শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌর শহরের শ্যামলী আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে শ্যামলী আবাসিক এলাকায় বানরটি চলাচলের একপর্যায়ে বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত অবস্থায় সেটি মাটিতে পড়ে যায়। ঘটনাটি স্থানীয়দের নজরে এলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে এক সংবাদকর্মী আহত বানরটির বিষয়ে জানতে পেরে দ্রুত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেন। সংবাদ পাওয়ার পর ফাউন্ডেশনের সদস্যরা বানরটিকে উদ্ধারে ঘটনাস্থলে যান।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল, সঞ্জিত দেব এবং পরিবেশকর্মী রাজদ্বীপ দেব দ্বীপ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত বানরটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের সময় প্রাণীটি জীবিত থাকলেও বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসায় আহত ছিল।
পরে বানরটির প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরবর্তী পরিচর্যার জন্য শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, শ্রীমঙ্গল ও এর আশপাশের বনাঞ্চল সংকুচিত হয়ে আসা এবং খাবারের সংকটের কারণে বিভিন্ন বন্যপ্রাণী প্রায়ই বন ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসছে। লোকালয়ে চলাচলের সময় বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন মানবসৃষ্ট ঝুঁকির মুখে পড়ে এসব প্রাণী।
তিনি জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা সময়মতো বিষয়টি লক্ষ্য করে খবর দেওয়ায় আহত বানরটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বনাঞ্চলের আশপাশের জনবসতিতে বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি দেখা গেলে তাদের আঘাত করা বা ধরার চেষ্টা না করে দ্রুত বন বিভাগ কিংবা বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠনকে জানানো প্রয়োজন। এতে প্রাণীটির পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা সহজ হয়।
শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর বিচরণ রয়েছে। বনাঞ্চল থেকে খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসা প্রাণীগুলো অনেক সময় বৈদ্যুতিক তার, যানবাহন ও অন্যান্য ঝুঁকির মুখে পড়ে। শুক্রবার উদ্ধার হওয়া উল্টোলেজি বানরটির ঘটনাও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ বিচরণ এবং তাদের আবাসস্থল রক্ষার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ আগস্ট ২০২৬
শুক্রবার (২১ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌর শহরের শ্যামলী আবাসিক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা গেছে, দুপুরে শ্যামলী আবাসিক এলাকায় বানরটি চলাচলের একপর্যায়ে বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে আহত অবস্থায় সেটি মাটিতে পড়ে যায়। ঘটনাটি স্থানীয়দের নজরে এলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের মধ্যে এক সংবাদকর্মী আহত বানরটির বিষয়ে জানতে পেরে দ্রুত বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে খবর দেন। সংবাদ পাওয়ার পর ফাউন্ডেশনের সদস্যরা বানরটিকে উদ্ধারে ঘটনাস্থলে যান।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল, সঞ্জিত দেব এবং পরিবেশকর্মী রাজদ্বীপ দেব দ্বীপ ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহত বানরটিকে উদ্ধার করেন। উদ্ধারের সময় প্রাণীটি জীবিত থাকলেও বৈদ্যুতিক তারের সংস্পর্শে আসায় আহত ছিল।
পরে বানরটির প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরবর্তী পরিচর্যার জন্য শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের পরিচালক স্বপন দেব সজল বলেন, শ্রীমঙ্গল ও এর আশপাশের বনাঞ্চল সংকুচিত হয়ে আসা এবং খাবারের সংকটের কারণে বিভিন্ন বন্যপ্রাণী প্রায়ই বন ছেড়ে লোকালয়ে চলে আসছে। লোকালয়ে চলাচলের সময় বৈদ্যুতিক তারসহ বিভিন্ন মানবসৃষ্ট ঝুঁকির মুখে পড়ে এসব প্রাণী।
তিনি জানান, স্থানীয় বাসিন্দারা সময়মতো বিষয়টি লক্ষ্য করে খবর দেওয়ায় আহত বানরটিকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, বনাঞ্চলের আশপাশের জনবসতিতে বন্যপ্রাণীর উপস্থিতি দেখা গেলে তাদের আঘাত করা বা ধরার চেষ্টা না করে দ্রুত বন বিভাগ কিংবা বন্যপ্রাণী উদ্ধারকারী সংগঠনকে জানানো প্রয়োজন। এতে প্রাণীটির পাশাপাশি স্থানীয় মানুষের নিরাপত্তাও নিশ্চিত করা সহজ হয়।
শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের এলাকায় বিভিন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণীর বিচরণ রয়েছে। বনাঞ্চল থেকে খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে চলে আসা প্রাণীগুলো অনেক সময় বৈদ্যুতিক তার, যানবাহন ও অন্যান্য ঝুঁকির মুখে পড়ে। শুক্রবার উদ্ধার হওয়া উল্টোলেজি বানরটির ঘটনাও বন্যপ্রাণীর নিরাপদ বিচরণ এবং তাদের আবাসস্থল রক্ষার প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি নতুন করে সামনে এনেছে।

আপনার মতামত লিখুন