গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে কুমার নদী থেকে মিজানুর রহমান (৬২) ওরফে মিটু খলিফা নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের ভট্টাচার্য্য কান্দি গ্রামের শাহ আলী ফকিরের বাড়ির দক্ষিণ পাশে কুমার নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা।
পরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি মিজানুর রহমানের বলে শনাক্ত করেন।
নিহত মিজানুর রহমান ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘরুয়া ইউনিয়নের বিবির কান্দি গ্রামের মৃত রশিদ খলিফার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৫ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার দিগনগর ইউনিয়নের সর্দ্দি এলাকায় সাগর মোল্লার বাড়ির সামনে কুমার নদীতে পাট ধোয়া শেষে সাঁতরে নদীর অন্য পারে যাওয়ার সময় মিজানুর রহমান পানিতে তলিয়ে যান। স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তখন তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে রবিবার সকালে ভট্টাচার্য্য কান্দি এলাকায় নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। সংবাদ পেয়ে সিন্দিয়াঘাট ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) খোন্দকার আওরঙ্গজেব জানান, এ ঘটনায় তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের নিকট মরদেহটি হস্তান্তর করা হবে।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে কুমার নদী থেকে মিজানুর রহমান (৬২) ওরফে মিটু খলিফা নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
আজ রবিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে উপজেলার গোহালা ইউনিয়নের ভট্টাচার্য্য কান্দি গ্রামের শাহ আলী ফকিরের বাড়ির দক্ষিণ পাশে কুমার নদীতে মরদেহটি ভাসতে দেখেন স্থানীয়রা।
পরে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহটি মিজানুর রহমানের বলে শনাক্ত করেন।
নিহত মিজানুর রহমান ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার ঘরুয়া ইউনিয়নের বিবির কান্দি গ্রামের মৃত রশিদ খলিফার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৫ আগস্ট) বেলা আনুমানিক ১১টার দিকে মুকসুদপুর উপজেলার দিগনগর ইউনিয়নের সর্দ্দি এলাকায় সাগর মোল্লার বাড়ির সামনে কুমার নদীতে পাট ধোয়া শেষে সাঁতরে নদীর অন্য পারে যাওয়ার সময় মিজানুর রহমান পানিতে তলিয়ে যান। স্থানীয়রা অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তখন তার কোনো সন্ধান পাননি। পরে রবিবার সকালে ভট্টাচার্য্য কান্দি এলাকায় নদীতে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। সংবাদ পেয়ে সিন্দিয়াঘাট ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।
সিন্দিয়াঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) খোন্দকার আওরঙ্গজেব জানান, এ ঘটনায় তদন্ত ও পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের নিকট মরদেহটি হস্তান্তর করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন