চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের সহায়তায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চুয়াডাঙ্গা সার্কেলের পক্ষ থেকে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক সভায় মোট ৮২ লাখ টাকার এই অনুদান ক্ষতিগ্রস্ত ২০টি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চেক হস্তান্তর করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার।
এ সময় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে মোটরসাইকেল আরোহীদের আরও সতর্ক হতে হবে এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল কোনোভাবেই সড়কে গ্রহণযোগ্য নয়। দক্ষ চালকের অভাব এবং সাধারণ মানুষের অসচেতনতার কারণে প্রতিনিয়ত মূল্যবান প্রাণ ঝরে যাচ্ছে।”
উন্নত বিশ্বের উদাহরণ টেনে তিনি আরও বলেন, “দুর্ঘটনা কমাতে চালক ও যাত্রী উভয়েরই সচেতন ও দক্ষ হওয়া জরুরি। সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি সড়ক দুর্ঘটনা কেবল একজন মানুষের জীবন কেড়ে নেয় না, বরং অনেক সময় পুরো পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করে দেয়। দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির বিপুল চিকিৎসা ব্যয় বহন করা এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানোর পর স্বজনদের জীবনে চরম অনিশ্চয়তা নেমে আসে। এমন পরিস্থিতিতে বিআরটিএ-এর পক্ষ থেকে প্রদত্ত এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দুর্ঘটনাকবলিত মানুষের পাশে রাষ্ট্রের মানবিক ও দায়িত্বশীলতার বার্তা উঠে আসলেও, সংশ্লিষ্টরা মনে করেন কেবল আর্থিক সহায়তা দিয়েই সমাধান সম্ভব নয়। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এম বিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, বিআরটিএ চুয়াডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) লিটন বিশ্বাস, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (শহর ও যানবাহন) আমিরুল ইসলাম, জেলা বাস-মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এম জেনারেল ইসলাম, জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দিন এবং 'নিরাপদ সড়ক চাই' (নিসচা) চুয়াডাঙ্গা শাখার সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ আগস্ট ২০২৬
চুয়াডাঙ্গায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের পরিবারের সহায়তায় বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) চুয়াডাঙ্গা সার্কেলের পক্ষ থেকে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক আনুষ্ঠানিক সভায় মোট ৮২ লাখ টাকার এই অনুদান ক্ষতিগ্রস্ত ২০টি পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চেক হস্তান্তর করেন চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক লুৎফুন নাহার।
এ সময় সড়ক নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তুলে ধরে জেলা প্রশাসক বলেন, “সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে মোটরসাইকেল আরোহীদের আরও সতর্ক হতে হবে এবং ট্রাফিক আইন কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন মোটরসাইকেল কোনোভাবেই সড়কে গ্রহণযোগ্য নয়। দক্ষ চালকের অভাব এবং সাধারণ মানুষের অসচেতনতার কারণে প্রতিনিয়ত মূল্যবান প্রাণ ঝরে যাচ্ছে।”
উন্নত বিশ্বের উদাহরণ টেনে তিনি আরও বলেন, “দুর্ঘটনা কমাতে চালক ও যাত্রী উভয়েরই সচেতন ও দক্ষ হওয়া জরুরি। সড়কে শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে হবে।”
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি সড়ক দুর্ঘটনা কেবল একজন মানুষের জীবন কেড়ে নেয় না, বরং অনেক সময় পুরো পরিবারের আর্থিক ও সামাজিক ভিত্তি ধ্বংস করে দেয়। দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তির বিপুল চিকিৎসা ব্যয় বহন করা এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে হারানোর পর স্বজনদের জীবনে চরম অনিশ্চয়তা নেমে আসে। এমন পরিস্থিতিতে বিআরটিএ-এর পক্ষ থেকে প্রদত্ত এই সহায়তা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
দুর্ঘটনাকবলিত মানুষের পাশে রাষ্ট্রের মানবিক ও দায়িত্বশীলতার বার্তা উঠে আসলেও, সংশ্লিষ্টরা মনে করেন কেবল আর্থিক সহায়তা দিয়েই সমাধান সম্ভব নয়। সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এম বিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী, বিআরটিএ চুয়াডাঙ্গা সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জিনিয়ার) লিটন বিশ্বাস, ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (শহর ও যানবাহন) আমিরুল ইসলাম, জেলা বাস-মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি এম জেনারেল ইসলাম, জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মঈনুদ্দিন এবং 'নিরাপদ সড়ক চাই' (নিসচা) চুয়াডাঙ্গা শাখার সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন।

আপনার মতামত লিখুন