নওগাঁর মান্দায় জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে মারপিটের ঘটনায় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গণেশপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে আলহাজ মকছেদ আলীর সঙ্গে একই গ্রামের মৃত তালেব আলীর ছেলে আতিকুর রহমান মিঠু ও গোবিন্দপুর গ্রামের মফিজের ছেলে সোহেল রানার দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।
মকছেদ আলীর অভিযোগ, শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে আতিকুর রহমান মিঠু, সোহেল রানা ও আজিজার নামে এক ব্যক্তি তাঁর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এতে তিনি বাধা দিলে তাঁকে ও কাজল নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়। পরে হুমকি দিয়ে তারা সেখান থেকে চলে যান।
মকছেদ আলী বলেন, শ্রীরামপুর মৌজার ৬১২, ৬১৩ ও ৬১৪ নম্বর দাগের জমি কবলা দলিলমূলে কিনে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভোগদখল করে আসছেন। শনিবার ওই জমি জবরদখলের চেষ্টা করা হলে তিনি বাধা দেন। এ সময় তাঁকে ও কাজলকে মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে তাঁর বিরুদ্ধে আজিজারকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মকছেদ আলী। তাঁর দাবি, পরদিন রাতে আজিজারকে ইটভাটায় নিয়ে মারধর করার যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হয়রানি এবং সামাজিকভাবে হেয় করতেই এমন অভিযোগ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে সোহেল রানার দাবি, জমিটি প্রথমে তাঁর বাবা কিনেছিলেন। পরে মকছেদ আলী জমিটি কিনেছেন বলে দাবি করেন। শনিবার তাঁরা জমি মাপজোক করতে গেলে মকছেদ আলীর লোকজন তাঁদের মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সোহেল রানা আরও বলেন, ওই ঘটনার জের ধরে রোববার রাতে আজিজারকে ধরে নিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
আজিজার বলেন, মকছেদ আলীর সঙ্গে তাঁর কোনো শত্রুতা বা জমি নিয়ে বিরোধ নেই। সোহেল রানার পক্ষে সালিশ করতে যাওয়ায় তাঁকে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বর্তমানে তিনি নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর মান্দায় জমি নিয়ে পূর্ববিরোধের জেরে মারপিটের ঘটনায় দুই পক্ষের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার গণেশপুর ইউনিয়নের শ্রীরামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত ইদ্রিস আলীর ছেলে আলহাজ মকছেদ আলীর সঙ্গে একই গ্রামের মৃত তালেব আলীর ছেলে আতিকুর রহমান মিঠু ও গোবিন্দপুর গ্রামের মফিজের ছেলে সোহেল রানার দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছে।
মকছেদ আলীর অভিযোগ, শনিবার (৮ আগস্ট) সকালে আতিকুর রহমান মিঠু, সোহেল রানা ও আজিজার নামে এক ব্যক্তি তাঁর জমি জবরদখলের চেষ্টা করেন। এতে তিনি বাধা দিলে তাঁকে ও কাজল নামে এক ব্যক্তিকে মারধর করা হয়। পরে হুমকি দিয়ে তারা সেখান থেকে চলে যান।
মকছেদ আলী বলেন, শ্রীরামপুর মৌজার ৬১২, ৬১৩ ও ৬১৪ নম্বর দাগের জমি কবলা দলিলমূলে কিনে দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভোগদখল করে আসছেন। শনিবার ওই জমি জবরদখলের চেষ্টা করা হলে তিনি বাধা দেন। এ সময় তাঁকে ও কাজলকে মারধর করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে তাঁর বিরুদ্ধে আজিজারকে তুলে নিয়ে মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মকছেদ আলী। তাঁর দাবি, পরদিন রাতে আজিজারকে ইটভাটায় নিয়ে মারধর করার যে অভিযোগ করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের হয়রানি এবং সামাজিকভাবে হেয় করতেই এমন অভিযোগ করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
অন্যদিকে সোহেল রানার দাবি, জমিটি প্রথমে তাঁর বাবা কিনেছিলেন। পরে মকছেদ আলী জমিটি কিনেছেন বলে দাবি করেন। শনিবার তাঁরা জমি মাপজোক করতে গেলে মকছেদ আলীর লোকজন তাঁদের মারধর করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সোহেল রানা আরও বলেন, ওই ঘটনার জের ধরে রোববার রাতে আজিজারকে ধরে নিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে তিনি জানতে পেরেছেন।
আজিজার বলেন, মকছেদ আলীর সঙ্গে তাঁর কোনো শত্রুতা বা জমি নিয়ে বিরোধ নেই। সোহেল রানার পক্ষে সালিশ করতে যাওয়ায় তাঁকে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। বর্তমানে তিনি নওগাঁ সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ বিষয়ে মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোরশেদ আলম বলেন, “এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষের লিখিত অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আপনার মতামত লিখুন