কক্সবাজারের উখিয়ার ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট তৈরির একটি জালিয়াতি চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। চক্রটির মূলহোতা হিসেবে ক্যাম্পের বাসিন্দা সাদেক নামের এক রোহিঙ্গা যুবকের নাম উঠে এসেছে।
অভিযোগ রয়েছে, জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশি এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরি করে সাদেক নিজে এসব পরিচয়পত্র ব্যবহার করছেন। একই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে অন্য রোহিঙ্গাদেরও বাংলাদেশি পরিচয়ে এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরি করে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ক্যাম্পের বাসিন্দাদের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরে ১১ নম্বর ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকায় একটি অসাধু চক্র এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। চক্রটি স্থানীয় কিছু দালাল ও অসাধু ব্যক্তির যোগসাজশে ভুয়া জন্মনিবন্ধন, পিতা-মাতার মিথ্যা পরিচয় এবং অন্যান্য জাল কাগজপত্র তৈরি করে এনআইডি সংগ্রহ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে এসব এনআইডির তথ্য ব্যবহার করে পাসপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এ কাজে সাদেক রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিচ্ছেন। বাংলাদেশি পরিচয় ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের বিদেশে যাওয়ার তথ্য সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, চক্রটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কীভাবে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরি হচ্ছে, সেটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার ভাষ্য, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পরিচয় ব্যবহার করে এনআইডি ও পাসপোর্ট নেওয়ার অভিযোগটি গুরুতর। সাদেকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগসহ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে সাদেকের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তদন্তের পরই অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কক্সবাজারের উখিয়ার ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশি জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ও পাসপোর্ট তৈরির একটি জালিয়াতি চক্র সক্রিয় থাকার অভিযোগ উঠেছে। চক্রটির মূলহোতা হিসেবে ক্যাম্পের বাসিন্দা সাদেক নামের এক রোহিঙ্গা যুবকের নাম উঠে এসেছে।
অভিযোগ রয়েছে, জাল কাগজপত্রের মাধ্যমে বাংলাদেশি এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরি করে সাদেক নিজে এসব পরিচয়পত্র ব্যবহার করছেন। একই সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে অন্য রোহিঙ্গাদেরও বাংলাদেশি পরিচয়ে এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরি করে বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও ক্যাম্পের বাসিন্দাদের দাবি, বেশ কিছুদিন ধরে ১১ নম্বর ক্যাম্পসহ আশপাশের এলাকায় একটি অসাধু চক্র এ কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। চক্রটি স্থানীয় কিছু দালাল ও অসাধু ব্যক্তির যোগসাজশে ভুয়া জন্মনিবন্ধন, পিতা-মাতার মিথ্যা পরিচয় এবং অন্যান্য জাল কাগজপত্র তৈরি করে এনআইডি সংগ্রহ করছে বলে অভিযোগ রয়েছে। পরবর্তীতে এসব এনআইডির তথ্য ব্যবহার করে পাসপোর্ট তৈরি করা হচ্ছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, এ কাজে সাদেক রোহিঙ্গাদের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নিচ্ছেন। বাংলাদেশি পরিচয় ব্যবহার করে রোহিঙ্গাদের বিদেশে যাওয়ার তথ্য সামনে আসার পর বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের দাবি, চক্রটির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও আশপাশের এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে কীভাবে ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে এনআইডি ও পাসপোর্ট তৈরি হচ্ছে, সেটিও তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার ভাষ্য, রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশি পরিচয় ব্যবহার করে এনআইডি ও পাসপোর্ট নেওয়ার অভিযোগটি গুরুতর। সাদেকের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগসহ পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে সাদেকের বিরুদ্ধে ওঠা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তদন্তের পরই অভিযোগগুলোর প্রকৃত সত্যতা নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে।

আপনার মতামত লিখুন