধির মতো অন্য অভিযেও বিচারিক প্রক্রিয়া চলছে।
পুলিশ ও তদন্ত সংস্থার ওপর নির্ভর করে এই হত্যাকাণ্ডের পেছনের উদ্দেশ্য ও বিশদ পরিকল্পনা উন্মোচন করা হবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন এবং মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নেওয়ার প্রস্তুতিও চলছে।

আপনার মতামত লিখুন