নারায়ণগঞ্জ, ১৬ আগস্ট: “রূপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের মতো নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ পালিত হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় মৎস্য পক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন, নদীমাতৃক নারায়ণগঞ্জের মৎস্যসম্পদের অতীত ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও চাষে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, “ছোটবেলায় আমরা শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রচুর দেশীয় মাছ দেখতে পেতাম। এমনকি গামছা ও লুঙ্গি দিয়েও মাছ ধরা যেত। অথচ বর্তমানে নদীতে তো দূরের কথা, পুকুরেও অনেক দেশীয় মাছ আর চোখে পড়ে না। বর্তমান প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়েই দেশীয় মাছের নাম পর্যন্ত বলতে পারে না।”
এ সময় তিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্থানীয় মৎস্যচাষিদের বিলুপ্তপ্রায় ও দেশীয় মাছের চাষে উদ্বুদ্ধ করতে মৎস্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলা অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণ থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ পুকুরে গিয়ে শেষ হয়।
পরে উপজেলা পরিষদ পুকুরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
নারায়ণগঞ্জ, ১৬ আগস্ট: “রূপালী মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের মতো নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ পালিত হয়েছে।
রোববার (১৬ আগস্ট) সকালে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে জাতীয় মৎস্য পক্ষের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম।
উদ্বোধনী বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আবুল কালাম বলেন, নদীমাতৃক নারায়ণগঞ্জের মৎস্যসম্পদের অতীত ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে দেশীয় মাছ সংরক্ষণ ও চাষে গুরুত্ব দিতে হবে।
তিনি বলেন, “ছোটবেলায় আমরা শীতলক্ষ্যা নদীতে প্রচুর দেশীয় মাছ দেখতে পেতাম। এমনকি গামছা ও লুঙ্গি দিয়েও মাছ ধরা যেত। অথচ বর্তমানে নদীতে তো দূরের কথা, পুকুরেও অনেক দেশীয় মাছ আর চোখে পড়ে না। বর্তমান প্রজন্মের অনেক ছেলে-মেয়েই দেশীয় মাছের নাম পর্যন্ত বলতে পারে না।”
এ সময় তিনি প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত স্থানীয় মৎস্যচাষিদের বিলুপ্তপ্রায় ও দেশীয় মাছের চাষে উদ্বুদ্ধ করতে মৎস্য কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।
আলোচনা সভা শেষে উপজেলা অডিটোরিয়াম প্রাঙ্গণ থেকে একটি র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা পরিষদ পুকুরে গিয়ে শেষ হয়।
পরে উপজেলা পরিষদ পুকুরে আনুষ্ঠানিকভাবে বিভিন্ন প্রজাতির দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন