ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি নিজেকে ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর ভাই পরিচয় দিয়ে তেল নিতে আসেন। তেল নেওয়ার পর মূল্য পরিশোধের সময় হিসাব করার কথা বলে এক কর্মীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেন তিনি। এরপর নিজেই টাকা গুনতে থাকেন।
একপর্যায়ে কৌশলে ওই কর্মীর চোখে তেলজাতীয় পদার্থ ছুড়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে চোখে জ্বালাপোড়া শুরু হলে কর্মীটি পাম্পের পেছনে গিয়ে চোখ ধুতে যান। পরে ফিরে এসে দেখেন, টাকা গুনছিলেন যে ব্যক্তি, তিনি আর সেখানে নেই। সঙ্গে নিয়ে গেছেন তেলের মূল্য বাবদ ৫০ হাজার টাকাও।
ঘটনার পর ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ স্থানীয়ভাবে ওই ব্যক্তির খোঁজ শুরু করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
আফতাব ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ শাহিন ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ব্যবসায়ীর ভাই পরিচয়ে ওই ব্যক্তি তেল নেন। পরে টাকা হিসাব করার সময় কর্মীর চোখে তেলজাতীয় পদার্থ দেওয়ার সুযোগে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ আগস্ট ২০২৬
ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই ব্যক্তি নিজেকে ব্যবসায়ী এবং স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর ভাই পরিচয় দিয়ে তেল নিতে আসেন। তেল নেওয়ার পর মূল্য পরিশোধের সময় হিসাব করার কথা বলে এক কর্মীর কাছ থেকে ৫০ হাজার টাকা নেন তিনি। এরপর নিজেই টাকা গুনতে থাকেন।
একপর্যায়ে কৌশলে ওই কর্মীর চোখে তেলজাতীয় পদার্থ ছুড়ে দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এতে চোখে জ্বালাপোড়া শুরু হলে কর্মীটি পাম্পের পেছনে গিয়ে চোখ ধুতে যান। পরে ফিরে এসে দেখেন, টাকা গুনছিলেন যে ব্যক্তি, তিনি আর সেখানে নেই। সঙ্গে নিয়ে গেছেন তেলের মূল্য বাবদ ৫০ হাজার টাকাও।
ঘটনার পর ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ স্থানীয়ভাবে ওই ব্যক্তির খোঁজ শুরু করে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে তার পরিচয় ও অবস্থান নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
আফতাব ফিলিং স্টেশনের ম্যানেজার মোহাম্মদ শাহিন ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ব্যবসায়ীর ভাই পরিচয়ে ওই ব্যক্তি তেল নেন। পরে টাকা হিসাব করার সময় কর্মীর চোখে তেলজাতীয় পদার্থ দেওয়ার সুযোগে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে পালিয়ে যান।
এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন