ওসমানীনগরকে পৌরসভা করতে হুমায়ুন কবিরের উদ্যোগ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীকে চিঠি
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলাকে পৌরসভায় রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলার প্রধান দুই বাণিজ্যকেন্দ্র গোয়ালাবাজার ও তাজপুরকে সমন্বয় করে ওসমানীনগর নামে একটি পৌরসভা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, এমপির কাছে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) পাঠানো আধা-সরকারি ওই পত্রে ওসমানীনগরে পৌরসভা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রতিমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন হুমায়ুন কবির।
চিঠিতে হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার প্রধান দুটি বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে গোয়ালাবাজার ও তাজপুর দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের বাণিজ্যিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সিলেট-ঢাকা মহাসড়কসংলগ্ন এ দুটি এলাকায় ইতোমধ্যে বাজার, বিপণিবিতান, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ শহরায়নের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে উঠেছে। প্রতিদিন ওসমানীনগর ও পার্শ্ববর্তী উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ এসব এলাকায় নাগরিক প্রয়োজন সম্পন্ন করতে আসেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ক্রমবর্ধমান নাগরিক চাহিদার প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান ইউনিয়ন পরিষদ ব্যবস্থায় সড়ক, ড্রেনেজ, বর্জ্য ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ আধুনিক নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা ক্রমেই দুরূহ হয়ে পড়ছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, গোয়ালাবাজার ও তাজপুরের সমন্বয়ে পৌরসভা গঠিত হলে পরিকল্পিত নগরায়ণ, উন্নত নাগরিক সেবা, রাজস্ব আহরণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে ওসমানীনগরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার কাঠামো শক্তিশালীকরণেও এটি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।
চিঠির শেষাংশে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯-এর বিধান অনুযায়ী গোয়ালাবাজার ও তাজপুরের সমন্বয়ে ওসমানীনগর নামীয় পৌরসভা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করা হয়।
ওসমানীনগরকে পৌরসভায় রূপান্তরের এ উদ্যোগকে দীর্ঘদিনের নাগরিক প্রত্যাশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
ওসমানীনগরকে পৌরসভা করতে হুমায়ুন কবিরের উদ্যোগ, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রীকে চিঠি
সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলাকে পৌরসভায় রূপান্তরের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। উপজেলার প্রধান দুই বাণিজ্যকেন্দ্র গোয়ালাবাজার ও তাজপুরকে সমন্বয় করে ওসমানীনগর নামে একটি পৌরসভা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, এমপির কাছে চিঠি দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির।
২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) পাঠানো আধা-সরকারি ওই পত্রে ওসমানীনগরে পৌরসভা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রতিমন্ত্রীর সদয় দৃষ্টি ও আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন হুমায়ুন কবির।
চিঠিতে হুমায়ুন কবির উল্লেখ করেন, সিলেট জেলার ওসমানীনগর উপজেলার প্রধান দুটি বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে গোয়ালাবাজার ও তাজপুর দীর্ঘদিন ধরে এ অঞ্চলের বাণিজ্যিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। সিলেট-ঢাকা মহাসড়কসংলগ্ন এ দুটি এলাকায় ইতোমধ্যে বাজার, বিপণিবিতান, ব্যাংক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ শহরায়নের প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে উঠেছে। প্রতিদিন ওসমানীনগর ও পার্শ্ববর্তী উপজেলার বিপুলসংখ্যক মানুষ এসব এলাকায় নাগরিক প্রয়োজন সম্পন্ন করতে আসেন।
চিঠিতে আরও বলা হয়, ক্রমবর্ধমান নাগরিক চাহিদার প্রেক্ষাপটে বিদ্যমান ইউনিয়ন পরিষদ ব্যবস্থায় সড়ক, ড্রেনেজ, বর্জ্য ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনাসহ আধুনিক নাগরিক সেবা নিশ্চিত করা ক্রমেই দুরূহ হয়ে পড়ছে।
হুমায়ুন কবির বলেন, গোয়ালাবাজার ও তাজপুরের সমন্বয়ে পৌরসভা গঠিত হলে পরিকল্পিত নগরায়ণ, উন্নত নাগরিক সেবা, রাজস্ব আহরণ, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির মাধ্যমে ওসমানীনগরের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার কাঠামো শক্তিশালীকরণেও এটি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখবে।
চিঠির শেষাংশে স্থানীয় সরকার (পৌরসভা) আইন, ২০০৯-এর বিধান অনুযায়ী গোয়ালাবাজার ও তাজপুরের সমন্বয়ে ওসমানীনগর নামীয় পৌরসভা প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণের জন্য প্রতিমন্ত্রীর সহযোগিতা কামনা করা হয়।
ওসমানীনগরকে পৌরসভায় রূপান্তরের এ উদ্যোগকে দীর্ঘদিনের নাগরিক প্রত্যাশার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই ও আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে এ বিষয়ে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

আপনার মতামত লিখুন