ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

যে ৩ কারণে দেশজুড়ে বাড়ছে লোডশেডিং


নিজস্ব প্রতিবেদক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১১ আগস্ট ২০২৬

যে ৩ কারণে দেশজুড়ে বাড়ছে লোডশেডিং
ছবি: সংগৃহীত

দেশজুড়ে তীব্র গরমের মধ্যে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ। কোথাও কোথাও দিনের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। এমনকি দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিংয়ের অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে মূলত তিনটি কারণ রয়েছে। এগুলো হলো গ্যাস ও কয়লার সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়া, ভারত থেকে বিশেষ করে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়া এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার নানা সমস্যা।

গ্যাস-কয়লার সংকটে কমেছে উৎপাদন

পিডিবি বলছে, গ্যাস ও কয়লার সংকটের কারণে স্বাভাবিক সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। তীব্র গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও জ্বালানি সংকটে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র কম সক্ষমতায় চলছে।

পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্যাস ও কয়লার সংকটের কারণেই লোডশেডিং বাড়ছে। তেলচালিত কেন্দ্রগুলোও দীর্ঘ সময় চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে ধাপে ধাপে এসব কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ খাতে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি। এর বিপরীতে সরবরাহ মিলছে প্রায় ৭০ কোটি ঘনফুট। ফলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে অন্তত ২ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন কম হচ্ছে।

দেশের গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট হলেও বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে গড়ে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট। একইভাবে ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি সক্ষমতার তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকেও উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট।

এ ছাড়া কয়লা সংকট ও বিভিন্ন কারিগরি সমস্যার কারণে বড়পুকুরিয়া, বরিশাল ইলেকট্রিক কোম্পানি, মাতারবাড়ী, পায়রা, রামপাল, এসএস পাওয়ার ও আরএনপিএলের মতো কেন্দ্রগুলোতেও উৎপাদন কমেছে।

অর্ধেকে নেমেছে আদানির বিদ্যুৎ

দেশের বিদ্যুৎ সংকট আরও তীব্র হয়েছে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি কমে যাওয়ায়। বিশেষ করে আদানি পাওয়ারের সরবরাহ সাময়িকভাবে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, পিক আওয়ারে আদানির কাছ থেকে সাধারণত প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা। কিন্তু গত রোববার বিকেল ৫টার দিকে সরবরাহ নেমে আসে ৮১৫ মেগাওয়াটে। যদিও গতকাল সন্ধ্যায় সরবরাহ কিছুটা বেড়ে ১ হাজার ১৩ মেগাওয়াটে পৌঁছায়।

আদানির পক্ষ থেকে পিডিবিকে জানানো হয়েছে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়লা পরিবহনে সমস্যা হয়েছে। এতে কয়লার মজুত কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমাতে হয়েছে। তবে তাদের দেওয়া তথ্যের সত্যতা পিডিবি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, আদানি জানিয়েছে কয়লা পরিবহনে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তবে ১১ আগস্ট থেকে প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে বলে তারা আশা করছেন।

চাহিদা-সরবরাহে বড় ঘাটতি

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল ৩টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৫৯ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে মাত্র ১২ হাজার ৩৮৮ মেগাওয়াট। বিকেল ৫টার দিকে সরবরাহ কিছুটা বেড়ে প্রায় ১৩ হাজার মেগাওয়াট হলেও ওই সময়ও লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৯৬৭ মেগাওয়াট।

এর আগে গত সপ্তাহে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। তবে গত দুই দিন ধরে বিকেল ৩টার পর ঘাটতি আবারও ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

পিডিবির হিসাবে, গ্যাস সংকটের কারণে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট এবং কয়লা ও অন্যান্য সমস্যার কারণে আরও প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন কমেছে। অর্থাৎ প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ঘাটতিই বর্তমানে দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের অন্যতম বড় কারণ।

সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থাতেও সমস্যা

শুধু উৎপাদন ঘাটতিই নয়, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যাও বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব ফেলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তাদের মতে, সঞ্চালন লাইনের সীমাবদ্ধতা এবং বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানির মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতির কারণেও কোথাও কোথাও পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। কোনো একটি এলাকায় একটি মাত্র বিতরণ কোম্পানি থাকলে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।

এলএনজি টার্মিনালে আগুনের প্রভাব

এদিকে গত ২১ জুলাই মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগার পর গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়। এতে দৈনিক প্রায় ৫১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে।

মেরামতের পর গত ৫ আগস্ট রাতে টার্মিনালটি থেকে আংশিকভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে সোমবার রাত অথবা মঙ্গলবার থেকে টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে পারে।

তবে গ্যাস ও কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংকট পুরোপুরি কাটছে না। ফলে তীব্র গরমের মধ্যে আরও কয়েক দিন লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি পোহাতে হতে পারে দেশের মানুষকে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


যে ৩ কারণে দেশজুড়ে বাড়ছে লোডশেডিং

প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬

featured Image

দেশজুড়ে তীব্র গরমের মধ্যে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। শহরের তুলনায় গ্রামাঞ্চলে পরিস্থিতি আরও খারাপ। কোথাও কোথাও দিনের ৬০ থেকে ৭০ শতাংশ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। এমনকি দেশের বিভিন্ন এলাকায় টানা ১০ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিংয়ের অভিযোগও পাওয়া যাচ্ছে।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ সংকটের পেছনে মূলত তিনটি কারণ রয়েছে। এগুলো হলো গ্যাস ও কয়লার সংকটে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমে যাওয়া, ভারত থেকে বিশেষ করে আদানি পাওয়ারের বিদ্যুৎ সরবরাহ কমে যাওয়া এবং সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার নানা সমস্যা।

গ্যাস-কয়লার সংকটে কমেছে উৎপাদন

পিডিবি বলছে, গ্যাস ও কয়লার সংকটের কারণে স্বাভাবিক সক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যাচ্ছে না। তীব্র গরমে বিদ্যুতের চাহিদা বাড়লেও জ্বালানি সংকটে অনেক বিদ্যুৎকেন্দ্র কম সক্ষমতায় চলছে।

পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম জানিয়েছেন, গ্যাস ও কয়লার সংকটের কারণেই লোডশেডিং বাড়ছে। তেলচালিত কেন্দ্রগুলোও দীর্ঘ সময় চালানো সম্ভব হচ্ছে না। তাই পরিস্থিতি সামাল দিতে ধাপে ধাপে এসব কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হচ্ছে।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যুৎ খাতে দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ১০০ কোটি ঘনফুটের বেশি। এর বিপরীতে সরবরাহ মিলছে প্রায় ৭০ কোটি ঘনফুট। ফলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে অন্তত ২ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন কম হচ্ছে।

দেশের গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর সম্মিলিত উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় ১০ হাজার মেগাওয়াট হলেও বর্তমানে উৎপাদন হচ্ছে গড়ে সাড়ে ৩ হাজার মেগাওয়াট। একইভাবে ৫ হাজার মেগাওয়াটের বেশি সক্ষমতার তেলভিত্তিক কেন্দ্রগুলো থেকেও উৎপাদন হচ্ছে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট।

এ ছাড়া কয়লা সংকট ও বিভিন্ন কারিগরি সমস্যার কারণে বড়পুকুরিয়া, বরিশাল ইলেকট্রিক কোম্পানি, মাতারবাড়ী, পায়রা, রামপাল, এসএস পাওয়ার ও আরএনপিএলের মতো কেন্দ্রগুলোতেও উৎপাদন কমেছে।

অর্ধেকে নেমেছে আদানির বিদ্যুৎ

দেশের বিদ্যুৎ সংকট আরও তীব্র হয়েছে ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানি কমে যাওয়ায়। বিশেষ করে আদানি পাওয়ারের সরবরাহ সাময়িকভাবে প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।

পিডিবির তথ্য অনুযায়ী, পিক আওয়ারে আদানির কাছ থেকে সাধারণত প্রায় ১ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা। কিন্তু গত রোববার বিকেল ৫টার দিকে সরবরাহ নেমে আসে ৮১৫ মেগাওয়াটে। যদিও গতকাল সন্ধ্যায় সরবরাহ কিছুটা বেড়ে ১ হাজার ১৩ মেগাওয়াটে পৌঁছায়।

আদানির পক্ষ থেকে পিডিবিকে জানানো হয়েছে, বৈরী আবহাওয়ার কারণে কয়লা পরিবহনে সমস্যা হয়েছে। এতে কয়লার মজুত কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদনও কমাতে হয়েছে। তবে তাদের দেওয়া তথ্যের সত্যতা পিডিবি স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি।

পিডিবির সদস্য (উৎপাদন) মো. জহুরুল ইসলাম বলেন, আদানি জানিয়েছে কয়লা পরিবহনে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তবে ১১ আগস্ট থেকে প্রতিষ্ঠানটি পূর্ণ সক্ষমতায় বিদ্যুৎ সরবরাহ করতে পারবে বলে তারা আশা করছেন।

চাহিদা-সরবরাহে বড় ঘাটতি

পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) সূত্রে জানা গেছে, রোববার বিকেল ৩টায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৫৯ মেগাওয়াট। বিপরীতে সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে মাত্র ১২ হাজার ৩৮৮ মেগাওয়াট। বিকেল ৫টার দিকে সরবরাহ কিছুটা বেড়ে প্রায় ১৩ হাজার মেগাওয়াট হলেও ওই সময়ও লোডশেডিং ছিল ২ হাজার ৯৬৭ মেগাওয়াট।

এর আগে গত সপ্তাহে সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল প্রায় ৩ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। তবে গত দুই দিন ধরে বিকেল ৩টার পর ঘাটতি আবারও ৩ হাজার মেগাওয়াট ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

পিডিবির হিসাবে, গ্যাস সংকটের কারণে প্রায় ২ হাজার মেগাওয়াট এবং কয়লা ও অন্যান্য সমস্যার কারণে আরও প্রায় ১ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন কমেছে। অর্থাৎ প্রায় ৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন ঘাটতিই বর্তমানে দেশজুড়ে ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের অন্যতম বড় কারণ।

সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থাতেও সমস্যা

শুধু উৎপাদন ঘাটতিই নয়, সঞ্চালন ও বিতরণ ব্যবস্থার বিভিন্ন সমস্যাও বিদ্যুৎ সরবরাহে প্রভাব ফেলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

তাদের মতে, সঞ্চালন লাইনের সীমাবদ্ধতা এবং বিভিন্ন বিতরণ কোম্পানির মধ্যে সমন্বয়ের ঘাটতির কারণেও কোথাও কোথাও পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠছে। কোনো একটি এলাকায় একটি মাত্র বিতরণ কোম্পানি থাকলে লোডশেডিংয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টদের কেউ কেউ।

এলএনজি টার্মিনালে আগুনের প্রভাব

এদিকে গত ২১ জুলাই মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে আগুন লাগার পর গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়। এতে দৈনিক প্রায় ৫১ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে যায়। এর প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও শিল্প খাতে।

মেরামতের পর গত ৫ আগস্ট রাতে টার্মিনালটি থেকে আংশিকভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে সোমবার রাত অথবা মঙ্গলবার থেকে টার্মিনালটি পূর্ণ সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে পারে।

তবে গ্যাস ও কয়লার সরবরাহ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বিদ্যুৎ সংকট পুরোপুরি কাটছে না। ফলে তীব্র গরমের মধ্যে আরও কয়েক দিন লোডশেডিংয়ের ভোগান্তি পোহাতে হতে পারে দেশের মানুষকে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ