ঢাকা    শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬
দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

গণমাধ্যম কার্যালয়ে হামলায় দুঃখ প্রকাশ করলেন প্রেস সচিব

'লজ্জায় মাটির নিচে ঢুকে যেতে পারতাম'


নিজস্ব প্রতিবেদক :
নিজস্ব প্রতিবেদক :
প্রকাশ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

'লজ্জায় মাটির নিচে ঢুকে যেতে পারতাম'

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই গণমাধ্যম 'প্রথম আলো' ও 'ডেইলি স্টার' কার্যালয়ে ভয়াবহ হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর দুঃখ ও লজ্জা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এই অনুভূতি ব্যক্ত করেন। হামলার সময় সাংবাদিকদের আতঙ্কিত ফোন কল পেয়েও সময়মতো সহায়তা পৌঁছাতে না পারায় নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করে তিনি বলেন, “যদি লজ্জায় মাটির নিচে ঢুকে যেতে পারতাম—এমনটাই অনুভূতি আমার।”

ফেসবুক পোস্টে প্রেস সচিব শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার রাতে ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর সাংবাদিক বন্ধুদের কাছ থেকে তিনি বারবার আতঙ্কিত ও কান্নাজড়িত সাহায্যের ফোন পেয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার সব বন্ধুদের উদ্দেশে বলতে চাই, আমি গভীরভাবে দুঃখিত যে আমি আপনাদের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছি। সাহায্য সংগঠিত করার জন্য যথাযথ ব্যক্তিদের কাছে আমি অসংখ্য ফোন করেছি, কিন্তু সেই সহায়তা সময়মতো পৌঁছায়নি।” একজন সাবেক সাংবাদিক হিসেবে তিনি সহকর্মীদের এই বিপদে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন বলে পোস্টে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, রাতভর চেষ্টার পর ভোর ৫টার দিকে যখন খবর পান যে ডেইলি স্টারের ভেতরে আটকে পড়া সকল সাংবাদিক উদ্ধার হয়েছেন এবং তাঁরা নিরাপদে আছেন, তখনই তিনি ঘুমাতে যান। তবে ততক্ষণে দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ হামলা ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয় প্রতিষ্ঠান দুটি।

উল্লেখ্য, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তেজিত জনতা রাজধানীর কাওরান বাজার ও আজিমপুর এলাকায় অবস্থিত পত্রিকা দুটির কার্যালয়ে চড়াও হয়। এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় সাংবাদিক সমাজ ও সুশীল মহলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। প্রেস সচিবের এই স্বীকারোক্তি ও দুঃখ প্রকাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

শনিবার, ২৯ আগস্ট ২০২৬


'লজ্জায় মাটির নিচে ঢুকে যেতে পারতাম'

প্রকাশের তারিখ : ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

featured Image

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুকে কেন্দ্র করে দেশের শীর্ষস্থানীয় দুই গণমাধ্যম 'প্রথম আলো' ও 'ডেইলি স্টার' কার্যালয়ে ভয়াবহ হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় গভীর দুঃখ ও লজ্জা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বিকেলে তাঁর ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক আবেগঘন পোস্টে তিনি এই অনুভূতি ব্যক্ত করেন। হামলার সময় সাংবাদিকদের আতঙ্কিত ফোন কল পেয়েও সময়মতো সহায়তা পৌঁছাতে না পারায় নিজের ব্যর্থতা স্বীকার করে তিনি বলেন, “যদি লজ্জায় মাটির নিচে ঢুকে যেতে পারতাম—এমনটাই অনুভূতি আমার।”

ফেসবুক পোস্টে প্রেস সচিব শফিকুল আলম উল্লেখ করেন, বৃহস্পতিবার রাতে ডেইলি স্টার ও প্রথম আলোর সাংবাদিক বন্ধুদের কাছ থেকে তিনি বারবার আতঙ্কিত ও কান্নাজড়িত সাহায্যের ফোন পেয়েছেন। তিনি বলেন, “আমার সব বন্ধুদের উদ্দেশে বলতে চাই, আমি গভীরভাবে দুঃখিত যে আমি আপনাদের পাশে দাঁড়াতে ব্যর্থ হয়েছি। সাহায্য সংগঠিত করার জন্য যথাযথ ব্যক্তিদের কাছে আমি অসংখ্য ফোন করেছি, কিন্তু সেই সহায়তা সময়মতো পৌঁছায়নি।” একজন সাবেক সাংবাদিক হিসেবে তিনি সহকর্মীদের এই বিপদে সান্ত্বনা দেওয়ার ভাষা হারিয়ে ফেলেছেন বলে পোস্টে উল্লেখ করেন।

তিনি আরও জানান, রাতভর চেষ্টার পর ভোর ৫টার দিকে যখন খবর পান যে ডেইলি স্টারের ভেতরে আটকে পড়া সকল সাংবাদিক উদ্ধার হয়েছেন এবং তাঁরা নিরাপদে আছেন, তখনই তিনি ঘুমাতে যান। তবে ততক্ষণে দেশের ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ হামলা ও অগ্নিসংযোগের শিকার হয় প্রতিষ্ঠান দুটি।

উল্লেখ্য, শরীফ ওসমান হাদির মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার পর উত্তেজিত জনতা রাজধানীর কাওরান বাজার ও আজিমপুর এলাকায় অবস্থিত পত্রিকা দুটির কার্যালয়ে চড়াও হয়। এই বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় সাংবাদিক সমাজ ও সুশীল মহলে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে। প্রেস সচিবের এই স্বীকারোক্তি ও দুঃখ প্রকাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।


দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ

সম্পাদক ও প্রকাশক: মোঃ ফয়সাল আলম , মোবাইল- ০১৯১৬৫৫৭০১৭
  প্রধান সম্পাদক: মো: আতাউর রহমান, মোবাইল: ০২৪১০৯১৭৩০

কপিরাইট © ২০২৫ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দৈনিক উন্নয়নে বাংলাদেশ